মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ৩
![]() |
মিষ্টি কথার চোরাস্রোত তৃতীয় পর্ব
[ আগের পর্ব :-আমি ছোট প্যান্টিটা একটু ফাঁক করে ধরে বললাম -তাড়াতাড়ি মুখ লাগান বান্ধবী চলে আসবে।]
[অনিমেষবাবু চেয়ারটা কাছে টেনে নিয়ে তক্তার ধারে বসে আমার পা দুটো ফাঁক করে ওখান টা চুম্বন করতে করতে চেটে চেটে খেতে লাগলেন। অনিমেষ বাবুর সু-দক্ষ চোষণের ফলে আমি তীব্র সুখ অনুভব করতে লাগলাম। মুখে বিভিন্ন আওয়াজ করতে লাগলাম। উনি উত্তেজিত হয়ে ভেতর পর্যন্ত জীভ ভরে খেতে লাগলেন। আমি সুখ অনুভব করতে করতে ওনার মাথাটা দুই দামনা দিয়ে চেপে ধরে বারবার শারীরিক তৃপ্তি অনুভব করলাম।
এমন সময় বান্ধবী বাইরে থেকে বলল-ভেতরে আসতে পারি?
অনিমেষ বাবু বললেন - এখন আসতে বারণ করো।
আমি বিরক্ত হয়ে বললাম -এটা ওদের বাড়ি। বারণ করলে কি মনে করবে বলুন তো?
অনিমেষ বাবু রেগে গিয়ে বললেন- যা মনে করবে করুক। যতক্ষণ না আমি তোমার নোনতা জলের স্বাদ পাব ততক্ষণ ওর এখানে আসা হবে না। (বলে আবার ওখানে মুখ রেখে জীভ ভেতরে ভরে চাটতে শুরু করলেন।)
আমি রাগের অভিনয় করে বললাম- শয়তান একটা। ওটা খেতেই হবে? আমি কি এতই সুন্দরী? আমার শরীরের নোনতা জল কি এতই মিষ্টি? ওটা কি এই অবস্থায় বার করা সম্ভব? এখন ছাড়ুন। পরে দেবার চেষ্টা করব।
[ উনি ছাড়তে চাইছেন না। ওখান থেকে কোনমতেই মাথা তুলতে চাইছেন না। আমি জোর করে নিজেকে মুক্ত করে আমি আমার কালো প্যাণ্টিটা শরীর থেকে আলাদা করে বাঁ হাতের আঙুলে করে ওনার মুখের সামনে ধরে, মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- এটা বাড়ি নিয়ে গিয়ে বিছানায় সঙ্গী করবেন । দেখবেন খুব ইন্টারেস্ট পাবেন।
অনিমেষ বাবু ওটা হাতে নিয়ে গন্ধ শুঁকতে লাগলেন। মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম)--খুশি তো?
[ অনিমেষবাবু বোবা হয়ে গেছেন। বারবার আমার ওটার সুগন্ধ নিতে নিতে বারমুণ্ডার ভেতর ডান হাতটা দিয়ে ওটা ধরে নাড়াচাড়া করতে লাগলেন। এমন সময় বান্ধবী আবার বলল -আসতে পারি ভিতরে??
আমি অনিমেষ বাবুকে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম - তাড়াতাড়ি ওটর ব্যবস্থা করুন। বান্ধবী চলে আসবে। (অনিমেষ বাবু ওটা পকেটে ভরে নিলে আমি বান্ধবীর উদ্দেশ্যে বললাম) -আয়। ভেতরে আয়।
[বান্ধবী কিছু মিষ্টি, ফলকুচো সঙ্গে এক গ্লাস জল নিয়ে হাজির হলো। টেবিলে জলের গ্লাসটা রেখে খাবারের প্লেটটা স্যারের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল]- এগুলো খেয়ে নিন।
[আমি ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে আয়নায় চুল সোজা করতে ব্যস্ত থাকলাম। অনিমেষ বাবু আমার দিকে ফ্যালফ্যাল ভাবে তাকিয়ে আছে। আমি বললাম- আমাকে দেখে পেট ভরবে? যেটা খেলে পেট ভরবে সেটা খান।
বান্ধবী আবার বলল -খেয়ে নিন স্যার।
অনিমেষবাবু বললেন- ভালো লাগছে না। তোমরা খেয়ে নাও। [বলে চেয়ার থেকে উঠে পড়লেন।। আমার বান্ধবী বারবার অনুরোধ করতে লাগলো। স্যার! কিছু না খেয়ে চলে গেলে হবে? আমাদের বাড়ি এলেন, আর কিছু না খেয়ে চলে যাবেন?
আমি চুল ঠিক করতে করতে মেজাজ নিয়ে বললাম- যাক। না খায় না খায়। এত তেল দেবার কিছু নেই।
অনিমেষবাবু মাথা নামিয়ে বলল- তাহলে চলে যাচ্ছি।
(অবস্থা বেগতিক দেখে আমি টেবিল থেকে খবারটা নিয়ে স্যারের মুখের সামনে ধরে আদুরে আদুরে গলায় বললাম)- রাগ করলে হবে ?
(অনিমেষবাবু অভিমান করে বললেন)- আমার বাইরে কাজ আছে।
আমি বিনয়ী হয়ে বললাম- ◆ কাজ থাকলে বাধা দেবো না। আপনি বড় বিজনেসম্যান মানুষ। কাজ থাকতেই পারে। চলুন এগিয়ে দিয়ে আসি। (কানে কানে বললাম)- অমৃতের স্বাদ না নিয়ে চলে যাবেন ? ১০ মিনিট তো এখনো হয়নি। খেতে দেবো বলেছি তো নাকি? একটু দেরী সইছে না? পরিস্থিতিটাকে একটু ম্যানেজ করতে হবে তো নাকি?
[ আমার কথায় কাজ হল। উনি আমার হাত থেকে খাবারে প্লেটটা নিয়ে আমার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলেন। আমি হালকা হাসি দিয়ে ইশারা করে চেয়ারে বসতে বললাম। উনি চেয়ারে বসলেন। আমি হেসে বললাম]- খেয়ে নিন। গায়ে বল করুন। গায়ে বল না করলে খেলবেন কি করে ?
( অনিমেষ বাবু ভালো মানুষের মতো খেতে লাগলেন। খাওয়া শেষ হলে খাবারে প্লেটটা টেবিলে রাখলেন। বান্ধবী বলল- জল খান । (বলে গ্লাসটা হাতে দিল।)
অনিমেষবাবু আমার দিকে তাকিয়ে আছে। ওনার চোখের চাহনি দেখে বুঝতে পারলাম উনি কি বলতে চাইছেন। কানে কানে বললাম)- বুঝতে পারছি আপনি কি বলতে চাইছেন। এই গ্লাসের জলে আমার নোনতা জল একটু মিশিয়ে দিলে খেতে ভালো লাগতো।। তাইতো? কিন্তু বান্ধবীর সামনে ওটা খেলে আপনার সম্মান বাড়বে না। এখন এটা খান। পরে ব্যবস্থা করছি।
বান্ধবী অবাক হয়ে বলল- স্যার কি খেতে চাইছে রে?
আমি বান্ধবীর গলা জড়িয়ে ধরে বললাম - ও তুই বুঝবি না।। আর তোকে বুঝিয়ে বলাও যাবে না। আর ওটা তোর সামনে স্যারকে খাওয়ানো যাবে না। তবে তোর স্যার যদি তোর সামনে খেতে চায় আমার কোন অসুবিধা নেই। আমি খাওয়াতে পারি।
বান্ধবী বলল- তাহলে আমি চলে যাচ্ছি। তুই আমার স্যারকে ভালোভাবে খাওয়া ।
আমি বললাম- দেখছেন তো আমার বান্ধবীটা কত ভালো? আপনার উচিত ওদের জন্য জন্য কিছু একটা করা দরকার।
- ঠিক আছে। কি করতে হবে বলো?
আমি বললাম - ওদের এই মাটির বাড়িটা পাকা করে দিন।
- ঠিক আছে। ওর মাকে ডেকে আনতে বলো। আমি ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।
আমি বান্ধবীকে বললাম- তাড়াতাড়ি যা, মাকে ডেকে নিয়ে আয়। একটু সময় নিয়ে আসবি। আর বাইরে থেকে কপাটটা লক করে দিবি।
বান্ধবী বলল- এক ঘন্টা পর আসবো, হবে তো?
আমি বললাম - চেষ্টা করব ওই সময়ের মধ্যেই সবকিছু সেরে ফেলতে। যদি না হয় তখন একটু সময় চেয়ে নেবো।
(ঘর বন্ধ হতেই স্যার আমাকে ধরে চুম্বন করতে লাগলেন। আমি ধমক দিয়ে বললাম)- রাগে চলে যাওয়া হচ্ছিল? দশ মিনিট সময় ত সইছিল না?
অনিমেষ বাবু দু হাতে আমার গলা জড়িয়ে ধরে বললেন -তাড়াতাড়ি দাও। তোমার সুধা খেয়ে জীবন ধন্য করি।
আমি বললাম- দেবো না তো বলিনি । বলছি আগে আমাকে বৌমা করুন। তারপর যত তাড়াতাড়ি মা শব্দটা কেটে দিয়ে নিজের বউ মানে নিজের স্ত্রী করে নিন। তাহলেই তো মনের মত করে খেতে পাবেন। তখন আমি তো আপনার স্ত্রী হব । তখন যা বলবেন আমি তাই করবো। তখন এটা খাওয়া তো দূরের কথা। যদি বলেন আমার নোনতা জলে স্নান করবেন। তাও করাবো। আপনি যেটা চাইবেন সেটাই হবে।
-আমি সাত দিনের মধ্যেই তোমাকে আমাদের বাড়ি নিয়ে চাই।
- তাহলে সাত দিন পরই খাবেন।
- এই সাত দিন আমি কি করে কাটাবো? (আমি আদর করে চুম্বন করে বললাম )- ঠিক আছে আপনার পকেট থেকে আমার প্যাণ্টিটা বার করে আমাকে দিন। যাবার সময় আমি ওটা আমার নোনতা জলে ভিজিয়ে দেবো। সাত দিন ওটা ভিজিয়ে ভিজিয়ে খাবেন। তাহলে হবে তো?
(অনিমেষবাবু পকেট থেকে আমার প্যান্টিটা বার করে বলল)- তুমি খুব সুন্দর।
আমি অনিমেষবাবু হাত থেকে প্যান্টিটা নিয়ে পড়ে নিতেই অনিমেষবাবু আমার গলা ধরে বললেন)-◆ আমাকে বললে আমি কি তোমার প্যাণ্টি পরিয়ে দিতাম না?
আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- তাই বুঝি! ঠিক আছে এখন ভুল হয়ে গেছে। পরে আর ভুল হবে না। আমি আপনার বৌমা হলে এরকম সুযোগ আপনাকে অনেক দেব। তখন নিজের হাতে পরিয়ে দেবেন। আবার খুলেও দেবেন। খুশি তো?
- দাও ! তাড়াতাড়ি ভিজিয়ে দাও।
আমি বললাম- এখন না । গাড়িতে যাবার সময় পেয়ে যাবেন।
-তাহলে এখন ওটা পরার দরকার ছিল না।
আদর করে গলায় জড়িয়ে ধরে বললাম- দরকার আছে মশাই। এটা না পড়ে আমার কচি কচি কালো কালো ঘাস গুলো কি করে নোনতা জলে ভিজাবো? এটা না পরে ভেজাতে গিয়ে শুধু শুধু বান্ধবীর ঘরটা নোংরা করব?
-সত্যি? এবার তাহলে ওখানে নোনতা সার পাবো ?
-অবশ্যই! কচি ঘাসের বনে ওটা সুগন্ধ অনুভব করতে পারবেন। এবার ওখানটা জীব ভরে খেতে আপনার ভীষণ এনজয় হবে। খুশি তো?
-তাড়াতাড়ি দাও । আমার মন মানছে না।
(আমি অনিমেষবাবুর আদর করে গলায় জড়িয়ে ধরে বললাম)- এত খেতে মন হচ্ছে? এত ভালোবাসো আমাকে?
- খুব ভালোবাসি।
-বেশ এবার আপনি ১...২....৩ গুণন। (অনিমেষবাবু গুনতে লাগলেন ১..২....৩ আমি অনিমেষবাবুর গলা জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষণ পর বললাম হয়ে গেছে। তারপর পায়ের নীচে তাকিয়ে বললাম-দেখুন আপনার জন্য ভালো করে ভিজাতে গিয়ে বান্ধবীদের ঘর ভিজে গেল। এবার কি হবে?
(অনিমেষ বাবু মুখে কোন কথা নেই। আমাকে ধরে নিয়ে গিয়ে চেয়ারে বসিয়ে আমার পা দুটো ফাঁক করে ধরে ওখানে মুখ রাখতেই আমি দু আঙ্গুলে ফাঁক করে ওনাকে খেতে সাহায্য করলাম। । আমি উৎসাহ দিতে লাগলাম।)- খান! ভালো করে খান! জীব ভরে ভরে খান! আরও ভিতরে , আরও ভিতরে।আঃ... (আমি ভীষণ তৃপ্তি অনুভব করলাম। আমি চেয়ারে বসে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে ওনাকে উৎসাহিত করে, চোখ বুজে শারীরিক তৃপ্তি অনুভব করছিলাম। কিছুক্ষণ পর চোখ খুলতে দেখি ওনার বারমুন্ডাটা ভিজে গেছে। অবাক হয়ে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম)- কি ব্যাপার খেতে খেতে এই অবস্থা?
(অনিমেষবাবু উঠে দাঁড়িয়ে আমাকে চুম্বন করে বললেন- - তোমার মিষ্টি মিষ্টি কথা শুনতে শুনতেই এই অবস্থ হয়ে গেছে।
( আমি ওনার গলা জড়িয়ে ধরে বললাম)- থ্যাঙ্ক ইউ। ভেরি ভেরি থ্যাঙ্ক ইউ। ভেরি ভেরি থ্যাঙ্ক ইউ ।
এমন সময় বান্ধবী বাইরে থেকে বলল -ভেতরে আসতে পারি?
আমি অনিমেষ বাবু কে বললাম- এবার আমার বান্ধবীকে আসতে বলতে পারি?
-বলো।
-তাড়াতাড়ি পোশাকগুলো পড়ে নিন।
( আমি পোশাক পড়তে শুরু করলাম । অনিমেষ বাবু পোশাক করতে শুরু করল। আমাদের পোশাক পরা হয়ে গেলে আমি বললাম)- আয় । ভিতরে আয়।
( বান্ধবী আর তার বান্ধবীর মা এসে হাজির হলো। অনিমেষ বাবু কে প্রণাম করলো। অনিমেষবাবু বলল - ◆ কাল সকালে আমার লোক এসে আপনাকে ১০ লাখ টাকা দিয়ে যাবে । এই মাটির বাড়িটা ভেঙে একটা পাকা বাড়ি করে ফেলুন। তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করবেন।
বান্ধবীর মা বললো- এত টাকা আমি শোধ করবো কিভাবে?
আমি বললাম- শোধ করতে হবে না। আপনাদের স্যার খুশি হয়ে আপনাদেরকে উপহার দিচ্ছে। তাইতো স্যার?
অনিমেষ বাবু বললেন- একদম ঠিক কথা। আরো প্রয়োজন হলে আমাকে বলবেন।আমি টাকা পাঠিয়ে দেবো।
(আমরা সকলেই খুব খুশি হলাম। অনিমেষ বাবু বললেন)- এবার আমি ফিরে যেতে চাই।
আমি বললাম - চলুন, আপনাকে এড়িয়ে আসি। বান্ধবী এবং বান্ধবীর মা আগে ঘর থেকে বের হলেন। নিচে এসে অনিমেষ বাবু গাড়ির সিটে বসে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন । বাড়ির সকলেই যখন সেখানে হাজির ছিল। সকলের সামনে কিভাবে আমি এটা ভিজিয়ে দেব ভেবে পাচ্ছিলাম না। আমাকে গাড়ির মধ্যে উঠে যেতে পারলে তবেই সম্ভব।
বললাম- স্যার!! আপনার গাড়িটা খুব সুন্দর। একটু বসতে দেবেন?( অনিমেষবাবুর পিছনের গেটটা ভেতর থেকে খুলে দিলেন। আমি ভেতরে বসে গেটটা লক করে দিলাম। তারপর আমি সিটের মধ্যে বসে আমার নোনতা জল দিয়ে ভিজিয়ে আমার প্যাণ্টিটা সিটের উপর খুলে রাখলাম। অনিমেষবাবু তার ব্যাক আয়না দিয়ে সবই দেখতে দেখছিলেন। আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে নেমে গেলাম। সাত দিন সময় লাগলো না। পাঁচ দিনের মাথায় আমার সঙ্গে অনিমেষ বাবুর ছোট ছেলের বিবাহ হলো খুব ধুমধাম করে । আমার স্বামীর নাম রজত। খুব ঠান্ডা প্রকৃতির মানুষ। একটা বিদ্যালয়ে শিক্ষক। ওনাকে দেখলে বোঝা যাবে না উনার ভিতরে মধ্যে কত আগুন আছে। ফুলশয্যার রাতে আমাকে তিনবার সুখ দিয়েছিল। রজত আমাকে সবসময় বলে, আমি খুব সুন্দরী। আমাকে বিয়ে করে খুব সুখী । পরদিন বাড়ি ফাঁকা হয়ে গেল। বড় ভাসুর এবং মেজো ভাসুরের সঙ্গে তেমন আমার এখনো পরিচয় হয়ে ওঠেনি। সবাই নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। ওরা নিজে থেকে পরিচয় করতেও আসেনি। এখন রজতের স্কুলের ছুটির দিন শেষ হয়ে গেছে। তবুও রজত আমাকে ছেড়েছে স্কুলে যেতে চায় না। সে এখন আমাকে এখন সর্বদা বিছানার মধ্যে রাখতে চায়।
আজ সকাল থেকেই আমার মন খুব চঞ্চল হয়ে উঠেছে। শশুর মশাই আজ কলকাতা থেকে বাড়ি আসবেন। কথামতো আজকে ওনার বিছানার সঙ্গী হতে হবে। আমি খুব আনন্দে আছি । আজ আমি নতুন করে ওনার স্পর্শ অনুভব করব। রজতকে একটু ম্যানেজ করতে পারলেই হবে। সকাল থেকেই রজতকে আমি খুশিতে রাখলাম। নিজেকে খুব সুন্দর ভাবে সাজালাম। বেলা বারোটার পর শশুর মশাই নিজের গাড়ি করে কলকাতা থেকে ফিরলেন। আমরা নিচে তলায় থাকি। শশুর মশাই পাশের বিল্ডিং এ দোতলায় তলায় থাকেন। রজতকে ঘরের মধ্যে বসিয়ে রেখে উপরে যাবার রাস্তায় সামনে দাঁড়িয়ে থাকলাম। শ্বশুরমশাই আমাকে দেখতে পেয়ে আমার কাছে এসে দাঁড়িয়ে বলল)- তোমাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। মনে আছে তো আজকের রাতটা শুধু আমার জন্য। আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে ঘাড় নেড়ে সংকেত দিলাম। ঘরে ফিরে এসে আমি রজতের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করলাম।
দুপুরে রজতকে ওর পাওনাটা দিতে দিতে বললাম)- আজ তোমার বাবার সঙ্গে একটু দেখা করতে যেতে হবে। দুজনে একসাথে সন্ধেবেলায় যাব। (রজত ওর পাওনা নিতে নিতে মানে আমার শরীটা ভোগ করতে করতে আমাকে কথা দিল)- ঠিক আছে। আমরা দুজনে আর সন্ধ্যেবেলায় যাব।
(আমি রজতের পারমিশন পেয়ে আমি খুব খুশি হলাম। রজতকে ভালো করে করতে দিলাম। ও খুব তৃপ্তি পেল। রাত্রি সাতটার সময় নিজেকে খুব সুন্দর ভাবে সাজালাম। আমি জানি আজ শ্বশুর মশাই কে আনন্দ দিতে হবে। রাত ৭ঃ১০-১৫ এর সময় রজত আর আমি পাশের বিল্ডিংয়ে দোতলায় শ্বশুর মশাইয়ের ঘরের দিকে পা বাড়ালাম। বারান্দা পেরিয়ে এক প্রান্তে ঘর। ঘরটি বন্ধ ছিল। দরজায় শব্দ করে চাপ দিতেই দরজায় খুলে গেল। । আগে রজত পরে আমি ঘরে প্রবেশ করলাম । সুন্দর ঘরের দুদিকে দুটো সোফা। বিছানার সঙ্গে ফিট করে দেয়ালে বড় বড় আয়না। বিছানায় যা কিছু হবে বড় বড় আয়না দেখা যাবে। আমি মনে মনে ভাবলাম -এরকম ঘরে ফুলশয্যা করলে সকাল হতে চাইবে না। এরকম ঘরেই ফুর্তি করতে হয়। শ্বশুরমশাইয়ের শখ আছে বটে। শ্বশুরমশাই অর্থাৎ অনিমেষ বাবু একটা বারমুন্ডা আর একটা সাদা গেঞ্জি পরেছিল। আমরা দুজনে সামনে থাকা একটা শোফায় বসলাম। শশুর মশাইয়ের শরীরটা দেখে ভীষণ লোভ লাগছিল। যেমন করে হোক এই বিছানায় আজ রাতে ওনার সুখ আজ আমার চাই। শশুর মশাই একটা সোনার নেকলেস আমার হাতে দিয়ে বলল- এটা আমার আশীর্বাদ। এটা তোমাকে দিলাম। (আমি মনে মনে ভাবছি এসব না দিয়ে আমাকে আপনার ওটা দিয়ে সুখ দিন) আমি নেকলেস টা হাতে নিয়ে বললাম- এটা হাতে দিতে নেই । গলায় পরিয়ে দিতে হয়। চলুন ওখানে পরিয়ে দেবেন । (সোফা থেকে উঠে আয়না একটু পাশে চেয়ারেটা সরিয়ে স্বামীর দিকে পিছন করে বসলাম। এমনভাবে বসলাম উনি আমার বুকে হাত দিলেও যেন আমার স্বামী দেখতে না পায়। আমি বুঝতে পারছি উনি আমাকে স্পর্শ করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আমিও ওনার স্পর্শ অনুভব করার জন্য ব্যাকুল হয়েছি। তাই ওনাকে সুযোগ করে দেওয়া দরকার। আমি নেকলেস টা হাতে নিয়ে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- ভালো করে পরিয়ে দিন। শশুর মশাই নেকলেসটা নিয়ে আমার গলায় পরিয়ে দিতে লাগলেন। আমি ওনার স্পর্শ পেয়ে খুবই উত্তেজিত হয়ে পড়লাম। উত্তেজিত হয়ে ওনাকে বললাম - ওভাবে নয়। এইভাবে পরিয়ে দিন। (বলে আবার খুলে উনার হাতে দিলাম। আবার বললাম)- এইভাবে দিন। (এইভাবে নেকলেস পড়ানোর অজুহাতে ওনাকে বারবার স্পর্শ করার সুযোগ দিলাম।শশুরমশাই আমাকে ইশারায় বোঝালেন, আমার বুকটা খুলে দেখাতে। আমি বুঝে নিয়ে বললাম)-- নিন ভালো করে দেখে দেখে পরান। কাপড় টা সরিয়ে ভালো করে দেখার সুযোগ করে দিলাম। কিছুক্ষণ পরে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- খুশি তো? রজত দেয়াল টিভিতে খেলা দেখার নিয়ে ব্যস্ত । পাশেই একটু দূরে বসে থাকা আমার ভেড়া স্বামী একটু বুঝতে পারলাম না যে তার বাবার সাথে আমি কোন খেলায় ব্যস্ত। শশুরমশাই টেবিলে থাকা কাঁচের গ্লাসটা দেখিয়ে আমাকে ইশারা করতেই আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে ঘরের চারদিকে পজিশনটা একবার দেখে নিলাম। ঘরের বাথরুম টা ছিল রজতের চোখের আড়ালে। আবার শশুর মশাই সামনাসামনি। বাথরুমের সামনে জলের ফিল্টার আছে। জল খেতে হলে ওখান থেকেই আনতে হবে। আমারও খুব মনে হলো খেলাটা একটু এগিয়ে নিয়ে যেতে। অনিমেষ বাবু আবার গ্লাসটার দিকে ইশারা করলে আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- ব্যবস্থা করছি। আমি জল আনতে গেলাম। এখন আমি রজতের চোখের বাইরে।আর শশুর মশাইয়ের চোখের সামনে। এই সুযোগে বুকের কাপড়টা খুলে নামিয়ে দিলাম। শশুর মশাই উত্তেজনায় বশবর্তী হয়ে আমার দিকে তাকাতেই আমি বুকের কাপড়টা আর ও নিচে নামিয়ে দিলাম। যাতে আমার শ্বশুরমশাইয়ের মনস্কামনা মেটে তার জন্য ব্রার যতটা সম্ভব হুক গুলো খুলে এবং নিচেরটা পা ফাঁক করে দেখালাম। তারপর ইশারা করে বললাম- নিচের নোনতা জল খাবেন তো? উনি ঘাড় নেড়ে সংকেত দিলেন- হ্যাঁ । ওটাই। আমি বাথরুমের ভিতরে ওনার সামনে বসে আমার নোনতা জলে গ্লাস ভর্তি করে সবার পোশাকগুলো পড়ে নিয়ে মনতাজ জলে গ্লাসটা হাতে নিয়ে শশুর মশায়ের সামনে এলাম। উনি চুমক দিয়ে খেলেন। আমার স্বামী যাতে বুঝতে না পারে তার জন্য আমি স্বামীকে বললাম- তুমি একটু খাবে নাকি?
আমার স্বামী বলল- খাব না। শ্বশুরমশাই এক চুমুকে সবটাই তৃপ্তি করে খেয়ে গ্লাসটা আমার হাতে দিয়ে বলল -আমার জন্য আর এক গ্লাস আনো।
-O K বলে বাথরুমের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে পুরো বস্ত্রহীন করে ফেললাম। তারপর দু পা ফাঁক করে বসে উনার সামনে গ্লাস ভর্তি করে নিয়ে উনার হাতে দিলাম।
আমার হাত থেকে এই গ্লাসটা নিয়ে এক চুমুকে খেয়ে বললেন -থ্যাঙ্ক ইউ!
আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম -আমি খুব খুশি হলাম । দেখলাম উনি উত্তেজিত হয়ে আমাকে স্পর্শ করতে চাইছেন। আমি ওনাকে চোখের ইশারায় থামতে বললাম। টেবিলের উপর থাকা খাতা কলম কাজে লাগালাম। একবারও রজতের মনোভাবের পজিশনটা দেখে নিয়ে কাগজে লিখে দিলাম আমি কিছুক্ষণ পর আপনার বিছানার সঙ্গী হতে আসছি। আমার সামনে আর পিছনটা এক করে দিতে হবে। দরজা টা খুলে রাখবেন। তারপর আমার স্বামীর কাছে এসে স্বামীকে বললাম - চলো আমরা নিচে যাই। সোফা থেকে উঠে আমার স্বামী দরজার বাইরে চলে গেল বারান্দায়। আমি পিছু পিছু ধীর পায়ে এসে দরজার দাঁড়িয়ে পিছনে তাকালাম। দেখি শশুর মশাই তার বারমুন্ডাটা শরীরে নিচে অংশে নামিয়ে দিয়ে উনার ওটা হাতে ধরে উত্তেজিত হয়ে আমাকে অনুরোধ করছেন কাছে যেতে। আমি ঈশারায় বুঝলাম - দরজাটা খুলে রাখতে। এখনই আমি আসছি । স্বামীর সঙ্গে বারান্দা পার হয়ে আমরা তিনতলা থেকে দোতলা নামার পর স্বামীকে বললাম -একটা ভুল হয়ে গেছে। তোমার বাবাকে তো প্রণাম করা হলো না?
রজত বলল -পরে প্রণাম করলেও হবে ।
আমি বললাম- তাই কি হয়? উনি এত দামি একটা উপহার দিলেন, আশীর্বাদ করলেন ,আর আজকে ওনাকে একটা প্রণাম না করলে হয় ? তুমি ঘরে চলো। আমি কিছুক্ষণের মধ্যে আসছি।
রজত বললো- ঠিক আছে। যাও ।
আমি শশুর মশাইয়ের কাছে সুখ পাবার জন্য খুব তাড়াতাড়ি তিনতলায় পৌঁছে দেখি দরজাটা খোলা আছে। শশুরমশাই শোফায় বসে ওটা হাতে ধরে নাড়াচাড়া করছে। আমি ভেতর ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলাম । শশুর মশাই দরজার কাছেই আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। আমাকে দলাই- মালাই করতে করতে চুম্বনে চুম্বনে অতিষ্ঠ করে তুলল। আমিও তাকে সাহায্য করতে লাগলাম। আমার জিভ চোষা শুরু করলো। আমাকে সম্পূর্ণ বস্ত্রহীন করে তুলে সোফার মধ্যে শুয়ে আমার নীচের অংশে জীভ ভরে চাটতে লাগল। ওনার সুদক্ষ চোষণে আমি ভীষণ সুখ পেতে লাগলাম। তিনবার জল বার করে ফেললাম। এরপর আমার অনুরোধে ওটা দিয়ে আমাকে চরম সুখ দিতে লাগলো। আমি প্রথমটা যন্ত্রণা অনুভব করছিলাম। পরে শুধু সুখ আর সুখ। চারদিকে আয়না লাগানো থাকায় আমি আমাদের সমস্ত খেলাটা দেখতে পারছিলাম।খুব এনজয় হচ্ছিল। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে আমাকে সুখে ভরিয়ে দিয়ে নিজে আরাম ভোগ করতে লাগল।আমি উনার গলা জড়িয়ে ধরে চুম্বন করে বললাম- এই বয়সে এত আগুন?
উনি বললেন- খুশি হয়েছে?
আমি চুমু খেতে খেতে বললাম খু--- ব....
উনি উঠে শোফায় বসে আমাকে নিজের কোলে তুলে বসিয়ে চুমু খেতে লাগল। আমিও ওনার গলা জড়িয়ে ধরে উনার মুখের ভিতরে জীভ পেরণ করতে করতে আদর করে বলতে লাগলাম - আমাকে করার আশা মিটেছে তো? মরে যাচ্ছিল আমাকে করার জন্য।
-তোমাকে একবার করে আশা মেটে?
আমি আদর করি গলা ধরে বলি - কতবার করবেন ? কতবার আমাকে করলে আপনার আশা মিটবে?
উনি আমার গলা জড়িয়ে ধরে চুম্বন করে বললেন -সারারাত।
আমি হেসে বললাম- তাই নাকি?
উনি আমার গলা ধরে আদর করে বললেন- তোমাকে আমি সারা জীবনের সাথী করতে চাই?
- আমি ওনাকে আদর করে চুম্বন করে বললাম- সত্যি নাকি?
- আমাকে চুম্বন করে বললেন -একদম সত্যি।
আমি ভালো করে গলা জড়িয়ে ধরে বললাম আমাকে সারাজীবনে সাথী করতে হলে আমার মাথায় তো সিঁদুর দান করে আমাকে বিয়ে করতে হবে।
-সেটা করতে আমি রেডি হয়ে আছি। তোমার অনুমতি পেলেই হবে।
আমি ওনার কান দুটো ধরে বলি- বুড়ো বয়সে সখ কম নয়।
শশুর মশাই আমার গলা জড়িয়ে ধরে বললেন- তুমি রাজি কিনা বল?
(আমি মনে মনে এটাই চাইছিলাম। ) বললাম-রাজি না হয়ে উপায় আছে? আপনি আমাদের সংসারের অবিভাবক। আমি আপনার বৌমা। আমাকে তো আপনার কথা শুনতেই হবে। আপনি যা বলবেন তাই তো আমাকে করতেই হবে।
শশুর মশাই আমার গলা জড়িয়ে ধরে বলল - তুমি খুব বুদ্ধিমতী।
আমি হেসে বললাম- বুদ্ধিমতি না হলে শশুরের সঙ্গে প্রেম করতে পারি ? কিন্তু এবার আমাকে ছুটি দিতে হবে। অনেকটা রাত হল।
উনি উত্তেজিত হয়ে আমাকে চুম্বন করতে করতে বলেন- আর একবার করবো।
(আমারও আর একবার সুখ নেওর জন্য মন ছটফট করছে)অভিনয় করে বললাম- -এখন নয়। আজ অনেক দেরি হয়ে গেছে। কাল সারাদুপুর হবে। কাল আপনার ছেলেকে সময় সময় ইস্কুলে পাঠিয়ে দিয়ে আপনার কাছে চলে আসব। আপনার ছেলে স্কুলে ছাত্রদের পড়াবে,আপনি সেই সময় আপনার বৌমাকে পড়াবেন। খুশি তো?
(উনি উত্তেজিত হয়ে কোলে বসা অবস্থায় উনার দামনা দুটো ফাঁক করে আমার ওখানে ওটা ভরে দিলেন । আমি যন্ত্রণায় উনার গলাটা আরো ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে ধরে উনার কানের কাছে শব্দ করলাম আঃ----। শুরু হল আমার উপর পাশবিক অত্যাচার। কখনো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে, কখনো শুয়ে শুয়ে । বিভিন্ন ভঙ্গিমায় অত্যাচার করে যখন ক্লান্তি অনুভব করলেন তখন অনেকটা সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেছে।। সেদিন তিনি ওই অবস্থায় আমাকে আধঘন্টার ওপর অত্যাচার করে ভীষণ রকমের সুখ দিয়েছিলেন। ওখান থেকে উঠে বাথরুমে নিজেকে পরিষ্কার করে তাড়াতাড়ি পোশাক পড়ে নিলাম। উনি তখনো সোফার মধ্যে শরীর এলিয়ে দিয়ে শরীর ক্লান্তি অনুভব করছেন। আমি তাড়াতাড়ি পোশাক পড়ে ওনার কাছে গিয়ে গলা জড়িয়ে ধরে চুম্বন করে বললাম)- আপনি বুড়ো নন। আপনি হলেন আফ্রিকান যুবরাজ। চলুন আমাকে এগিয়ে দেবেন।
চলবে ........
পর্ব ৪দেখুন
