মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ২ - school book solver

Wednesday, 26 August 2026

মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ২

  


 মিষ্টি কথার চোরাস্রোত দ্বিতীয় পর্ব

পর্ব ১ দেখুন

[আগের অংশ-বান্ধবী বলল- ৭টার পর বুঝতে পারবি। তোর  কি হবে।]

 আমি হেসে বললাম -কিছু চিন্তা করিস না। আমি সব ঠিক করে নেব । 

বান্ধবী ভয়ে ভয়ে বলল- আমাদের বাড়িতে তোকে যদি ভোগ করতে চায়? 

আমি হেসে বললাম - করতে চাইলে করবে। যতক্ষণ মন হবে ততক্ষণ আমাকে করবে। 

বান্ধবী ভয় মিশ্রিত মনে বলল- -বলিস কিরে? তুই ওই মানুষটাকে সামলাতে পারবি? 

আমি হেসে বললাম- সেটা দেখা যাবে।

  [কথা বলতে বলতে বাড়ির পথে রওনা হলাম। বান্ধবীদের বাড়িটা মাটির তৈরি। ওপরে দুটো ঘর আর নিচে দুটো ঘর। একটা বারান্দা আছে। আমার জন্য উপরের একটা ঘর ঠিক করে দিয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে আমরা ঘরে বসে আছি। ঘরে সঙ্গী হিসেবে আমার সঙ্গে বান্ধবী আছে। আমরা নানা রঙিন গল্প করতে করতে অনিমেষবাবু জন্য অপেক্ষা করছি।

বান্ধবী রেগে বলল-  তোর এই বাড়িতেই আজকে নিশ্চিত মৃত্যু আছে। অনিমেষ বাবু আজ তোকে পিষে মেরে ফেলবে।

 আমি বান্ধবীর গলা জড়িয়ে ধরে বললাম- তুই কথাটা আর একবার বল। কথাটা আর একবার শুনে মনটা জুড়িয়ে নিই।।

বান্ধবী বলল- মজা করিস না । সিরিয়াসলি ভাব কি হতে পারে। অনিমেষ বাবুর মেশিনটা কত বড় হবে । তোকে কত যন্ত্রনা দেবে ।

আমি বললাম- দিক আমাকে যন্ত্রণা। খুব যন্ত্রণা দিক। তবু উনাকে আমি নিষেধ করতে পারব না। তুই এই ঘরটা আমাদের জন্য ফাঁকা রাখিস । দরকার হলে আমাদের জন্য বাইরে একটু পাহারা দিস।

[ এমন সময় একজন এসে খবর দিল অনিমেষবাবু এসেছেন।]

আমি বললাম- ওনাকে উপরে পাঠিয়ে দিন। 

বান্ধবী বলল - তাই কি হয়? আমি গিয়ে অনিমেষবাবুকে সঙ্গে করে নিয়ে আসছি। 

[ বান্ধবী চলে গেলে আমি ড্রেসিং টেবিলের সামনে নিজেকে একটু ঠিক করে নিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই বান্ধবীর সঙ্গে অনিমেষ বাবু আমার ঘরে এলো। ঘরে শোয়া বসার জন্য একটা মাত্র কাঠের তক্তা আছে‌।সেখানে আমি বসে ছিলাাম। অনিমেষবাবুর জন্য একটা চেয়ার আনা হয়েছে।  অনিমেষ বাবু সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে ঘরে প্রবেশ করে আমাকে নমস্কার জানাল। দেখে মনে হলো ঘরে যেন একটা পর্বত ঢুকলো । আমি ও মিষ্টি হাসি  দিয়ে প্রতি নমস্কার জানালাম। বান্ধবী ওনাকে বসার জন্য চেয়ারটা এগিয়ে দিতেই উনি বসলেন।]

অনিমেষবাবু বললেন- আমাদের গ্রামে পূজা কেমন লাগছে? 

- এটা তো আপনাদের গ্রাম নয়।  

-সরি ভুল হয়ে গেছে। বান্ধবীর বাড়ির পুজো কেমন লাগছে?

 - এখানে এসে তেমন ভালো লাগছিল না। এখন ভালো লাগছে।

অনিমেষবাবু গাম্ভীর্য গলায় বললেন- এখন ভালো লাগছে কেন?

আমি অনিমেষবাবুকে উৎসাহিত করতে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- আপনাকে কাছে পেয়ে। কথা বলার একটা মানুষ পেয়ে ভালো লাগছে।

অনিমেষ বাবু একটু গম্ভীরভাবে বললেন- আমি এখানে কেন এলাম বলতে পারো? 

আমি হালকা হাসি বললাম- ভালোবাসার টানে।

- good , তুমি খুব বুদ্ধিমতী। 

আমি বললাম- মোটেও না। আমি হলাম একনম্বর বোকা।

- তুমি শুধু বুদ্ধিমতী  নও। তুমি ভীষণ সুন্দরী।

 আমি  উনাকে একটু কাছে টানার জন্য  বললাম - সবাই তাই বলে। কিন্তু কেউ এই সুন্দরের মর্যদা দেয় না।

- আমি যদি তোমার সুন্দরের মর্যদা দিই, তুমি নেবে?

আমি অবাক হওয়ার অভিনয় করে বললাম- আপনি!

- হাঁ ! আমি‌ তোমার সুন্দরের মর্যাদা দিতে চাই।

আমি মনে মনে খুব খুশি হলাম। ওনাকে আমি এবার মাকড়সার জালের মত  গ্রাস করতে শুরু করতে,।বললাম -  তাহলে তো আমাকে আপনার নিজের করতে হবে। আর শুধু নিজের করলে হবে না। আমাকে নিয়ে আপনার বিছানায়  ফেলতে হবে। তাই না ?

- আমি সেটাই করতে চাই।

 আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম-  আমাকে নিজে করতে হলে তো আমাকে বিয়ে করতে হবে। আর আপনি যদি আমাকে বিয়ে করেন,তাহলে লোকে বলবে কি? 

 অনিমেষ বাবু একটু মজা করে বললেন- আরে আমি বিয়ে করবো কেন? আমি আমার ছোট ছেলের সঙ্গে তোমার বিয়ে দিয়ে তোমাকে আমাদের বাড়ি নিয়ে যেতে চাই।

আমি আবার মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- খুব ভালো আইডিয়া আছে আপনার । প্রথমে আমাকে বউমা করে বাড়ি নিয়ে যাবেন। তারপর আপনার ঘরে নিয়ে যাবেন। তারপর সুযোগ বুঝে  আমাকে নিজের বিছানায় ফেলে আমার সুন্দরের মর্যাদা দেবেন । তাইতো?

■ ১০০% । সেটাই আমি চাই। তুমি রাজি হলে আমি আজকেই সব ফাইনাল করে নেবো।

আমি একটু ভয় পেয়েছি এরকম মনোভাব নিয়ে বললাম-  আমি রাজি না হলে আপনি কি আমাকে ছেড়ে দেবেন? আমার তো মনে হয় না। 

- 100% ঠিক। তাহলে তুমি রাজি তো?

আমি অভিনয় করে বললাম-একটু ভেবে দেখতে হবে।

- এতে ভেবে দেখার কি আছে ?

আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- আরে মশাই! আমাকে তো দুটো দিক সামলাতে হবে । তাহলে একটু ভাবতে হবে না?

অনিমেষ বাবু মেজাজ নিয়ে বললেন- কোন ভাবনা চলবে না। আমার ইচ্ছা পূরণ করার জন্য আমি সবকিছু করতে পারি। 

 আমি আনন্দে খুশি হয়ে বললাম - ঠিক আছে। আমি রাজি। 

-  very good অনিমেষ বাবু খুশি হয়ে আমার চোখে চোখ রেখে  আমাকে কিছু বোঝাতে চাইছেন। উনার চোখে চাওনি দেখে আমি সহজেই বুঝতে পারলাম উনি  এখন কি চাইছেন? আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- বুঝতে পারছি আপনি কি বলতে চাইছেন। চিন্তা নেই। আপনি যখন আমার বান্ধবী বাড়িতে অতিথি হয়ে এসেছেন তখন আমি আপনাকে খালি হাতে ফেরাবো না। আপনার চাহিদা মিটিয়ে  খুশি মনে বাড়ি ফিরে যাবেন।

অনিমেষ বাবু খুশি হয়ে বললেন- সত্যি বলছো?

আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম - একদম সত্যি। ১০০% সত্যি। একটু অপেক্ষা করুন। আমি আমার সবকিছু আপনাকে সুন্দরভাবে  পরিবেশন করব। আপনি খেতে পারলেই হবে।

- তুমি ভেরি ভেরি বিউটিফুল।

আমি অনিমেষে আরেক একটু এগিয়ে নিয়ে যেতে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- আমার উপরটা দেখে এত সুনাম? ভেতরটা দেখলে কি বলবেন কে জানে? তখন মনে হয় ইংরেজি ভাষার ফুল ঝুড়ি ছুটবে।দেখতে মন হচ্ছে নাকি?

[ অনিমেষ বাবু আমার কথা শুনে বোবা হয়ে গেলেন। ওনার চোখ দিয়ে শুধু আগুন বের হচ্ছে। আমি বুঝতে পারছি সুযোগ পেলে আমাকে গিলে খাবেন । আমিও মনে মনে সেটাই চাইছি।

আমি বান্ধবীকে বলি -  তোদের বাড়িটা খুব গরম। আমার ভীষণ গরম করছে। আমার পোশাকগুলো একটু খুলে দে তো। 

বান্ধবী বলল- ছিঃ! তোর লজ্জা বলে কিছু নেই। স্যার বসে আছে।

আমি আদুরে আদুরে গলায় বললাম-  কি করব বল ! খুব গরম করছে যে । ফ্যানটা এমন ঘুরছে গায়ে বাতাস লাগছে না।

বান্ধবী বিরক্ত হয়ে বলল- তাই বলে স্যারের সামনে পোশাক খুলতে হবে?

 আমি বললাম- তোর স্যার কিছু মনে করবেন না। দে তো খুলে। তুই যদি না খুলে দিস তাহলে স‍্যারকেই বলব খুলে দিতে। স্যার নিজের হাতেই আমার পোশাক খুলে দিক?

বান্ধবী আমাকে ধমক দিয়ে বলল-  একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলছিস না?

আমি মিষ্টি হেসে বললাম- তোর স্যার তো আমার সামনেই বসে আছে। জিজ্ঞাসা কর।  আমি যদি গরমের হাত থেকে বাঁচতে আমার পোশাকটা যদি অল্প খুলি, তাহলে স্যারের কোন অসুবিধা হবে কিনা? তাছাড়া আমি ওনার বউমা হবো। সবকিছু ভালো করে দেখে শুনে এগোনো ভালো নয় কি? ভালো করে দেখতে গেলে তো একটু খুলতেই হবে। দে খুলে দে।

বান্ধবী মেজাজ নিয়ে বলল-  একদম বেয়াদবি করিস না। একটু সম্মান দেওয়ার চেষ্টা কর।

আমি বললাম- স্যারকে সম্মান দেখাতে গিয়ে আমি কি গরমে কষ্ট পাব? খুব গরম করছে, দে না খুলে।

বান্ধবী রেগে বলল- গরম করে তো বাথরুমে গিয়ে স্নান করে আয়। 

আমি একটু এগিয়ে নিয়ে যেতে বললাম- আমি যদি এখন বাথরুমে যাই,তাহলে তোর স্যারও আমার পিছু পিছু যাবে।

[অনিমেষ বাবুর মুখের দিকে তাকালাম। ওনার কি প্রতিক্রিয়া হয় সেটা জানার জন্য। অনিমেষ বাবুর মুখে হাসি দেখতে পেলাম।

বান্ধবী বলল- স্যার যাবে কেন?

-তুই খুব বোকা। আমাকে স্যার একা ছাড়বে নাকি? তাছাড়া আমার সঙ্গে বাথরুমে যাওয়ার ইন্টারেস্টই আলাদা। তোর স‍্যার সেটা হাতছাড়া করবে বলে আমার মনে হয় না।

[ বলেই আমি অনিমেষ বাবুর মুখের দিকে তাকালাম। প্রতিক্রিয়া জানার জন্য অপেক্ষায় রইলাম। অনিমেষবাবু মাথাটা নামিয়ে নিলেন। ওনার মনের অবস্থাটা আমি সহজেই বুঝতে পারলাম। বান্ধবীকে উদেশ্য করে বললাম- তোর স্যারের জন্য একটু মায়াদয়া থাকা দরকার। তোর উচিত তোর স্যারের জন্য আমাকে একটু রেডি করে দেওয়া। দেখছিস না স্যারের মুখ চোখ কেমন হয়ে গেছে। দে,তাড়াতাড়ি খুলে দে। তাহলে আমার কোন গরমটা কম লাগবে আর তোর স‍্যার ও একটু এনজয় করতে পারবে।

 বান্ধবী বিরক্ত হয়ে বলল-  এই কাজ করা তোর ঠিক হবে না। 

আমি  বললাম- তুই যদি না খুলে দিস তাহলে সত্যি সত্যি স্যারকে বলবো খুলে দেওয়ার জন্য।

বান্ধবী অবাক হয়ে বলল-  বলিস কি?

আমি বললাম- সব তো খুলছি না। শুধু ওপরে জামাটা খুলতে চাই। তবে তোর স‍্যার যদি চায়  নিজের হাতে আমার সবটাই খুলতে পারেন। (অনিমেষ বাবুর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম। উনি কেমন যেন হয়ে গেছে। আমি এইটাই  চাইছিলাম।)

বান্ধবী বলল- কাজটা ঠিক করছিস না।

আমি হেসে বললাম-◆ ঠিক আছে, স্যারকে জিজ্ঞাসা কর গরম করছে কিনা?  স্যার যদি বলে গরম করছে ,তাহলে তো খুলে দিবি? বলুন তো স্যার গরম করছে কিনা?

অনিমেষবাবু ধীরে ধীরে মাথাতুলে আমার চোখে দেখে তাকিয়ে বললেন বলল- ঠিক কথা। আজকে গরমটা খুব বেশি। 

আমি হেসে বললাম- হয়েছে তো ! আর তো কোন অসুবিধা নেই?  দে খুলে দে।

[ বান্ধবী আমার ওপর পোশাকটা খুলে দিতেই আমি অর্ধনগ্ন হয়ে পড়লাম। আমার পরনে রইলো একটা সাদা টেপ জামা এবং নীচে একটি কালো রঙের ছোট্ট প্যান্ট। অনিমেষ বাবু হিংস্র পশুর মত আমার দিকে তাকাতে লাগলেন। অর্ধনগ্ন অবস্থায় অনিমেষ বাবুকে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম -আপনার গরম লাগলে আপনিও খুলতে পারেন। আমার কোন অসুবিধা নেই?

অনিমেষ বাবু উত্তেজিত হয়ে নেশাগ্রস্ত মানুষের মতো ঢুলুঢুলু চোখে বললেন- তোমাকে ভীষণ সুন্দরী লাগছে। মনে হচ্ছে আজ রাতেই তোমাকে আমার বাড়িতে নিয়ে যাই।

আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বলি- তাহলে তো  আপনার ছেলের সঙ্গে আজ রাতেই বিয়ের ব‍্যবস্থা করতে হবে। বামূন ডাকতে হবে। লোকজনকে নিমন্ত্রণ করতে হবে। ফুলশয্যার ঘর সাজাবার জন্য ফুল কিনতে হবে। এত কাজ রাতের মধ্যে পেরে উঠবেন? 

-সেটা একটু অসুবিধা হবে। কিন্তু আমার অবস্থাটা একটু বোঝার চেষ্টা করো। এখন আমি আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারছি না।

আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- সেটা তো আমিও তো বুঝতে পারছি। 

 -তাহলে একটু ব‍্যবস্থা করো। আমাকে তাড়াতাড়ি পারমিশন দিলে ভালো হয়।

আমি আদুরে আদুরে গলায় বল- আপনি ভীষণ বোকা। এভাবে কেউ পারমিশন চায়? আমাকে খুশি করে, আমার মনের মধ্যে খুশির ঝড় তুলুন। তাহলে হয়তো প্রবল বৃষ্টি না হলেও অল্প বৃষ্টির জলে ভিজতে পারবেন।

অনিমেষবাবু গাম্ভীর্য ভাবে বললেন-অল্প বৃষ্টির জলে ভিজলে আমার মন ভরে না। ভিজলে ভালো করেই ভিজতে চাই।

আমি মুচকি হাসি দিয়ে বললাম-থ্যাঙ্ক ইউ। 

কথাটা শুনে আমার ভীষণ ভালো লাগলো। আমি বুঝতে পারলাম অনিমেষ বাবু এখন আমার শিকার। আমি যেমন খেলাতে চাইবো তিনি কেমন খেলবেন । এখন আমার খুব ইচ্ছা হলো ওনাকে দিয়ে আমার পদ সেবা করানো। তাতে আমি বান্ধবী কাছে বার্তা দিতে পারব যে, তোরা যাকে বাঘের মতো ভয় খাস, সে আমার পা চাটা গোলাম। এতে নিজেকে খুব গর্বিত বোধ করব। আর অনিমেষবাবুর কাছে আমি খুব দামি ব্যক্তি হতে পারব। আমি মনে মনে প্লান সাজিয়ে ফেলে অভিনয় করে বললাম- আমাকে এখন আমাকে কেমন লাগছে? অনিমেষবাবু বললেন -খুব সুন্দরী লাগছে ! ভেরি ভেরি নাইস। ভেরি ভেরি বিউটিফুল। 

আমি বললাম -◆ ও তাই নাকি? তাহলে তো একবার নিজেকে আয়না সামনে দেখতে হয়।

 [বলে কাঠের তক্তা থেকে নেমে ড্রেসিং টেবিলের সামনে যেতে গিয়ে আঃ বলে ডান পায়ে হাত দিয়ে বসে পড়লাম। পায়ে হালকা মোচর লেগেছে এমন ভাবে অভিনয় করলাম।  অনিমেষ বাবু তাড়াতাড়ি চেয়ার থেকে উঠে আমার পা টা হাতে ধরে দেখতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।]

 আমি খুশি হয়ে অভিনয় করে আদুরে আদুরে গলায় বললাম - একি  করছেন? আপনি কত আমার চেয়ে বড়। প্লিজ আমার পা ছেড়ে দিন।

অনিমেষ বাবু আমার ডান পাটা ভালো করে ধরে  বললেন - ভালো করে দেখি কোথায় লেগেছে?

আমি  বললাম-  তেমন লাগেনি। একটু হালকা লেগেছে। প্লিজ আমার পা ছেড়ে দিন।

অনিমেষ বাবু মেজাজ নিয়ে বললেন-একটু ভালো করে দেখতে দাও। 

আমি আদর করে বললাম-  আপনি একজন সম্মানীয় ব্যক্তি। আমি আপনাকে পায়ে হাত দিতে বলতে পারি?

অনিমেষ বাবু অভিমান করে বললেন- তুমি কি চাও না, আমি একটু ভালো করে দেখি। 

আমি আদুরে আদুরে গলায় বললাম- ◆ চাই --- তে!! কিন্তু তে---মন  লাগেনি তো। সামান্য লেগেছে। প্লিজ আমার পা ছেড়ে দিন।

অনিমেষ বাবু করুণ চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন-  তোমাকে সেবা করার সুযোগ থেকে আমাকে বঞ্চিত করতে চাও।

আমি হেসে বললাম- মোটেও না। আমি তো এরকমই সেবা চাই। এখন ছেড়ে দিন প্লিজ। পরে আমি এরকম  অনেক সুযোগ দেবো। সেবা করতে পারলেই হবে। এখন ছেড়ে দিন। বান্ধবী সব দেখছে। মনে মনে কি ভাববে বলুন তো?

 অনিমেষবাবু আমার পা দুটো জড়িয়ে ধরে বললেন-   আমি তোমাকে স্পর্শ করতে পেরে ভীষণ আনন্দ পাচ্ছি।

এ কথা শুনে আনন্দে আমার বুক ভরে গেল। আমি আবার অভিনয় করে বললাম- তাই বলে আমার পা স্পর্শ করতে হবে? আপনি আমাদের কাছে সম্মানীয় ব্যক্তি। আপনি যদি এরকম করেন তাহলে সেটা মানায়?

অনিমেষ বাবু বললেন- বিশ্বাস করো যামিনী, তোমার নরম তুলতুলে পা দুটো আমার খুব ভালো লাগছে।

আমি আদুরে আদুরে গলায় বললাম- তাই --বুঝি? বেশ যখন ভালো লাগছে তখন ভালো করে  সেবা করুন। [হাতে করে চেয়ারটা টেনে নিয়ে চেয়ারে বসলাম। অনিমেষ বাবু আমার পা দুটো মালিশ করতে লাগলেন। আমি ডান পা টা অনিমেষবাবুর কাঁধে তুলে দিয়ে  বললাম- শুধু স্পর্শ করে মন না ভরে, তাহলে এই যামিনীর পায়ের সুগন্ধটা একটু উপভোগ করতে পারেন । একথা শুনেই অনিমেষবাবু আমার ডান পাটা হাতে নিয়ে গন্ধ শুকতে লাগলেন।

আমি আর আদুরে আদুরে গলায় বললাম- যদি গন্ধটা ভালো লাগে--তাহলে চেটে চেটে  খেতেও পারেন। আমি বাধা দেব না।

[ অনিমেষবাবু তৎক্ষণাৎ জিভ দিয়ে আমার পা দুটো চেটে চেটে খেতে লাগলেন।]

আমি বান্ধবীকে বললাম- ◆ তোর স্যারের খুব খিদে পেয়েছে। তুই গিয়ে স্যারের জন্য কিছু জলখাবার ব্যবস্থা কর। আর আমি ততক্ষণ তোর স্যারের জন্য অন্য কিছু ব্যবস্থা করি।

বান্ধবী কোনভাবে আমতা আমতা বলল- ◆ -ঠি...ক আ..ছে । আমি জল...খাবার নিয়ে আস..ছি।  

আমি বললাম-   একটু দেরি করে আসবি।

বান্ধবী বলল- কতক্ষণ পরে আসতে হবে রে? 

আমি বললাম-  তোর স্যারকে জিজ্ঞাসা কর। এটা তোর স্যারের ব্যাপার। তোর স্যার ভালো বলতে পারবে।

(অনিমেষবাবু আমার পায়ের অঙ্গুলগুলো মুখে পুরে চুষে চুষে খেতে ব‍্যস্ত।  কথা বলার মত অবস্থায় নেই।)

আমি আবার আদুরে আদুরে গলায় বললাম-  কি-- স্যার কিছু বলুন? 

বান্ধবী বলল- ঠিক আছে দশ মিনিট পর আসবো।

 আমি বললাম-   নারে না। মোটামুটি আধ ঘন্টা পরে আসবি। 

বান্ধবীর চলে যেতে গেলে আমি বললাম-  দরজাটা বাইরে থেকে ভালো করে লক করে দিবি। যেন কেউ ডিস্টার্ব করে না।

[ বান্ধবী দরজা টা বাইরে থেকে লক করে দিল।]

আমি মেজাজ নিয়ে রোমান্স ভঙ্গিতে বললাম -আপনি সুন্দরের মর্যাদা তো  দিতে ভালই জানেন।  এতে আমি খুব খুশি হয়েছি।

 অনিমেষ বাবু বললেন - তোমার কথাগুলো খুব মিষ্টি।

আমি হেসে বললাম - তাই বুঝি? আমার মিষ্টি মিষ্টি কথা শুনেই কি আপনার বড়োবাবু ঘুম জেগে জেগে উঠছো বুঝি?

অনিমেষ বাবু আমার পাদুটো জড়িয়ে ধরে বললেন -তোমাকে নিজের করে পেলে আমার জীবন ধন্য হবে। 

-সেটা তো আপনার ইচ্ছা থাকলেই হবে।

অনিমেষবাবু আবেগে উঠে দাঁড়িয়ে আমার হাত দুটো ধরে বললেন-  আমার পিপাসা মেটাবে তো?

-নিশ্চয়ই মেটাবো। আপনি খেতে পারলেই হবে।আর শুধু আমার কথা শুনে চললেই হবে। আমি যা বলব সেটাই শুনতে হবে। যা যা করতে বলবো তাই তাই করতে হবে। তখন দেখবেন এই যামিনী খুশি হয়ে, বৃষ্টির জল হয়ে আপনার শরীরে ঝরনার মত ঝরে পড়ে আপনাকে শীতল করে দিয়েছে।  

-আমি সব কথা তোমার শুনবো। তুমি যা যা বলবে আমি তাই করবো। 

অনিমেষ বাবুর কান দুটো ধরে বলি-  গুড বয়।

উনি আমার গলায় জড়িয়ে ধরে আবেগে বলতে লাগলেন- আমার কিন্তু খুব পিপাসা।

 আমি অনিমেষবাবু গলায় জড়িয়ে ধরে বললাম- জানি তো । আমি আপনার চোখ দেখেই বুঝতে পেরেছি। কোন চিন্তা নেই, সব পিপাসা মিটিয়ে দেবো। [ [ আমার মিষ্টি কথা শুনে অনিমেষ বাবু উত্তেজিত হয়ে আমার লাল টুকটুকে পাতলা ঠোট দুটো নিজের দখলে নিলেন । এক সময় আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল। আমাকে জড়িয়ে ধরে চুম্বন করতে করতে তক্তার বিছানার  উপর শুয়ে দিলেন। দুজনের ভারী চেহারায় কাঠের তক্তাটা মচমচ করে উঠলো।  আমার সর্ব অঙ্গ চুম্বনে ভরিয়ে দিতে দিতে আমাকে  দলাই মালাই করতে লাগলেন। অনিমেষ বাবু এতটাই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন যে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দংশন প্রর্যন্ত করতে লাগলেন। অবস্থা খারাপ হবে বুঝে উনার গলা ধরে চুম্বন করে বললাম - ◆ এমন করে কেউ অত্যাচার করে? আমার লাগছে না বুঝি?

অনিমেষ বাবু আমার কথা কান না দিয়ে নিজের ধুতি পাঞ্জাবি খুলতে শুরু করলেন। অনিমেষ বাবু পরনে শুধু একটা সাদা এক্সারসাইজ গেঞ্জি । আর নিচের অংশে একটা সাদা কালো চেকের  বার মুন্ডা। উঁচু পুরু লোমশ বুক টা আমার খুব ভালো লাগছিল। বারমুন্ডার সামনেটা ভীষণভাবে উঁচু হয়ে আছে। আমারও ভীষণ মন হচ্ছিল না ওটা দিয়ে ভালো করে সুখ নিতে)। আমি বললাম- কি ব্যাপার ? সব  খুলে ফেলছেন যে? 

-তোমাকে করতে ভীষণ মনে হচ্ছে।

 আমি ধমক গিয়ে বললাম -এখানে?  এই ছোট্ট বিছানায়? এখনে ভালো করে শোয়া যাচ্ছে না। একটু নড়াচাড়া করলেই মচ মচ শব্দ হচ্ছে। খেলা শুরু হলে কি হবে বলুন তো ? 

উনি আমার হাত দুটো ধরে বললেন- প্লিজ একবার।

অবস্থা খারাপ দেখে আমি উঠে বসে মেজাজ  নিয়ে বললাম-  এখানে একদম হবে না। তাছাড়া এটা পরের বাড়ি। ওরা কি মনে করবে বলুনতো? যদি করতে মনে হয় তাহলে আমাকে আপনি নিজের বাড়িতে নিয়ে চলুন। ওখানে যা খুশি করবেন । ওখানে আমি বাধা দেব না। আর আমি বাধা দিলেও আপনি শুনবেন না। নিজের ইচ্ছামত যেমন খুশি আমাকে করবেন।

অনিমেষ বাবু বললেন -তাহলে চলো। আমার গাড়ি আছে। ১০ মিনিট লাগবে না আমাদের বাড়ি যেতে।

আমি মিষ্টি মিষ্টি করে বললাম - ওখানে কি আমাকে সারারাত থাকতে হবে ? নাকি ভোরের দিকে এখানে পৌঁছে দিয়ে যাবেন‌।

অনিমেষ বাবু গম্ভীর ভাবে বললেন- সেটা বলা যাচ্ছে না।

 আমি আদর করে গলা ধরে চুম্বন করে বললাম--বাপরে বাপ। মানুষ না পশু কে জানে? চলুন। আমি রেডি । আবার আমাকে আবার কাপড় পড়তে হবে। বেশ আপনি পোশাকগুলো পড়ে নিন।

[ অনিমেষ বাবু বিছানা থেকে নেমে গিয়ে পোশাকগুলো পড়তে লাগলেন । আমি বুঝতে পারলাম উনি আমাকে সত্যিকারে নিয়ে যেতে চান। ওনার হিতাহিত জ্ঞান এখন লোপ পেয়েছে। পরে কি হবে ভাবনার সময় নেই। আমিও উনার বাহুবন্ধনের ধরা দেওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠেছি। ওটা দিয়ে সুখ পাওয়ার জন্য আমার মন ছটফট করছে। কিন্তু এখানে তো ভালো করে সুখ পাওয়া যাবে না।আবার ওখানে গেলেও অন্য কিছু ঘটে যেতে পারে। তাছাড়া প্রথম দেখাতেই শরীরটা দিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। আমাকে ধৈর্য ধরতেই হবে। আমাকে কাছে পাওয়ার আকর্ষণ টা যত জাগিয়ে রাখতে পারব তত তাড়াতাড়ি আমাকে ওনার বাড়িতে বৌমা করে নিয়ে যাবে। তারপর তো ওনার কাছে ধরা পরবই ।)

উনি পোশাক পড়ে আমাকে বললেন -কি ভাবছো? তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নাও ।

আমি ভয়ে ভয়ে বললাম- আপনার ছোট ছেলে যদি জানতে পারে, তাহলে কিন্তু সব প্লান তো মাটি হয়ে যাবে। বিয়েটা হয়ে গেলে আমি ম্যানেজ করে নিতে পারব। কিন্তু আগে জানতে পারলে অসুবিধা হবে।

উনি বললেন- কোন অসুবিধা নেই । চলো। তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নাও‌।

[ আমি বুঝতে পারছি আমাকে ওখানে যেতেই হবে । উনি এখন মাতলা হয়ে গেছেন। আমাকে অন্য খেলা খেলতেই হবে। জোঁকের মুখে একটু নুন না দিলে হবে না।আমি বললাম -] এত তাড়াতাড়ি করলে হবে? আমাকে একবার বাথরুমে যেতে হবে। খুব প্রস্রাব পেয়েছে । [বলে বিছানায় ধারে বসে পা ফাঁক করে ওখানটা দেখিয়ে বললাম-] এখানটা প্রস্রাবে ভর্তি আছে। খুব টনটন করছে। গাড়িতে যেতে যেতেই প্রস্রাব করে ফেলতে পারি। [এতেই কাজ হয়ে গেল। একথা শুনেই ওনার মুখ বিবর্ণ হয়ে গেল। দুবার ঢোক গিলে ফেললেন। তারপর আমার গলা জড়িয়ে ধরে আমার মুখে চুম্বন করে বললেন -◆ বাথরুমে যাওয়া দরকার নেই। [ আমি বুঝতে পারলাম, ঢিল টা ঠিক সময় ঠিক জায়গায় ছুড়তে পেরেছি।আমি মিষ্টি সুরে বললাম] - কে-ন-ও--?

অনিমেষ বাবু গম্ভীর ভাবে বললেন- নিচে গেলে লোকে অন্য কিছু ভাবতে পারে।

[ আমিও কম বুদ্ধিমতী নই।  আমি বুঝতে পারছি,উনি আমার এখানে মুখ লাগিয়ে পিপাসা মেটাতে চান। সেটা নিজের মুখে বলতে চাইছেন না। কিন্তু নিজের মুখে না বললে আমি ওনার চাহিদা মেটাবো না। আমি চাই নিজের মুখে বলুক। আমি কথাটা অন্য ভাবে নিয়ে বললাম - ভয় নেই আমি পালিয়ে যাবো না। 

উনি আমাকে চুম্বন করে বললেন- তুমি খুব বোকা? বোকার মত কথা বল কেন? 

[আমি মনে মনে ভাবলাম আপনি খুব বুদ্ধিমান? তাই না। আমাকে আজ নিজের মুখে বলতেই হবে যামিনী তোমার  নোনতা জল খেতে মন হচ্ছে। আমাকে একটু খেতে দাও। কিন্তু এত বড় একটা কথা উনি বলতে চাইবেন না। কিন্তু আমাকে বলাতে গেলে  তার জন্য ওনাকে  মাতাল করতে হবে ।]

আমি আদর করে চুম্বন করে বললাম - ছোট থেকেই আমি খুব বোকা। মাঝে মাঝে বোকার মত কথা বলে ফেলি। আমার এই জিভটা খুব বদমাইশ। একে একটু শাস্তি দিন।

[ওনাকে আরো উত্তেজিত করার জন্য আমি আমার জিভটা বার করে উনার মুখের সামনে ধরলাম‌। উনি নিমেষের মধ্যে ওনার মুখে ভরে  পাগলের মত চুষতে লাগলেন। ওই অবস্থার সুযোগ নিয়ে আমি বললাম‌ ]- আর অসুবিধা নেই তো? এবার তাহলে বাথরুমে যেতে পারি?

 উনি উত্তেজিত হয়ে আবেগে বললেন -না। 

[আমি আর উত্তেজিত করতে আমার লাল ঝোল মাখানো জীব ব্যবহার করলাম। আমি আদুর আদুরে গলায় বললাম -- কিন্তু - আমার যে---খুব---- প্রস্রাব পেয়েছে।

 উনি বললেন -এখানেই করো। 

আমি অভিনয় করে বললাম- এখানে কোথায় করব? এখানে জায়গায় তো নেই। 

উনি বললেন- জায়গা করে নাও।

[আমি বুঝতে পারছি উনি নিজের মুখে বলতে লজ্জা পাচ্ছেন। উনাকে আর উত্তেজিত করতে হবে, না হলে নিজের মুখ ফুটে বলতে চাইবেন না। আমি আর উত্তেজিত করতে আবার জিভটা বার  করে আমার ডানটা হাত  উনার বারমুন্ডার ভিতরে হাত চালিয়ে দিলাম। দেখি তক্ত লোহাটা আমার হাতে ছ্যাকা দিচ্ছে। আমি ওটাকে ভালো করে হাতের মুঠোয় মধ্যে ধরার চেষ্টা করলাম। দেখলাম এতই বড় সাইজ ঠিকমতো হাতে ধরা যাচ্ছে না। আমি মনে মনে খুব খুশি হলাম। এটা নিয়ে আমি ভীষণ শারীরিক সুখ পাব। আনন্দে বারবার আমার জিভটা ব্যবহার করতে দিয়ে, ওটা হাতে ধরে নাড়াচড়া করতে লাগলাম। উত্তেজনায় উনি আমার নাক মুখ সব কিছু তেই উনার জীভ ব্যবহার করতে শুরু করলেন‌। নাকের ভেতর পর্যন্ত জীব ভরে ভরে খেতে লাগলেন‌।

আমি আদুরে আদুরে গলায় বললাম]- এখন নাকের ভেতর কিছু নেই । ঠান্ডা লাগলে খাবেন। তখন আমি নিজে থেকে খেতে বলবো। এখন আমাকে বাথরুমে যেতে দিন ।

 উনি বললেন- যেতে দেবো না।

আবার আমি আদূরে গলায় বললাম- তাহলে প্রস্রাব করবো কোথায়?

এবার উনি আবেগে বলে ফেললেন-  যদি কিছু মনে না করো তাহলে আমার মুখটা টয়লেট মনে করে ব্যবহার করতে পারো।

[ আমার মনে মনে খুশির ঝড় উঠলো। মনে মনে এটাই চাইছিলাম । আমি মনে মনে বললাম কিছু মনে করব কেন? এটা আমার কাছে তো গর্বের বিষয়। আমি অভিনয় করে বললাম]-- ছিঃ, শেষে কিনা আমার ওটা খেতে মন হলো?  এরপর কোনদিন হয়তো বলবেন পিছন দিয়ে যেটা বের হয়,ওটাও আমি খাব। তাই তো নাকি?

অনিমেষ বাবু রেগে বললেন- আমার যা মনে হবে তাই খাব।

আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম -খাব বললেই তো হবে না। জিনিসটা আমার । আমি না দিলে আপনি খাবেন কি করে? 

অনিমেষ বাবু খুব উত্তেজিত হয়ে বললেন- আমি তোমার পেট টিপে বার করে খাব। দরকার হলে পেট কেটে খাব।

[আমি খুব খুশি হলাম। কতটা শুনে অভিনয় করে আমি অনিমেষ বাবুর কান দুটো ধরে বললাম-  কিন্তু মশাই,আমি ছোট থেকেই প্রতিজ্ঞা করেছি। আমি যাকে বিয়ে করবো। সে যদি খেতে চায়, আমি না বলব না । একমাত্র এটা আমার স্বামী খেতে চাইলে তবেই আমি খাওয়াবো।স্বামী ছাড়া আমি কাউকে পারবো না।

[ আমি চাইছিলাম অনিমেষবাবু আমাকে নিজে বিয়ের প্রস্তাব দিক।]

-আমি তোমার স্বামী হতে চাই।

আমি হেঁসে বললাম - বেশ যখন হবেন তখন খাবেন। এখন এক ফোঁটাও পাবেন না ।

- তাহলে আমি এখনই এখান থেকে চলে যাব ।তোমার সঙ্গে কোন সম্পর্ক রাখবো না।

 আমি বললাম- বাপরে বাপ। কি জ্বালা। ঠিক আছে ব্যবস্থা হবে। মুখটা বিষাদ হয়ে গেলে তখন আমাকে কিন্তু কিছু বলতে পারবেন না।

অনিমেষ বাবু আমার গলা জড়িয়ে ধরে চুম্বন করে বললেন-  তোমার মতো সুন্দরী মেয়েদের সবই খেতে মিষ্টি । তোমার মত সুন্দরী ওটা যার মধ্যে মুখে এক ফোটা পড়বে তার জীবন ধন্য হয়ে যাবে।

আমি হেসে বললাম - সত্যি নাকি?

- পরীক্ষা করে দেখতে পারো? 

 [ আমি মুখটা অন্যরকম করে ছোট কালো প্যান্টটা একটু ফাঁক করে ধরে বললাম -] ঠিক আছে! তাড়াতাড়ি মুখ লাগান। বান্ধবী চলে আসতে পারে।]..

চলবে.....


তিন পর্ব দেখুন