গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠলো তপনের। তপন কে? তার গায়ে কেন কাঁটা দিয়ে উঠলো? জ্ঞানচক্ষু গল্প || দশম শ্রেণি
![]() |
প্রশ্ন: ‘গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল তপনের – তপন কে? তার গায়ে কেন কাঁটা দিয়ে উঠল?
উত্তর- আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু' গল্পের মূল চরিত্র হল তপন।
| তপন তার নতুন মেসোমশাইকে দেখে বোঝে লেখকেরাও আর সকলেরই মতো সাধারণ মানুষ। এর আগে সে কখনও জলজ্যান্ত একজন লেখককে এভাবে এত কাছ থেকে দেখেনি।
মেসোমশাইয়ের দৃষ্টান্তে অনুপ্রাণিত হয়ে সে স্কুলের হোমটাস্কের খাতায় একাসনে বসে আস্ত একটা গল্প লিখে ফেলে। লেখার পর নিজের প্রথম গল্পটি পড়ে রোমাঞ্চে ও উত্তেজনায় তার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল।
প্রশ্ন: ‘কিন্তু তাই কি সম্ভব?'—কী সম্ভব নয় বলে বক্তার মনে হয়েছে?
উত্তর: আশাপূর্ণা দেবী রচিত ‘জ্ঞানচক্ষু' গল্পে তপনের লেখক-মেসো তার সদ্য লেখা গল্পটি পড়ে মুগ্ধ হয়ে যান। তপনের মাসি গল্পটি ছাপিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালে তিনি তাতে রাজি হয়ে গল্পটি নিজের সঙ্গে নিয়ে যান। অবশেষে একদিন সত্যিই তা ছাপা হলে তপন বিস্মিত হয়ে প্রশ্নে উদ্ধৃত কথাটি ভাবে।
> এই ভাবনায় বালক তপনের
কিশোর-হৃদয়ের অবিশ্বাস ও মুগ্ধতাবোধ প্রকাশ পায় ।
প্রশ্ন: 'বিষণ্ণ মন নিয়ে বসে আছে এমন সময় ঘটল সেই ঘটনা। -কেন মন বিষণ্ণ হয়েছিল ? এমন সময়ে কী ঘটেছিল ?
উত্তর লেখক-মেসোকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তপন একটি গল্প লিখে ফেলে। মেসো ছাপিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তপনের গল্পটি নিয়ে চলে যান। এবার তপন অধীর আগ্রহে দিন গোনে। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার দরুন ক্রমে হতাশ হয়ে ছাপানোরআশা ছেড়ে দেওয়ায়; তার মন দুঃখে বিষণ্ণ হয়ে ওঠে।
তপন যখন প্রায় গল্প ছাপানো নিয়ে আশা ছেড়ে দিয়েছে ঠিক এমন সময়ে ছোটোমাসি আর মেসো একদিন তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
তাঁদের হাতে ধরা একটি পত্রিকা, নাম ‘সন্ধ্যাতারা’। সেখানে সত্যিই ছাপা হয়েছে তপনকুমার রায়ের গল্প।
অবশেষে তপনের স্বপ্নপূরণ ঘটানো, এই ঘটনাই ঘটেছিল।
