মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ৮ ধারাবাহিক চটি গল্প - school book solver

Tuesday, 8 September 2026

মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ৮ ধারাবাহিক চটি গল্প




মিষ্টি কথার চোরাস্রোত

 পর্ব ৮

আগের পর্ব ৭ দেখুন

রজতের সঙ্গে বাড়ির মেন গেটের কাছে দাঁড়ালাম। সেখানে একটা কালো গাড়ি দাঁড় করানো ছিল। অনিমেষ বাবু সামনে ড্রাইভার এর কাছে বসে ছিলেন।

 আমি পিছন সিটে বসে রজতকে বসলাম - তোমার বাবাকে বলে দাও ভালো করে যেন আমার খেয়াল রাখে।

রজত বাবাকে বলল - ভালো করে আপনার বৌমার খেয়াল রাখবেন। দেখবেন ওর যেন কোন অসুবিধা না হয়। 

শশুরকে খুশি রাখতে রজতকে আবার বললাম- তোমার বাবাকে বলে দাও আমার ভালো করে যত্ন নিতে।

রজত ও বাবার কাছে গিয়ে বলল - বাবা আপনার বৌমা নতুন জায়গা যাচ্ছে।  ভালো করে জন্ম নেবেন।

- ঠিক আছে বলে শশুর মশাই আমার দিকে তাকিয়ে চোখটা ঘুরিয়ে নিলেন।  গাড়ি ছেড়ে দিল। গাড়ি শহরের বড়ো রাস্তায় উঠতেই গাড়িটা দাঁড়িয়ে গেল ।  শশুর গাড়ি থেকে নেমে আমার সিটের পাশে এসে বসলেন। ড্রাইভারের এদিকটা পুরো ব্লক করা আছে‌। ভেতরে কিছু হলে দেখা যাবে না। অনিমেষবাবু আমার পাশের সিটে বসতেই গাড়ি ছেড়ে দিল। অনিমেষ বাবু আমাকে চুম্বন করতে এলে আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম -আপনার ছেলে কি বলল? আমার ভালো যত্ন নিতে।

- যত্ন নেব বলি তো আমি তোমার কাছে এলাম। বলেই আমার গলাজড়িয়ে ধরে চুম্বন করতে করতে বলল - তুমি সুইট । ভেরি সুইট।

- খুব মজা তাই না? আমি কিন্তু গাড়িতে কিছু খুলতে পারবো না। দীঘায় গিয়ে আমাকে খোলার জন্য কিছু বলতে হবে না। আমি সবসময় আমার শ্বশুরের জন্য রেডি থাকবো।

 অনিমেষ বাবু বলল- এখন তোমাকে নিজে  কিছু খুলতে হবে না। যা খোলার আমি খুলবো।

- আমি আদর করে চুম্বন করে বললাম - বাপরে বাপ যা‌।  খুলতেই হবে ? বেশ যা মন হয় তাই করুন।

  দীঘা পৌঁছানোর আগে পর্যন্ত আমাকে গাড়ির মধ্যে কোন সময় শারীরিক সুখ থেকে বঞ্চিত করেনি। তিনি ঘন্টায় ঘন্টায় আমার শরীরের গরম নোনতা জল খেয়ে খেয়ে পিপাসা মিটিয়েছিলেন। আমি ভীষণ খুশি হয়ে যেভাবে খেতে চাইছিল সেই ভাবেই খাইয়ে ছিলাম। কোন বাধা দিইনি।  এইভাবে যখন দীঘা পৌঁছলাম তখন ভোর হয়ে গেছে। ঘর বুক করা ছিল। ওখানে গিয়ে  ঘরে জিনিসপত্র রেখে বাথরুমে গেলাম। অনিমেষ বাবু ঘরে সোফায়  মধ্যে বসেছিলেন। আমি বাথরুম থেকে বেরিয়ে অর্ধনগ্ন অবস্থায় অনিমেষবাবু সামনে গিয়ে চলাফেরা করতে করতে পোশাকগুলো ব্যাগ থেকে বার করছিলাম। অনিমেষবাবু একটা সিগারেট ধরিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। মনে হচ্ছিল হিংস্র পশুটা এক্ষুনি আবার আমার ওপরে ঝাপিয়ে পড়বে।

আমার এই বেশভূষা দিতে অনিমেষবাবু থাকতে না পেরে ওখান থেকে উঠে এসে ডান হাত দিয়ে শক্ত করে গলাটা জড়িয়ে ধরে  চুম্বন করে বললেন- ভেরি সুইট। ভেরি ভেরি সুইট। সকালটা তোমাকে নিয়ে এনজয় করতে মন হচ্ছে।  

আমি বললাম - সারারাত গাড়িতে আসতে আসতে এত এনজয় করলেন তবুও আশা মেটেনি?

- অনিমেষ বাবু  আমার পিঠে আঙ্গুল দিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে বললেন - তোমার এই নরম তুলতুলে শরীরটা আমাকে পাগল করে তুলেছে। এখানে এসে তোমাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে।

-তাই বুঝি! আদর করে গাল টিপে দিয়ে বললাম- কিন্তু মশাই, এখন আরম্ভ হলে শেষ করতে দেরি হবে। সূর্য ওঠাটা কখন দেখবো? সূর্য ওঠা দেখে এসে হবে। এখন ছেড়ে দিন। তাড়াতাড়ি পোশাক পরে নিই। 

আমাকে ছেড়ে  বললেন- বাথরুমে আমার জন্য কিছু রেখে এসেছ নাকি? 

আমি অভিনয় করে মিষ্টি হাসি দিয়ে অবাক হয়ে বললাম- কি রেখে আসবো?

অনিমেষবাবু  জড়িয়ে ধরে চুম্বন করে বললেন - তোমাকে কি সবকিছু মুখে বলতে হবে। এবার থেকে বাথরুমে গেলে আমাকে সঙ্গে নিয়ে যাবে। তোমার এই সৌন্দর্যের একটু কিছু বাইরে ফেলতে দেব না। সব চেটেপুটে খাব।

-তাই বুঝি? কিছুই ফেলতে দেবেন না? সব খাবেন?

মেজাজ নিয়ে বললেন - কতবার তোমাকে বলতে বলতে হবে?

 আমি মজা করে হেসে বললাম- তার মানে এবার থেকে শুধু সামনে নয়, আমার পিছন দিয়ে যেটা বের হবে সেটাও আমার শশুর মশাই খাবেন। তাইতো?

 আমাকে আদর করে বললেন--  হাঁ সুন্দরী। ওটাও খেতে চাই।

আমি গালে হাত দিয়ে বললাম- ছিঃ শেষে কিনা আপনি আপনার বৌমার ওটাও খাবেন ? আপনার বৌমা কি এতই সুন্দরী?

- তুমি কি চাও না দীঘায় এসে নতুন ভাবে ইনজয় করি?

- অবশ্যই চাই। তাই বলে------ ঐ গন্ধ নোংরা জিনিস টা খেতে হবে? আমি ঐ নোংরা জিনিস খাওয়াতে পারবো না।

- অনিমেষ  বাবু  বসে  আমার পা দুটো ধরে বলল-  প্লিজ! তুমি আপত্তি করো না।

 আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- ঠিক আছে!  আপনার যখন খেতে খুব ইচ্ছা করছে তখন আপনার আশা আজকেই মেটাবো। আপনি ঠিক করুন কি দিয়ে খাবেন? রুটি না শসা বলে হাসলাম। 

-কিছু লাগবে না। জিভ দিয়ে চেটে চেটে খাবো।

- ধূর! ও ভাবে খেলে আমার ভালো লাগবে না। এক একটা দিন এক এক রকম জিনিস দিয়ে খাবেন। একদিন শশা দিয়ে। একদিন পাউরুটি দিয়ে। ঠিক আছে আমি আপনাকে মনের মত করে খাওয়াবো। খুশি তো?  চলুন সূর্য উঠা আসি। একসঙ্গে সূর্য ওঠা দেখলে  আপনার জীবনে নতুন সূর্য উঠবে। 

আমাদের কোম্পানির ম্যানেজারের রনজিতের জন্য আমার মন এখন ব্যাকুল । সেটা বলা যাবে না। বললে শ্বশুর মশাই সন্দেহ করতে পারে। ম্যানেজারকে নিয়ে সকালেই আমি ইনজয় করতে চাই। তাই হালকাভাবে বললাম - কিন্তু আপনার ম্যানেজার তো এখনও এলো না ? 

অনিমেষ বাবু বললেন - সে অন্য হোটেল নিয়েছে।

- একবার ফোন করুন। একসঙ্গে যাব।

 [ অনিমেষ বাবু ম্যানেজারকে ফোন করলে ম্যানেজার বললেন- আমি পৌঁছে গেছি সমুদ্র তটে। 

কথাটা শুনে আমি খুব আনন্দ পেলাম। রণজিৎ বাবুকে দেখার জন্য মন ছটফট করছে। ভালো করে সেজেগুজে কিছুক্ষণের মধ্যে সমুদ্র সৈকতে পৌঁছলাম । কিছুক্ষণের মধ্যে ম্যানেজার এসে হাজির হয়ে আমাকে নমস্কার করলেন। আমি ও নমস্কার করলাম। সূর্যদয় দেখতে দেখতে বারবার উনি আমাকে দেখছিলেন। আমি সরে গিয়ে অনিমেষবাবুর পিছনে  দাঁড়ালাম। আমি ইশারা করতেই রণজিৎ বাবু অনিমেষবাবুর পিছনে এসে দাঁড়ালেন। অনিমেষবাবু বুঝতেই পারলেন না ওনার  ম্যানেজারের  সঙ্গে আমার  কি এখন হতে চলেছে। আমি আমার বাঁহাতটা দিয়ে ম্যানেজার বাবুর ডান হাতটা  শক্ত করে চেপে ধরে দাঁড়িয়ে প্রেম নিবেদন করতে শুরু করলাম। তারপর দুজনে  দুজনের গলা জড়িয়ে ধরে  সূর্য  উঠা দেখতে লাগলাম। পাশের লোকে দেখলে হয়তো  ভাববে ম্যানেজার আমার স্বামী।  সূর্য ওঠা দেখা হয়ে গেলে তট ফাঁকা হয়ে গেল।

আমি বললাম- চলুন কিছু  ব্রেকফাস্ট করা যাক। তারপর ফিরে যাওয়ার পথে আমাদের ঘরটা একবার দেখে যাবেন। [ আমরা একসাথে রেস্টুরেন্টে ঢুকলাম। ]

 অনিমেষবাবু  বললেন - কি কি অর্ডার দেবো ? 

আমি বললাম-যেটা আপনার খেতে ভালো লাগে। (কানে কানে বললাম)কারণ ওইগুলোই আজ আপনাকে খাওয়াতে হবে।[ বলে  মিষ্টি মিষ্টি হাসি দিলাম।  অনিমেষবাবু ভালো ভালো  খাবার অর্ডার করলেন ।একসঙ্গে টেবিলে গোল  হয়ে খেতে বসলাম। খেতে খেতে অনিমেষ অনিমেষ বাবুকে নিয়ে  মজা করতে লাগলাম।  এটা কতটা খাব?  ঝাল খাব কিনা?   মিষ্টি মিষ্টি  হাসতে হাসতে একটা বড়ো রসগোল্লা দেখিয়ে বললাম - এটা কটা খাবো? 

 [ম্যানেজার বাবু মাথা নামিয়ে খাওয়া-দাওয়া করলেন। খাওয়া শেষ হলে আমাদের সঙ্গে হেঁটে ম্যানেজার  আমাদের ভাড়া করা হোটেল এলেন। আমাদের জন্য দুটো পাশাপাশি ঘর নেওয়া হয়েছিল। শ্বশুরমশাইয়ের জন্য যে ঘরটা ছিল সেখানে প্রবেশ করলাম]

- তোমরা কথা বলো । আমি ড্রেসটা পাল্টে আসি। [বলে পাশের ঘরে গেলাম। আমি সাদা রঙের হালকা ছোট সাইজের টেপ জামা পড়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখলাম। ওটা আমার শরীরের সুস্বাস্থ্যের উপর ভালো ম্যাচ করেছিল। হাটুর অনেক উপরে অংশ পর্যন্ত ফাঁকা দেখা ছিল। নিজেকে দেখে নিজেই চমকে গেলাম। মনে মনে ভাবলাম শশুর মশাই কেন আমার সবকিছু খেতে চাইছে। শুধু আমার শ্বশুরমশাই কেন আমাকে এই অবস্থায় দেখলে সকল পুরুষেরই খেতে মন চাইবে । নিজেকে নিজেই  আমি ধন্যবাদ দিলাম। তারপর ধীরে ধীরে ওদের ঘরে প্রবেশ করলাম। ওরা দুজনে সোফার  মধ্যে বসেছিল। আমি  ওদের আমি ওদের সামনে চেয়ার নিয়ে বসলাম। রণজিৎ বাবু আমাকে দেখে  সিগারেট ধরিয়ে ফেললেন।  তার চোখের ভাব অন‍্যরকম হয়ে গিয়েছিল। কথার ফাঁকে ফাঁকে আমাকে দেখতে লাগলেন। আমি ও আমার চোখের ইশারায়  রনজিতবাবুর মনে দাগ কাটতে লাগলাম। হোটেলের বয় এসে চা দিয়ে গেল। 

 ম্যানেজার ম্যানেজার বাবুকে উদ্দেশ্য করে বললাম- দুপুরে আমরা স্নানে যাব। আপনি চলে আসবেন। একসঙ্গে স্নান যাবো। তারপর  অনিমেষ বাবুকে বললাম - আমার কিছু কাজ আছে। কাজ সেরে  আমি বাথরুমে যাব । ১৫ মিনিট সময় দিলাম। আমি চেয়ার থেকে ওঠে ম্যানেজার  বাবুকে উদ্দেশ্য করে করে বললাম-  দেখা না করে চলে যাবেন না।  ম্যানেজারের চোখ মুখের অবস্থা ভালো ছিল না। আমি বুঝতেই পারলাম উনি ভালো রকম আমার প্রতি আকর্ষিত হয়েছেন। আমি খুব আনন্দ পেলাম। সেদিন আমার বাড়ি গিয়ে আমার মন জয় করে চলে আসার ফল আমি বোঝাবো। আমি এসে ঘরের মধ্যে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অর্ধনগ্ন অবস্থায় চুল সাইজ করতে লাগলাম। আমি জানি ম্যানেজার বাবু এখানে বেশিক্ষণ থাকবেন না। যাওয়ার সময় নিশ্চয়ই আমার সঙ্গে দেখা করতে আমার ঘরে আসবেন। আমার অর্ধনগ্ন  শরীরটা দেখানোর জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যানেজার বাবু দরজাটা ঠক ঠক করলেন।

 আমি খুশি মনে বললাম- খোলা আছে । (মনে মনে বললাম আসুন আপনার জন্য সবই খোলা  রেখেছি। আপনি দেখতে পারলেই হবে।)

ম্যানেজার বাবু কপাট ফাঁক করতেই আমার সঙ্গে ওনার চোখে চোখ পড়ে গেল। আমাকে ঐ অবস্থায় দেখে উনার মুখ বোবা হয়ে গেলেন। 

- কি হলো?  কিছু বলুন।

- আস্তে আস্তে বললেন-ভেরি বিউটিফুল।ফাইন। 

- মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- তাই বুঝি?

-একটু ভিতরে যেতে পারি?

-আপনার বস যদি বুঝতে পারে? 

 -আপনাকে স্পর্শ করতে খুব মন হচ্ছে।

-এখন নয়। দুপুরে সমুদ্রে স্নানের সময় সুযোগ দেব।

-  ঠিক আছে।  তাহলে এখন আসছি। কপাটটা বন্ধ করে দিলেন। 

 ম্যানেজার চলে গেলে অনিমেষবাবু আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন আমি শরীরে পোশাক পড়ে নিয়েছি।

-  চলুন বাথরুমে।

- আমি অবাক হয়ে বললাম- কি ব্যাপার! বৌমা কে আপনি করে কথা বলতে শুরু করলেন যে? 

- আমার জীবনে নতুন সূর্য উঠবে সেজন্য।

- ও ..তাই বুঝি! যেতে পারি কিন্তু এর জন্য আমার ভালো উপহার চাই। কি দেবেন তো?  

-তুমি যা চাইবে তাই দেবো।

আমি পোশাকগুলো খুলতে লাগলাম। নগ্ন অবস্থায় বললাম -কেমন লাগছে আমাকে?

■ sweet, very sweet।

-সত্যি বুঝি? চলুন বাথরুমে। বাথরুমে আমি বললাম- আপনি সব খুলে ফেলুন।  অনিমেষবাবু পাঞ্জাবি কাপড় খুলে ফেললেন।আমি ওনার বারমুডার উপর হাত বুলিয়ে বললাম -কি ব্যাপার! সকালবেলা থেকেই তো আপনার বড়বাবু মাথা তুলে দাঁড়িয়ে পড়েছে?

-খুশিতে।

-এত খুশির কারণ কি?

-নূতন জিনিস খেতে পাবো।

-[আমি নাক চেপে ধরে বললাম]- ছিঃ--  অনিমেষ বাবু আমার পা জড়িয়ে ধরে পাগলের মত ব্যবহার লাগলেন।  আমি খুশি হয়ে  পিপাসা এবং খিদে মেটালাম। তারপর আমাকে কোলে তুলে  নিজের ঘরে বিছানায় ফেলে সুখে  ভরিয়ে দিলেন।  বেলা বারোটা বাজলে তাড়াতাড়ি দুজন  রেডি হয়ে  স্নানের জন্য বের হলাম।  ম্যানেজার আগে থেকে চলে এসেছিলেন। আমি একটা হালকা জামা পড়ে গিয়েছিলাম। ম্যানেজার রণজিৎবাবু সুইমিং ড্রেস হাতে দিয়ে বললেন- এটা পরে শ্নান করলে ভালো লাগবে।  আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- ঠিক আছে এটা কালকের জন্য রেখে দিলাম। আজকে যেটা পড়ে আছি ওটাতেই স্নান করি। 

অনিমেষবাবু জলে নামতে চাইছিলেন না। আমরা তিনজনেই আস্তে আস্তে সমুদ্রে জলের দিকে পা বাড়ালাম। হঠাৎ সমুদ্রে একটা ঢেউ আমার উপর আছড়ে পড়লো। ওই সুযোগে ম্যানেজার বাবু আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। পুরো ব্যাপারটা অনিমেষ বাবুর চোখের সামনে ঘটে যাওয়ায় আমি ম্যানেজার বাবুকে একটা চড়  মারলাম। তারপর অভিনয় করে বিরক্তিকর ভান করে অনিমেষ বাবুর কাছে গিয়ে বললাম-আমাদের একটা চাকরের এত বড় সাহস হয় কি করে? ওকে এক্ষুনি কলকাতা পাঠিয়ে দিন। 

(ম্যানেজার বাবু রাগ করে সেখান থেকে চলে যাছিলেন। অনিমেষ বাবু একটু এগিয়ে গিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করতে লাগলেন। 

আমি বললাম -আমি কোন কথা শুনতে রাজি নাই। উনাকে এক্ষুনি কলকাতা পাঠিয়ে দিন। আমি কথাটা বলছিলাম অনিমেষবাবুর পিছন থেকে। ম্যানেজার বাবু আমার সামনে ছিলেন অর্থাৎ তিনি আমাকে দেখতে পারছিলেন। কিন্তু আমার শ্বশুর আমাকে দেখতে পাছিলেন না। আমি ঈশারা করতেই রনজিৎ বাবু আমার দিকে তাকালেন। আমি তখন দুহাত দিয়ে আমার কান ধরে ক্ষমা চেয়ে নিলাম এবং চোখের ইশারায় বোঝালাম আমি তোমার জন্য। অনিমেষ বাবু বুঝতে পারলেন না। তারপরে একটু ঠান্ডাভাবে বোঝাবার চেষ্টা করলাম।

- ও যখন এসেছে থাক। যদি রাগ করে চলে যেতে চায়,তাহলে যেতে পারে। [আবার কান ধরে ক্ষমা চাইলাম। রনজিত বাবু ব্যাপারটা বুঝে নিলেন । তারপর আবার একসাথে স্নান করতে নামলাম।

আমি অনিমেষ বাবুকে বললাম- আপনিও নেমে পড়ুন।

 অনিমেষ বাবুর স্নান হয়ে গেলে আমি  ইচ্ছা করে স্নান করতেই থাকলাম।

 অনিমেষ বাবু কে বললাম -আপনার থাকার এখানে দরকার নেই। আমি ম্যানেজার বাবুর সঙ্গে ফিরে যাব। আপনি আগে গিয়ে আমাদের  তিনজনের জন্য ভালো খাবারের অর্ডার দিন । 

- ঠিক আছে । তাড়াতাড়ি চলে আসবে। 

আমি বললাম- আধঘন্টা মধ্যে পৌঁছে যাব।

[ অনিমেষ বাবু চলে গেলে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম -আর দূরে দূরে নয়। এবার আসুন একসাথে স্নান করি।

-ওই পাশে চলো।

-o k. চলো।

[একদম ফাঁকা জায়গায় আমরা দুজনে পৌঁছে গেলাম। আমি রণজিৎ বাবুর গলা জড়িয়ে ধরে বললাম- কিছু মনে করোনি তো? তোমার বসের মনে বিশ্বাস আনতে এটা আমাকে করতেই হতো। এখন দেখলে তো বিশ্বাস করে আমাকে কে ছেড়ে দিয়ে চলে গেল। এবার তুমি তোমার বসের বিশ্বাসটা ভেঙে দিয়ে ওর বৌমাকে নিয়ে জলের মধ্যে মস্তি করো।

-তোমার মধ্যে যে এত কিছু আছে আগে বুঝতে পারিনি।

-তাই বুঝি! দুজনে হাত ধরে একসাথে চান করতে লাগলাম। বারবার সমুদ্রের ঢেউ আমাদের উপর আছাড় খেয়ে পড়তে লাগলো। আমরা দুজনে দুজনকে জড়িয়ে ধরে আনন্দ উপভোগ করতে লাগলাম। রনজিত বাবু বারমুণ্ডার ভেতর হাত ভরে দেখলাম ওটা শক্ত হয়ে উঠেছে। ভালো করে ধরার চেষ্টা করলাম। ওটা এত মোটা এবং বড় যে হাতে ভালো করে ধরা যাচ্ছে না। ভীষণ খুশি হয়ে বললাম-  সেদিন আমার বাড়িতে এত করে একটু সময় চাইলাম দেওয়া হলো না। 

-সেদিন খুব ব্যস্ত ছিলাম । তার জন্য ক্ষমা চাইছি। তাছাড়া তোমার মত সুন্দরী কে ওই এক ঘন্টা সময় খেললে আমার কিছুই হতো না। 

-তাইবুঝি?

-তোমাকে কখন নিজের করে পাবো?

-তুমি যখন চাইবে তখনই পাবে ।

-আমি আজকে রাতেই তোমাকে চাই।

- আদর করে গলা জড়িয়ে ধরে চুম্বন করে বললাম-  সারারাত না এক ঘন্টা ?

-তোমাকে সারারাত না হলে আমার আশা মিটবে না।

- ঠিক আছে। হয়ে যাবে যাবে। আমাকে কি তোমার বসের সামনেই করতে চাও ? নাকি তোমার হোটেলে যেতে হবে? 

- তুমি যেটা বলবে।

- আমি চাই শুরুটা তোমার বসের সামনেই হোক।  লুকিয়ে চুরি করলে আমাকে অনেক কৈফত দিতে হবে । আর ভবিষ্যতে আমরা অবাধে মেলামেশা করতে পারবো না। তাই যেটা হবে তোমার বসের সামনে হোক।

- আমি রাজি । 

-তাহলে আমি যেটা বলছি সেটা আজ তোমাকে করতে হবে। এখান থেকে সোজা আমাদের হোটেলে যাব। হালকা খাওয়া-দাওয়া করব। বস যেন বুঝতে না পারে তোমার আমার ঘনিষ্ঠতার কথা। তুমি চলে যাবার সময় তোমার মোবাইলটা আমাদের এখানে ফেলে যাবে। নিতে আসবে ঠিক সন্ধ্যা ছয়টার সময়। কোন সারা শব্দ না দিয়ে সোজা দরজা খুলে ঘরে ঢুকে যাবে। তারপর যা করার আমি করব।

- ঠিক আছে।

-যেন এক মিনিটে এদিক ওদিক হয় না। মনে থাকবে?  - -থাকবে।

- thank you

-এখন একবার হলে ভালো হতো।

 আমি আদর করে বললাম - তুমি যেন কেমন হয়ে গেছো। সেদিন আমাকে বাড়িতে একা পেয়ে নিতে পারলে না। আর এখন আমাকে দেখেই নেওয়ার জন্য  ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। (আমারও মন চাইছে ওটা দিয়ে সুখ পাবার জন্য) 

আমি বললাম - এই জলের মধ্যে কি করে হবে ? লোকে দেখতে পাবে তো। 

-এখানে তো তেমন কেউ নেই। দু একজন আছে ওরা ও চলে যাচ্ছে।

- প্লিজ জিৎ এখানে নয় । এখানে ওটা ব্যবহার করলে  বালি ঢুকে যাবে । পাশের কোনো চাতালে চলো। 

-চাতালে বেশি লোকজন আছে । ওখানে হবে না।

- তাহলে প্লিজ রাতে হবে। এখন তুমি আমার ওটা বাদ দিয়ে মুখটাকে ব্যবহার কর।

 -ঠিক আছে ! বলে ওর ওটা আমার মুখের মধ্যে ভরে দিল। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে আমার গলা পর্যন্ত ভরে ভরে সুখ অনুভব করল। তারপর আমার মুখের মধ্যেই ক্রিম ঢেলে দিল।

- বাপরে বাপ! গলায় ব্যথা করছে আমার। আমি মুখটা ধুয়ে নিয়ে বললাম- তাহলে আমার যন্ত্রটা রাতের জন্য রেখে দিলাম। রাতে ভালো করে ব্যবহার করবেন। খুশি তো ?

-অবশ্যই! সেটা আর বলতে হবে?

-চলো! অনেক দেরি হয়ে গেল।

 

 ৯ পর্ব দেখুন