তখন বৈজ্ঞানিক সাহিত্য রচনা সুসাধ্য হবে। তখন বলতে কী বোঝানো হয়েছে? বর্তমান প্রেক্ষিতে বৈজ্ঞানিক রচনা সুসাধ্য নয় কেন? কী করলে বৈজ্ঞানিক সাহিত্যরচনা সুসাধ্য হবে বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন ?
![]() |
প্রশ্ন: 'তখন বৈজ্ঞানিক সাহিত্য রচনা সুসাধ্য হবে। তখন বলতে কী বোঝানো হয়েছে? বর্তমান প্রেক্ষিতে বৈজ্ঞানিক রচনা সুসাধ্য নয় কেন? কী করলে বৈজ্ঞানিক সাহিত্যরচনা সুসাধ্য হবে বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন ?
উত্তর > তখন বলতে প্রাবন্ধিক রাজশেখর বসুর মতে, কালক্রমে এদেশে বিজ্ঞানশিক্ষার বিস্তার ঘটলে জনসাধারণ প্রাথমিক বিজ্ঞানের গোড়ার বিষয়গুলি জেনে যাবে। জনসাধারণের বিজ্ঞান বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান বাড়লে; ‘তখন' বৈজ্ঞানিক সাহিত্যরচনা সহজ হবে।
II বর্তমান প্রেক্ষিতে বৈজ্ঞানিক রচনা: বর্তমানে এ-দেশের অবস্থা পাশ্চাত্য দেশগুলির মতো নয়। এখানকার সাধারণ মানুষ প্রাথমিক বিজ্ঞানের সাধারণ বিষয়গুলিও জানে না। এমনকি পরিণত বয়স্ক মানুষদের জন্য কিছু লিখলেও একেবারে গোড়া থেকে লিখতে হয়। কারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান খুব সামান্য বা প্রায় কিছুই না-থাকায়; তা তাদের বোধগম্য হয় না। তাই এদেশে বৈজ্ঞানিক সাহিত্যরচনা সহজ নয়।
:
|| বৈজ্ঞানিক সাহিত্যরচনা সুসাধ্যের উপায় : বিজ্ঞানশিক্ষার বিস্তার ঘটলেই এই পরিস্থিতির বদল ঘটবে। বিজ্ঞান সম্পর্কে প্রাথমিক ধ্যানধারণার স্বচ্ছতার জন্যই ইউরোপ- আমেরিকায় পপুলার সায়েন্স লেখা সহজ। সময়ের সাঙ্গো সঙ্গে শিক্ষার প্রসার; বিজ্ঞানশিক্ষার বিস্তার এদেশেও অনুরূপ অবস্থা তৈরি করবে। মানুষের কাছে বৈজ্ঞানিক সন্দর্ভ বোধগম্য হয়ে উঠবে। তখন বৈজ্ঞানিক সাহিত্যরচনা সুসাধ্য হবে বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন।
