রমা যোশির সোনা কুড়োনো বন্ধ করা ছাড়া আমার কোন স্বার্থ নেই। উদ্ধৃত অংশটিরর আলোকে বক্তার চরিত্র বিশ্লেষণ করো। কোনি গল্প দশম শ্রেণী
![]() |
প্রশ্ন: “রমা যোশির সোনা কুড়োনো বন্ধ করা ছাড়া আমার আর কোন স্বার্থ নেই'—উদ্ধৃতাংশটির আলোকে বক্তার চরিত্রবিশ্লেষণ করো।
উত্তর/ সাহিত্যিক মতি নন্দীর ‘কোনি' উপন্যাসে উদ্ধৃত অংশটির বক্তা হলেন বালিগঞ্জ সুইমিং ক্লাবের চিহ্ন ট্রেনার ও হিয়া মিত্রের কোচ প্রণবেন্দু বিশ্বাস।
জাতীয়তাবোধ: প্রণবেন্দুর মধ্যে ক্রীড়াক্ষেত্রের সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতা ছিল না, ছিল জাতীয়তাবোধ। তাই হিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়াতেও ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে রমা যোশির সোনা কুড়োনোকে আটকাতে এবং বাংলার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে কোনি ওরফে কনকচাপা পালকে বাংলা দলে অন্তর্ভুক্তির কথা বলেছিলেন। শুধু বলাই নয়, এই কথা বাস্তবায়িত না হলে তিনি প্রতিযোগিতা থেকে নিজের ক্লাবের মেয়েদের নাম তুলে নেওয়ার হুমকিও দিয়ে রেখেছিলেন।
সততা: প্রণবেন্দু তাঁর স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও সততা বিসর্জন দেননি। তাই স্টেট চ্যাম্পিয়নশিপে কোনিকে অন্যায়ভাবে ডিস- কোয়ালিফাই করলে কিংবা প্রথম হওয়া সত্ত্বেও দ্বিতীয় ঘোষণা করা হলে, তিনি তার প্রতিবাদ করেন।
পেশাদারিত্ব: কোচ হিসেবে প্রণবেন্দু ছিলেন যথেষ্ট পেশাদার। তাই ক্ষিতীশ, হিয়ার সাঁতারের সময় জানতে বালিগঞ্জ সুইমিং ক্লাবে উপস্থিত হলেও তিনি হিয়াকে এমনভাবে নির্দেশ দেন যাতে ক্ষিতীশ কোনোভাবেই তার সময়টা বুঝতে না পারে।
কোনিকে সাঁতারু হিসেবে তুলে ধরতে যে-কজন সদর্থক ভূমিকা নিয়েছেন তাদের মধ্যে প্রণবেন্দু বিশ্বাসের নাম অবশ্যই করতে হয়।
