আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতার ছোট প্রশ্নের উত্তর পর্ব ১ - school book solver

Monday, 9 March 2026

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতার ছোট প্রশ্নের উত্তর পর্ব ১

 


 আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতার ছোট প্রশ্নের উত্তর।



প্রশ্ন: 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতাটির রচয়িতা কে?

উত্তর>  আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতাটির রচয়িতা হলেন শঙ্খ ঘোষ।


প্রশ্ন: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় ‘আমাদের’ বলতে কাদের কথা বলেছেন?

উত্তর> কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর কবিতায় ‘আমাদের’ বলতে দেশকালের সীমা অতিক্রম করে সাম্রাজ্যবাদী ও হানাদারি শত্রুর হাতে আক্রান্ত সাধারণ মানুষদের বুঝিয়েছেন।


প্রশ্ন: আমাদের ডান পাশে ও বাঁ-পাশে কী আছে বলে মনে করেন ?

উত্তর>  শঙ্খ ঘোষ রচিত ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় কবি বলেছেন আমাদের ডান পাশে ধস ও বাঁয়ে গিরিখাত আছে।


প্রশ্ন:  ‘ডান পাশে ধ্বস' ও ‘বাঁয়ে গিরিখাদ' বলতে আসলে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর>  কবি শঙ্খ ঘোষ ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় ‘ডান পাশে ধ্বস’ও বাঁয়ে গিরিখাদ' বলতে আসলে মানুষের পদে পদে বিপদ এবং পতনের আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন।


প্রশ্ন: 'আমাদের ডান পাশে ধ্বস – 'ধ্বস' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কী ?

উত্তর>  ‘ধ্বস' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ খসে পড়া। পাঠ্য কবিতায় সাধারণ

মানুষের চলার প্রতি পদে বিপদের সম্ভাবনাকে ফুটিয়ে তুলতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।


প্রশ্ন: 'আমাদের বাঁয়ে গিরিখাদ — গিরিখাদ' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ লেখো।

উত্তর ‘গিরিখাদ' হল দুই পর্বতের মাঝে সৃষ্ট গভীর খাদ। পাহাড়ি পথের বিপৎসংকুলতার মতোই বর্তমান বিশ্বে মানুষের জীবনে ছড়িয়ে থাকা প্রতিকূলতাকে বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।


প্রশ্ন: 'আমাদের ডান পাশে স, বাঁয়ে গিরিখাদ ।- আমাদের মাথায় ও পায়ে কী আছে?

উত্তর> কবি শঙ্খ ঘোষ রচিত 'আর আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় বলেছেন আমাদের মাথায় আছে বোমারু ও পায়ে পায়ে আছে হিমানীর বাঁধ।


প্রশ্ন: 'আমাদের মাথায় বোমারু বলতে কী বলা হয়েছে?

অথবা, 'আমাদের মাথায় বোমারু -এ কথা বলার কারণ কী:

উত্তর> যুদ্ধবাজ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি যেমন বোমারু বিমান থেকে অতর্কিতে আক্রমণ চালায়, তেমনই আচমকা আক্রমণে মানুষের জীবন আজ বিপন্ন। এই কবিতায় সেই বিপন্নতার কথাই বলা হয়েছে।


প্রশ্ন: ‘আমাদের পথ নেই কোনো বলার কারণ কী?

উত্তর> ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতা অনুসারে বর্তমান পৃথিবীতে

মানুষ বড়ো অসহায় ও নিরুপায়। প্রতিনিয়ত তার চলার পথের প্রতিকুলতা এবং দিশাহীনতাকে ফুটিয়ে তুলতেই কবি এমন মন্তব্য করেছেন।


প্রশ্ন: ‘আমাদের পথ নেই।'—কবি সেক্ষেত্রে কী করতে বলেছেন?

অথবা, ‘আমাদের পথ নেই আর– তাহলে আমাদের করণীয় কী?

উত্তর> কবি শঙ্খ ঘোষ রচিত ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতায় কবি বলেছেন মানুষের চলার পথে প্রতি মুহূর্তে প্রতিকূলতা; সেই মুহূর্তে সকলকে বেঁধে বেঁধে থাকতে হবে। অর্থাৎ পথে যখন প্রতিকূলতা, সেই সময় প্রতি মুহূর্তে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।


প্রশ্ন: 'ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে। —কী ছড়ানো রয়েছে?

উত্তর > শঙ্খ ঘোষ রচিত 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় দুরে ছড়ানো আছে শিশুদের শব।


প্রশ্ন: 'আমাদের শিশুদের শব’ কোথায় ছড়ানো রয়েছে?

উত্তর > ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতা অনুসারে আমাদের শিশুদের শব কাছে ও দূরে ছড়ানো রয়েছে। অর্থাৎ আজকের সমগ্র পৃথিবীজুড়েই শিশুরা হিংসাশ্রয়ী যুদ্ধ আর সন্ত্রাসের বলি।




প্রশ্ন: ‘আমাদের শিশুদের শব/ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে।- এ কথা বলার অর্থ কী ?

অথবা, শিশুদের শব যেখানে-সেখানে ছড়ানো আছে কেন ?

উত্তর>  যুদ্ধ, দাঙ্গা ও রাজনৈতিক সন্ত্রাস কবলিত আজকের দুনিয়ায় হিংস্রতার হাত থেকে রেহাই পায় না শিশুরাও। তারই ভয়াবহতা বোঝাতে এই উক্তি ।


প্রশ্ন:  আমাদের শিশুদের শব পড়ে থাকার মধ্য দিয়ে কোন্ বিষয়টি ধরা পড়েছে?

উত্তর> বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, দাঙ্গা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার বলি হচ্ছে

আগামী প্রজন্মও। তাই কবির আশঙ্কা— তবে কি এভাবেই শেষ হয়ে যাবে

মানবসমাজ!


প্রশ্ন: “আমরাও তবে এইভাবে/এ-মুহূর্তে মরে যাব না কি? - এ কথা বলার অর্থ কী ?

উত্তর> চারিদিকের প্রতিকূলতা, হানাদারি শত্রুর আক্রমণে গৃহহারা মানুষ চোখের সামনে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মৃত্যু দেখে নিজের বেঁচে থাকাতেও সংশয় প্রকাশ করে ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতি থেকেই সাধারণ মানুষের প্রতিভূ কবির এই উক্তি।


প্রশ্ন: আর আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।‘বেঁধে বেঁধে থাকি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

অথবা, ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি —কবি কেন এ কথা বলেছেন?

উত্তর> বিশ্বব্যাপী প্রতিকূলতার মাঝে চারিদিকে হতাশার ছবি স্পষ্ট হলেও

কবির বিশ্বাস পারস্পরিক সাহচর্য ও ঐক্যের জোরেই সমস্ত কিছু জয় করা

সম্ভব। তাই কবি এরূপ সংঘবদ্ধতার কথা বলেছেন।


প্রশ্ন> ' আমাদের ইতিহাস নেই— এ কথা বলা হয়েছে কেন ?

অথবা, 'আমাদের ইতিহাস নেই— ইতিহাস না-থাকায় আমাদের স্বরূপ কী ?

উত্তর>  আলোচ্য কবিতায় কবি সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি। আর সাধারণ মানুষ কোনোদিনই ইতিহাসে স্থান পায় না। তাদের ইতিহাস জনসমক্ষে প্রতিফলিত হয় না। তাই এমন উক্তি।।