তার চেয়ে দুঃখের কিছু নেই , তার থেকে অপমানের। কার এ কথা মনে হয়েছে? জীবনের কোন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে সে এই সিদ্ধান্ত পৌঁছেছে? জ্ঞানচক্ষু গল্প || দশম শ্রেণী - school book solver

Thursday, 12 March 2026

তার চেয়ে দুঃখের কিছু নেই , তার থেকে অপমানের। কার এ কথা মনে হয়েছে? জীবনের কোন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে সে এই সিদ্ধান্ত পৌঁছেছে? জ্ঞানচক্ষু গল্প || দশম শ্রেণী

 



প্রশ্ন:  ‘তার চেয়ে দুঃখের কিছু নেই, তার থেকে অপমানের!-কার এ কথা মনে হয়েছে? জীবনের কোন্ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে?

অথবা, ‘আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন — দিনটি কীভাবে বক্তার জীবনে 'সবচেয়ে দুঃখের দিন' হয়ে উঠল তার বর্ণনা দাও।


উত্তর- কথাশিল্পী আশাপূর্ণা দেবীর 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের নায়ক তপনের এ

কথা মনে হয়েছিল।

>  শিশুমন কোমল, সামান্য আঘাত পেলেই তারা ভীষণভাবে মুষড়ে পড়ে।

এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। ছোট্ট তপনের লেখক সম্পর্কে সব কৌতূহলের শেষ

হয় নতুন মেসোকে দেখে। অনুপ্রাণিত তপন একটি গল্প লেখে। সেই গল্প মাসির পীড়াপীড়িতে মেসোর হাত ধরে ‘সন্ধ্যাতারা' পত্রিকায় ছাপা হয়। স্বাভাবিক কারণে তপন উৎফুল্ল হয়ে ওঠে।

নানান বিরূপতা সত্ত্বেও সে গর্ব অনুভব করে। কিন্তু তার গর্ব মাটিতে মিশে যায় গল্পটি পড়ার সময়। সে দেখে প্রকাশিত গল্পে তার লেখা লেশমাত্র নেই। কারণ গল্পটা সামান্য কারেকশনের নামে পুরোটাই বদলে গিয়েছিল। এতে তপনের লেখকসত্তা অপমানিত হয়। তার চোখে জল এসে যায়। নিজের গল্প পড়তে বসে অন্যের লেখা লাইন পড়ার দুঃখ ও যন্ত্রণা তাকে কুরে কুরে খায়। লজ্জা, অনুশোচনা এবং আত্মসম্মানহীনতার সংকোচ থেকে এভাবেই সে উপরিউক্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়।


প্রশ্ন:  ‘তপনের মনে হয় আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন।-কোন দিন তপনের এমন মনে হয়েছিল। তার এমন মনে হওয়ার কারণ কী?

উত্তর:  আশাপূর্ণা দেবী রচিত 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পে তপনের নতুন মেসো তার ছোটোমাসিকে নিয়ে তাদের বাড়িতে হাতে করে 'সন্ধ্যাতারা' পত্রিকার একটি সংখ্যা নিয়ে আসে, সেই দিনের কথা বলা হয়েছে।

>  শিশুমন কোমল, সামান্য আঘাত পেলেই তারা ভীষণভাবে মুষড়ে পড়ে।

এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। ছোট্ট তপনের লেখক সম্পর্কে সব কৌতূহলের শেষ

হয় নতুন মেসোকে দেখে। অনুপ্রাণিত তপন একটি গল্প লেখে। সেই গল্প মাসির পীড়াপীড়িতে মেসোর হাত ধরে ‘সন্ধ্যাতারা' পত্রিকায় ছাপা হয়। স্বাভাবিক কারণে তপন উৎফুল্ল হয়ে ওঠে।

নানান বিরূপতা সত্ত্বেও সে গর্ব অনুভব করে। কিন্তু তার গর্ব মাটিতে মিশে যায় গল্পটি পড়ার সময়। সে দেখে প্রকাশিত গল্পে তার লেখা লেশমাত্র নেই। কারণ গল্পটা সামান্য কারেকশনের নামে পুরোটাই বদলে গিয়েছিল। এতে তপনের লেখকসত্তা অপমানিত হয়। তার চোখে জল এসে যায়। নিজের গল্প পড়তে বসে অন্যের লেখা লাইন পড়ার দুঃখ ও যন্ত্রণা তাকে কুরে কুরে খায়। লজ্জা, অনুশোচনা এবং আত্মসম্মানহীনতার সংকোচ থেকে এভাবেই সে উপরিউক্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়।