মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ১০ ধারাবাহিক চটিগল্প - school book solver

Thursday, 17 September 2026

মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ১০ ধারাবাহিক চটিগল্প

 


মিষ্টি কথার চোরাস্রোত 

পর্ব ১০


আগের পর্ব ৯ দেখুন

(আগের অংশ >  আপনি শুধু আমাকে পারমিশন দিন।)

আমার শ্বশুর অনিমেষ বাবু খুশি হয়ে বললেন - আমার পারমিশন এর দরকার নেই। তুমি যা খুশি করতে পারো। 

আমি বুঝতে পারলাম অনিমেষবাবুর কাকোল্ড মানসিকতা ভালোই আছে। এটা সকল পুরুষেরই থাকে। কিন্তু অনেকে মুখ ফুটে বলতে পারে না। এই ধরনের লোকেদের মানসিক চাহিদা অনেক হয়। অনিমেষ বাবুর কতটা চাহিদা আছে আরেকটু এগিয়ে নিয়ে গেলে বুঝতে পারব। 

 আমি হাসি বললাম- শুধু পারমিশন দিলে হবে? এর জন্য তো একটু আমাকে খুশি করার দরকার ।

- তোমাকে খুশি করা মানে তো টাকা। কত চাই বলো?

 আমি আদর করে গলা জড়িয়ে ধরে বললাম- যত বেশি দেবে তত বেশি বেশি খেলব।

 - ঠিক আছে এক লাখ দিচ্ছি। খুশি তো? বলে মোবাইলে এক লাখ টাকা পাঠিয়ে দিলেন। আমি বুঝতে পারলাম উনি এ ব্যাপারে অনেকটা আগ্রহী আছেন । চোখের সামনে জ্যান্ত ফিল্ম দেখে নিজেকে ইয়াং বানাতে চান। আমার মত সুন্দরী মেয়ের ফিল্ম দেখার সুযোগ পেয়ে তিনি হাতছাড়া করবেন না। আমি অভিনয় শুরু করে বললাম-  তাহলে খুশিমনে পারমিশন দিচ্ছেন তো?

- পারমিশন না দিয়ে উপায় আছে? ব্যাপারটা যখন ওর চোখের সামনে ঘটে গেছে তখন তো যেমন করে হোক সামলাতে হবে। তাই তোমরা যা খুশি করতে পারো। তবে আমার মান-সম্মানের ব্যাপারটা একটু দেখবে।

 আমি মেজাজ নিয়ে উৎসাহিত করতে বললাম - এসব ব্যাপারে মান সম্মান দেখলে হবে না।  মান সম্মান নিয়ে চললে আমি ভালো খেলতেও পারবো না। দরকার হলে আপনি টাকাটা ফিরিয়ে নিন। এই খেলাটা খুব ডেঞ্জার। পরের মন বুঝে চলতে হয়। সে যেমন চাইবে আমাকে সেই রকম চলতে হবে।

 (আমি এই ব্যাপারটা আর একটু এগিয়ে নিয়ে গিয়ে সাহস নিয়ে বললাম)-  সে যদি  আপনাকে চাকর বানাতে চায় তাহলে আপনাকে আমাদের চাকর হয়ে সব কাজে হেল্প করতে হবে।

 কথাটা বলে আমি উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম। এতেই বোঝা যাবে ওনার মানসিকতাটা এই পরিস্থিতির জন্য কতটা তৈরি আছে। এই ধরনের মানসিকতার লোক গুলো এই কাজ করতে অনেকেই পছন্দ করেন। আমার শ্বশুরমশাই কি এটাতে রাজি হবে? যদি রাজি হয় তাহলে হেবি ইন্টারেস্ট হবে। অনিমেষ বাবু কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন। ওনার মুখে মুখে একটু হালকা খুশি অনুভব করলাম। 

আমি আবার অভিনয় করে বললাম -কি মন খারাপ হয়ে গেল তো ? সেই জন্যই বলছি টাকাটা ফেরত নিয়ে নিন। আপনার কাছে টাকা নেব আবার বেইমানি করব সেটা তো হয় না। আমাকে যদি খেলতে হয় তবে ভালো করে খেলবো। ভেবে দেখুন। পরে আমাকে দোষ দিলে হবে না। আরো উত্তেজিত করতে চুম্বন করে বললাম- মন খারাপ করে লাভ নেই। এখনই তো আপনাকে আমরা চাকর বানাচ্ছি না। যখন বানাবো তখন ভেবে দেখা যাবে। আর একটু উৎসাহিত করতে বললাম- আমরা তো জোর করে আপনাকে চাকর বানাবো না। আপনার অনুমতি পেলে তবে আমরা বানাতে পারি। তাছাড়া আপনি আমাদের চাকর হয়ে কাছাকাছি থাকলে আপনার হেবি ইন্টারেস্ট হবে বলে আমার মনে হয় ।

 অনিমেষবাবু চুম্বন করে বললেন- কেন তোমার এমন মনে হয়েছে ? 

আমি ওনার কান দুটো ধরে বলি - আরে মশাই আপনার ম্যানেজারের সঙ্গে যখন খেলা করব তখন আপনি আমাদের কাছে থাকলে আমার গায়ের সুগন্ধটা উপভোগ করতে পারবেন। আবার মন চাইলে চেটে চেটে খেতে পাবেন। আর দূরে দূরে থাকলে তো এগুলো পাবেন না। আর কাছে থাকতে গেলে তো চাকর হয়ে আমাদের হেল্প করতেই হবে।

 - কি রকম হেল্প করতে হবে?

-  আপাতত আজকের জন্য আপনি শুধু ম্যানেজারকে আমার ঘরে পাঠিয়ে দেবেন । আর নিজের মুখে একটু বলে দেবেন ও যেন আমাকে ভালো করে সুখ দেয়। 

-  আমি এ কথা আমি কেমন করে বলব? ও আমার কর্মচারী। আমি বলতে পারব না । তুমি অন্য ভাবে ম‍্যনেজ করো।

 [ অনিমেষ বাবুর গাল দুটো টিপে দিয়ে বললাম]- বোকা । পারবো না বলতে নেই। ভালো খেলা দেখতে হলে খেলার মাঠে খেলোয়ারকে সব সময় উৎসাহিত করতে হয়। তবে তো সে ভালো করে খেলতে পারবে । আমি একা ভালো খেললে হবে, ওকেও তো খেলতে হবে। আপনি যদি বলে দেন তাহলে আশা করি আপনার ম্যানেজার খুব ভালো খেলবে। [ আমি অনিমেষ বাবুকে আস্তে আস্তে গ্রাস করতে চাইছি সেটা উনি বুঝতে পারছেন না] 

- ঠিক আছে বলবো।

- গুড বয়! বলে অনিমেষ বাবুর ওটা হাতে ধরে নাড়াচাড়া করতে লাগলাম।

অনিমেষ বাবু বললেন- আমার ফেলতে খুব মন হচ্ছে। আমি ধমক দিয়ে বললাম- এখন নয়। ম্যানেজারের সঙ্গে আমার খেলা দেখতে দেখতে ফেলবেন ।

- তাহলে রণজিৎ কে এখানে তাড়াতাড়ি আসতে বলো ।

-এখন সবে তো সাতটা বাজলো। এত তাড়াতাড়ি করলে হবে? ঠিক আছে আপনি যখন বলছেন তখন একবার চেষ্টা করে দেখি। আমি ফোন করে বললাম-

-হ্যালো 

-হ্যাঁ বলুন, কি বলছেন ।

-বলছি আজকে এখানে আসছেন তো?

- হ্যাঁ !  আমি বেরিয়ে পড়েছি।

- ওকে ! তাহলে দেরি না করে চলে আসুন।

 আমি অনিমেষবাবু গলা জড়িয়ে ধরে বললাম- উনি আসছেন আপনার স্বপ্ন পূরণ করতে। এবার ভালো করে একটা সিগারেট খেয়ে নিন। অনিমেষবাবু সিগারেট ধরালে আমি সিগারেটের ধোঁয়া গন্ধ নিতে লাগলাম। এমন সময় দরজার আওয়াজ হলো। আমি আনন্দে উঠে  গিয়ে দরজাটা খুলে দিলাম । ম্যানেজারবাবু  ভেতরে ঢুকলেন।

[ ম্যানেজার বাবু  আমার পাশে চেয়ারে বসলেন। বয় কে মেসেজ পাঠালাম ভালো ভালো টিফিন দিয়ে যাওয়ার জন্য। বয় এসে খাবার দিয়ে গেল।

 আমি ভীষণ খুশিতে আছি। আজ  রাতে একজন আমাকে আরাম দেবে। আর অন্যজন সেই দৃশ্য দেখে আর শব্দ শুনে এনজয় করবে।

আমি অভিনয় করে শ্বশুর মশাইকে চোখ টিপে নিয়ে বললাম -বয়কে যে বলে পাঠলেন আরেকটা ঘর দেবার জন্য, সেই ঘরের কি হলো? 

- ঠিক আছে দেখছি। ফোনটা হাতে নিয়ে বাইরে এলেন। বাইরে এসে ফোনে কি যেন বললেন। কিছুক্ষণ পর হোটেলে বয় এসে বলল- আজ আপনাদের জন্য দুটো ঘর থাকবে। কাল থেকে তিনটের ঘর পাবেন।

আমি বললাম- ঘর যখন পাওয়া গেল না তখন আপনারা দুজনে একসাথে শুয়ে পড়বেন। আমি আমার ঘরে শুয়ে পড়ব।

 অনিমেষ বাবু বললেন- দুজন একসাথে থাকলে আমার ঘুম হবে না। তিনি ম্যানেজারকে বললেন- তুমি যামিনীর ঘরে শুয়ে পড়বে।

 আমি ভীষণ আনন্দিত হলাম। 

 ম্যানেজার বাবু  বললেন- সেটা ঠিক নয় । আপনি আপনার বৌমার ঘরে থাকবেন। 

আমি খুব আনন্দ পেয়ে ওদেকে আরও উত্তেজিত করতে বললাম-  আপনারা ঠিক করুন কে কোথায় থাকবেন । আমি বাথরুম থেকে ঘুরে আসছি।  বলে দরজায় এসে দাঁড়ালাম। কপাটের ফাঁক দিয়ে শুনতে পেলাম অনিমেষ বাবু ম্যানেজার কে বলছেন- যামিনী খুব রাগী মেয়ে। ওর মনের মত কিছু না পেলে ও হয়তো এখান থেকে চলে যাবে। তুমি  আজ রাত্রে ওর ঘরে থাকো। ও যা বলবে তাই করো ।

 ম্যানেজার বাবু বলছেন- আপনি আমার বস । আমার এটা করা ঠিক হবে ? 

শশুর বললেন-আমি তো বলছি থাকতে। তাহলে তোমার অসুবিধা কোথায়? অন্য ঘরের ব্যবস্থা হলে হয়তো বলতাম না। 

- ঠিক আছে! যামিনী রাজি থাকলে আমার অসুবিধা নেই। 

আমি ঘরে প্রবেশ করে বললাম-কি ঠিক হলো?

 আমার শ্বশুর বললেন- তুমি রনজিতের সঙ্গে তোমার বিছানায় রাত কাটাও ।

-থ্যাঙ্ক ইউ! রনজিত কে উদ্দেশ্য করে আদুরে আদুরে গলায় বললাম - আপনি আমাকে নিয়ে রাত কাটাবেন তো?

-আমার কোন অসুবিধা নেই । 

- ভেরি গুড ।এরপর শ্বশুর মশাই কে উত্তেজিত করতে বললাম- একটু ভালো করে বলে দিন আপনার ম্যানেজার আমার বিছানায় কেমন করে রাত কাটাবেন।

 - অনিমেষ বাবু একটা সিগারেট ধরিয়ে রনজিৎ কে উদ্দেশ্য করে বললেন - যামিনী শারীরিক সুখ একটু বেশি পছন্দ করে । ও যদি রাজি থাকে তাহলে ওকে যেন শারীরিক সুখ থেকে বঞ্চিত করো না।

- ভেরি গুড । আমি ম্যানেজারের গলা জড়িয়ে ধরে আদর করে বললাম- আজ আমাকে  সুখের সাগরে ভাসিয়ে দেবেন তো ?

-দেবো।

- থ্যাঙ্ক ইউ। বলে ম্যানেজারের হাত ধরে সোফায় গিয়ে বসলাম । একটু পাশে বিছানার উপর আমার শ্বশুরমশাই বসে আছেন। তারপর ম্যানেজারের কোলে বসে চুম্বন শুরু করলাম। আস্তে আস্তে আমার লাল টুকটুকে জিভটা রনজিতের মুখের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিলাম। রণজিৎ আমার জিভটা চুষে চুষে খেতে লাগল। কিছুক্ষণ এভাবে চলার পর শশুরের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি দিলাম । দেখলাম শ্বশুরমশাইয়ের মুখ চোখ পাল্টে গেছে। আমি খুব স্লো খেলা শুরু করলাম। আবার একইভাবে জিব্বা লেহেন চলতে লাগলো। কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ করে শ্বশুর মশাই দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি দিলাম। আবার আমি ম্যানেজারে গলা জড়িয়ে ধরে চুম্বন করতে করতে জিভ প্রেরণ করলাম।

রনজিত উত্তেজিত হয়ে আমার পোশাক খোলার চেষ্টা করতে লাগলো। আমি ধমক দিয়ে বললাম - এখানে না, এখানে আমার শ্বশুরমশাই রয়েছে না।

- তাহলে তোমার ঘরে চলো।

- চলো। বলে দুজনে একসাথে হাত ধরে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে আমার ঘরে প্রবেশ করলাম দরজা অটোমেটিক লক হয়ে গেল । রণজিৎ আমাকে চুম্বনে পাগল করে তুলল। আমাকে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে নিজেও বস্ত্রহীন হলেন। উনার যন্ত্রটা দেখে আমি ভীষণ আনন্দ পেলাম। সেটা অনিমেষ বাবুর চেয়ে বড় এবং মোটা। ওটা হাতে নিয়ে নাড়াচড়া করতে লাগলাম।  ম্যানেজার বলল- খুশি হয়েছে তো?

 আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে ওটা মুখে একটু চুষে নিয়ে বললাম - হব না আবার! এত সুন্দর জিনিস । আপনার এটা কিন্তু আমার সারা জীবন চাই।

 ম্যানেজার বাবু বলল- তুমি চাইলে এটা তোমার জন্য সারা জীবনই থাকবে।

 আমি মেজাজ নিয়ে  বললাম - চাইলে মানে ? আমার মনের কথা তুমি বুঝতে পারছ না ? আমি রনজিতের ওটা হাতে ধরে বললাম - এই এত সুন্দর জিনিসটা আমি সারা জীবন ব্যবহার করতে চাই।

-তাহলে তুমি আমাকে নিজের করে নাও।

আমি মনে মনে খুশি হয়ে বললাম- তোমাকে নিজের করতে হলে তো আমাকে বিয়ে করতে হবে।

- বিয়ে করতে আমি রাজি। 

-শুধু রাজি হলে হবে না। তোমার বউটাকে তো বিদায় করতে হবে।

- আমি খুব শীঘ্রই ওকে বিদায় করব। 

আমি রণজিতে গলা ধরে চুম্বন করে আদর করে বললাম- খুব শীঘ্র নয় রণজিৎ। আজকেই তোমার উকিলকে  বলে তোমাদের ডিভোর্সের কাগজপত্র রেডি করে নাও। 

-ঠিক আছে, আজকেই করবো।

- আমি আবার চুম্বন করে আদুরে আদুরে গলায় বললাম- আজকেই নয় রণজিত ! এখনই করো। তাহলে আজ রাতেই তোমাকে আমি বিয়ে করে তোমার সঙ্গে ফুলশয্যা করবো।

রনজিত খুশি বলল - সত্যি বলছো?

 আমি আদর করি চুম্বন করে বললাম- একদম সত্যি!  তুমি যদি আজকে ডিভোর্সের  কাগজপত্র রেডি করো তাহলে আমি আজকূই তোমার সাথে মন্দিরে গিয়ে  বিয়ে করবো। 

রনজিত খুশি হয়ে আমাকে চুম্বন করে বলল - ভেরি সুইট!

 আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম; তাই বুঝি? আমি টেবিল থেকে ফোনটা হাতে দিয়ে বললাম - নাও ডিভোর্সের কাজ শুরু করো।

 রণজিৎ ফোনটা হাতে নিয়ে উকিলকে ফোন ধরালো। আমি রণজিতের মোটা মেশিনটা মুখে ভরে চুষতে লাগলাম। রণজিৎ ফোনে কথা বলতে লাগলো। আর আমি ওকে উত্তেজিত করতে  রনজিতের সোনাটা গলা পর্যন্ত ভরে খেতে লাগলাম। রনজিতের ফোন করা হয়ে গেলে প্রচন্ড উত্তেজিত হয়ে আমার গলা পর্যন্ত ভরে দিতে লাগলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই রণজিতের মোটা মেশিনটা বমি করে ফেলল আমার মুখের মধ্যে। আমি চুষে চুষে খেয়ে রণজিৎকে খুশি করলাম।

- তুমি হেবি বিউটিফুল। 

-তাই বুঝি? চলো, আমরা তাড়াতাড়ি বিয়ের কাজটা সেরে ফেলি। এখান থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে একটা মন্দির আছে। ওখানেই আমরা বিয়ের কাজটা সেরে নেব। তাড়াতাড়ি জামা কাপড় পড়ে নাও। আমি রেডি হয়ে নিই। 

আমি ড্রেসিং টেবিলের সামনে এসে পোশাক পড়তে পড়তে আমার পিছনটা রনজিত কে দেখাচ্ছিলাম। রঞ্জিত আমার কাছে এসে পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে  বলল- তোমার পেছনটা খুব সুন্দর। আমাকে একটু চেটে খেতে দেবে ?

 আমি অভিনয় করে বললাম- ছিঃ! পিছনটা নোংরা জায়গা।

-- খেতে খুব মন হচ্ছে ।

-তাই বুঝি? খু--ব খেতে মন হচ্ছে?

-হাঁ সুন্দরী। খুব খেতে মন হচ্ছে ।প্লিজ একবার খেতে অনুমতি দাও।

- দিতে পারি যদি বিয়ে করার পর আমাকে একটা ভালো উপহার দাও তাহলে খেতে অনুমতি দেবো।

 রনজিত আবেগে বলল - তুমি যা চাইবে আমি তাই দেবো।

- সত্যি! আমি যা চাইবো তাই দেবে ? তাহলে আমিও কথা দিচ্ছি তুমি যেমন করে আমার পেছনটা খেতে চাইবে আমি কেমন করে খেতে দেবো। তুমি যতক্ষণ খেতে চাইবে আমি ততক্ষণ খেতে দেবো। এমনকি তুমি যদি ভিতরে জিভ ভরে ভরে খাও তাও আমি বাধা দেব না।

-কি উপহার তুমি পেলে খুশি হবে?

- যদি একটা ভালো নেকলেস উপহার দাও তাহলে আমি খুব খুশি হব।

রনজিৎ আমাকে চুম্বন করে বলল- দোকানের সবচেয়ে দামি নেকলেসটা তোমাকে আজ আমি উপহার দেবো। -থ্যাঙ্ক ইউ! চলো বেরিয়ে পড়ি ।

 পরের পর্ব ১১ দেখুন এখানে ক্লিক করে