আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতার কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর - school book solver

Friday, 6 March 2026

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতার কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর




 প্রশ্ন: ‘তবু তো কজন আছি বাকি'- কবি এই উক্তিটির সাহায্যে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর>  কবি শঙ্খ ঘোষের আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতা থেকে উদ্ধৃত উক্তিটি যেন ‘বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বাণী'। কবির মতে, সাম্রাজ্যবাদী ও স্বার্থান্বেষী একদল মানুষ নানান প্রতিকূলতা সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের চলার পথ রুদ্ধ করে দিতে চাইছে। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনে তারা নানাভাবে বিপন্ন। তাদের অতীত অস্পষ্ট, অসম্পূর্ণতায় অন্ধকার। আর বর্তমান এবং ভবিষ্যৎও সাম্রাজ্যবাদী শাসকের চক্রান্তে দুর্বিষহ। এরকম প্রতিকূল অবস্থার মাঝে বিবেকবান যে-কয়েকজনের অস্তিত্ব আছে, কবি তাদের নিয়ে প্রতিরোধের আশায় এমন উক্তি করেছেন।


প্রশ্ন: "আয় আরো হাতে হাত রেখে — হাতে হাত রাখা বলতে কী বোঝায়? এক্ষেত্রে আরো" শব্দটির প্রয়োগের তাৎপর্য লেখো।

উত্তর>  শঙ্খ ঘোষ তাঁর 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় হাতে হাত রাখা বলতে মানুষের সংঘবদ্ধতাকে বুঝিয়েছেন।

॥ বিচ্ছিন্নতা, আগ্রাসন, হিংসা, অসহিষ্কৃতার বিরুদ্ধে কবি সাহিত্যিকদের লড়াই চিরকালের। তারা চায় শান্তি, যা সমাজের বৃহত্তর অংশের চাওয়া। সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও অশুভ শক্তির প্রভাবে সাধারণ মানুষ আজ বিপন্ন। তবু এত প্রতিকূলতার মাঝেও তাদের

মধ্যে যতটুকু প্রতিরোধের ক্ষমতা আছে সেটুকু একত্রিত করার জন্য কবি 'আরো' শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

প্রশ্ন:  'আমরা ফিরেছি দোরে দোরে'- 'আমরা' কারা? কেন এই অবস্থা?

উত্তর:  কবি শঙ্খ ঘোষের 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় 'আমরা' বলতে অসহায় ও বিপন্ন সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়েছে।

||আজ সমগ্র পৃথিবীর বুকে নেমে এসেছে এক গভীর আঁধার। হিংসা-যুদ্ধ শুরু । রক্তক্ষয়-বিভেদ ও বিচ্ছিন্নতার আঘাতে মানুষ এখন ক্ষতবিক্ষত। তার চলার পথে ডাইনে-বাঁয়ে-উপরে কিংবা নীচে সর্বত্রই প্রতিকূলতা আর অতর্কিতে প্রাণহানির আশঙ্কা। শাসকের চক্রান্তে,

স্বার্থান্বেষী ক্ষমতাবানের মদতে সমাজ-রাজনৈতিক অবক্ষয় এক চরম রূপ নিয়েছে। ফলে নরঘাতী হানাহানির শিকার হচ্ছে শিশুরাও। হতভাগ্য, নিরাপত্তহীন ও দিশাহীন মানুষের এই নিরুপায় দুর্দশার ছবিটি ফুটে উঠেছে ।