মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ৪ ধারাবাহি গল্প
![]() |
মিষ্টি কথার চোরাস্রোত চতুর্থ পর্ব
[ আগের অংশ- আপনি হলেন আফ্রিকান যুবরাজ। চলুন আমাকে এগিয়ে দেবেন।]
তারপর উনি শোফা থেকে উঠে প্রেমিকার মতো আমার গলা ধরে আমাকে একতলা পর্যন্ত নামিয়ে দিয়ে বললেন- কাল তোমাকে সিঁদুর দান করতে চাই ।
আমি মিষ্টি হেসে বললাম- সেটা আপনার ইচ্ছা। আমি আপনার বৌমা। আমার যদি ইচ্ছা হয় বিয়ে করে নিজের স্ত্রী করা তাহলে আমি না বলতে পারি? খুশি হয়ে বললাম - আপনার যা করতে মন হয় তাই করবেন। খুশি তো?
উনি গম্ভীর গলায় বললেন - আমার পিপাসা মেটাবে তো?
আমি খুশি হয়ে আবার মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- আমি আপনার স্ত্রী হবো আর পিপাশা মেটাবো না এটা হতে পারে? আপনি খেতে পারলেই হবে।
- ভেরি গুড !
আমি নিচে নেমে ওনাকে টা-টা দিয়ে স্বামীর ঘরে প্রবেশ করলাম। দেখি রজত বিছানায বসে টিভি দেখছে। আমাকে দেখে বলল- এত দেরি হল?
আমি বললাম- তোমার বাবা যদি না ছাড়ে আমি কি করতে পারি? একটু বসো বৌমা। একটু বসো বলে নিজের অতীত জীবনে কথা আমাকে বলছিলেন। আমি তো ওনার দুঃখের কথা শুনে কেঁদেই ফেললাম।
রজত বলল - আমার মা বাবাকে খুব ভালবাসত। মা মারা যাওয়ার উনি কেমন একা হয়ে আছেন।
আমি দুঃখের ভান করে বললাম -সে কথাই বলছিলেন । আর সেটা শুনে আমার চোখ দিয়ে জল পড়ছিল। মনে মনে বললাম তোমার বাবার সঙ্গে এতক্ষণ কি চলছিল জানলে তুমি পাগল হয়ে যেতে।
আর বেশি কথা না বাড়িয়ে রাত্রে খাওয়া দাওয়া করে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। রজত নিজের পাওনাটা নিয়ে ঘুমালো। পরদিন ভোরে উঠে ছাদে ব্যায়াম করে নিচে এসে রজতকে ঘুম থেকে ডেকে দিয়ে সংসারের কাজ সেরে নিলাম। এটা আমার প্রতিদিনের অভ্যাস । আজ মনে আমার ভীষণ আনন্দ । আজকে দুপুরে আমি শশুর মশাই কাছ থেকে সুখ অনুভব করব নতুন ভাবে। আমাদের মধ্যে আজ নতুন সম্পর্ক তৈরি হবে। আমাদের নতুন জীবন শুরু হবে। আমি নটার মধ্যে রান্নাবান্না করে রজতকে খাইয়ে দিয়ে স্কুলে পাঠালাম। তারপর নিজেকে তৈরি করে বিয়ের কনে সেজে পাশের বিল্ডিংয়ে তিনতলার শ্বশুর মশাই ঘরের দিকে পা বাড়ালাম। আমাদের এই বিরাট বাড়িতে কেউ কাহারও সঙ্গে সম্পর্ক নেই। শুধু ঝি চাকর মাঝে মাঝে খাবার দিয়ে যায় । তিনতলায় যেতেই দেখি শশুর মশাই বারান্দায় পায়চারি করছেন। উনি একটা সাদা ধুতি আর একটা সাদা গেঞ্জি পড়ে আছেন। খুব হ্যান্ডসাম লাগছে। আমি কাছে যেতেই উনি হাত ধরে আমাকে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে চুম্বন করতে লাগলেন।
আমি বললাম -কি ব্যাপার ? আমার শশুর মশাই কে খুব হট মনে হচ্ছে। ঘরে এলে আগে তো বসতে বলতে হয় । সেটাও কি বলার সময় নেই?
আমার শ্বশুরমশাই হাত ধরে আমাকে সোফার মধ্যে বসিয়ে আমার সামনে উনি একটি চেয়ার নিয়ে বসলেন।
আমি বললাম- কাল রাত্রে ঘুম হয়েছিল তো ?
শ্বশুরমশাই বললেন- তুমি কাছে না থাকলে কি করে ঘুম হবে?
-তাই বুঝি? আমি মনে মনে ভাবছি আজ ওনার কাছ থেকে ভালো টাকা আদায় করতে হবে।
বললাম- সেটা তো আমাকে বলতে হবে। বললেই তো হতো । আমি আপনারা বিছানায় আপনার সঙ্গে সারারাত স্বামী- স্ত্রী মতন শুয়ে থাকতাম। ঠিক আছে আজ দুপুরে স্বামী স্ত্রী মতন শুয়ে থাকবো। হবে তো?
উনি বললেন -স্বামী স্ত্রী মতন নয়। একেবারে স্বামী স্ত্রী হয়ে। আমি তোমাকে এখনই নিজের করতে চাই। আমিও মনে মনে চাইছি তাড়াতাড়ি উনি আমার মাথায় সিঁদুর তুলে দিয়ে আমাকে নিজের করে নিয়ে সহবাস শুরু করুক। মুখে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম)- সেটা আপনার ইচ্ছা । করতে চাইলে করে ফেলুন। আমার কোন অসুবিধা নেই। আমি শুধু বৌমা থেকে বউ হব এই যা । আমার খাওয়া-পড়ার ব্যবস্থা করলেই হবে।
-নিশ্চয়ই করব। তোমার ব্যাংকে আজই আমি ১০ লাখ টাকা ট্রান্সফার করে দেবো। মনে মনে আমি ১০ লাখে খুশি নই । আরো বেশি চাই। কিন্তু চাইলে যদি উনি অন্য কিছু মনে করেন। যদি করতে রাজি না হন। ওনাকে যদি আমি আমার পা - চাটা গোলাম বানাতে পারি তাহলে আমার দাবি সহজেই মিটে যাবে। এটা কি সম্ভব ? মনে ভেবে দেখলাম একটা ঝুঁকি আমাকে নিতেই হবে।
মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম - থ্যাঙ্ক ইউ! আমার সামনে চেয়ারে বসে থাকা অবস্থায় আমার পা দুটো ওনার কোলের উপরে তুলে দিয়ে বললাম- নিন ভালো করে সেবা করুন। অল্প সময়ের মধ্যেই আমার পা দুটো ধরে চুম্বন করে চাঁটতে শুরু করলেন। আমি নিজেকে ভীষণ গর্বিত বোধ করলাম। এরকম একজন ভিআইপি ব্যক্তিকে এই কাজ করাতে পেরে আমি নিজেও ভীষণ উত্তেজিত হয়ে পড়েছি । ওনার স্ত্রী হবার জন্য মন ছটফট করছে। ওনার কোন তৎপরতা দেখছি না। আমি বিয়ের ব্যাপারে উৎসাহিত করতে অভিনয় করে বললাম - বৌমার পা দুটো না চেটে খেয়ে, নিজের স্ত্রীর খেলে বেশি ইন্টারেস্ট হতো। আর আমিও নিজের স্বামী মনে করে ভালো করে খাওয়াতে পারতাম।
-very good . শশুর মশাই উঠে আলমারি থেকে একটা সিন্দুরে কৌটা নিয়ে আমার সামনে দাঁড়ালেন। উনি সিঁদুরের কৌটা থেকে সিন্দুর নিয়ে আমার সিথিতে পরিয়ে দিয়ে বললেন- তুমি আজ থেকে সারা জীবনের জন্য আমার হলে। আমি মনে মনে খুব খুশি হলাম। হাঁটু গেড়ে প্রণাম করলাম। তারপর সোফায় বসলাম আগের জায়গায়। অনিমেষ বাবু সিন্দুরের কৌটাটা আলমারিতে রেখে, আবার আমার সামনে চেয়ারে বসতে এলে আমি চেয়ারটা পায়ে করে লাথি মেরে ফেলে দিলাম। উনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার দিকে তাকিয়ে কি যেন ভাবছিলেন। আমি চোখের ইশারায় আমার পায়ের তলায় বসতে বললাম। তারপর মেজাজ নিয়ে বললাম- চেয়ারটা সরিয়ে দিলাম কিছু মনে করবেন না। এখন আপনি যে কাজটা করবেন সেই কাজটা চেয়ারে বসে করলে আমার ভালো লাগবে না। কাজটা মাটিতে বসে কুকুরের মত করলে আমর ভালো লাগবে। তাই চেয়ারটা সরিয়ে দিলাম।
এত বড় একটা কথা বলে নিজেকে খুব বড়ো মনে হচ্ছিল। খুব গর্বিত বোধ করছিলাম। উনি যদি আমার নির্দেশ পালন করেন তাহলে আমি ওনাকে পা চাটা কুকুর বানিয়ে আমি আমার জীবনটা ধন্য করতে পারবো। উনি কি যেন আমাকে বলতে যাচ্ছিলেন। আমি একটু মেজাজ নিয়ে বললাম - কি হলো? আমার ইশারা বুঝতে পারলেন না?
শ্বশুরমশাই বললেন - মাটিতে বসা আমার অভ্যাস নেই।
আমি মেজাজ নিয়ে বললাম - অভ্যাস করতে হবে। সবার অভ্যাস থাকে না। চেষ্টা করুন। আমাকে খুশি করতে হলে আমি যেটা বলবো শুনতে হবে । চেষ্টা করুন। উনি দাঁড়িয়ে আছেন দেখে উনাকে কাছে টেনে আমি আদর করে বললাম- গোলাপ তুলতে গেলে একটু হাতে কাঁটা ফোটে। তাতে কিছু মনে করলে হয় না। আমার ভীষণ ইচ্ছা আপনাকে কুকুরের মত আমার পা চাটাতে। আপনি কি আমার ইচ্ছাটা পূরণ করবেন না?
- কিন্তু...
আমি বললাম - কোন কিন্তু নয়। আপনি আপনার স্ত্রীর আশা পূরণ করবেন কিনা জানতে চাই? নিন তাড়াতাড়ি শুরু করুন।
উনি হাঁটু গেড়ে আমার পায়ের তলায় বসে বললেন - খুব সুন্দর তুমি। তোমাকে বিবাহ করে আমার জীবন সার্থক হয়েছে। উনি আমার পা- দুটো হাতে নিয়ে চুম্বন করলেন । তারপর চাটতে শুরু করলেন। এত বড় একটা দামি মানুষকে পা চাটা গোলাম বানাতে পেরে আমি খুব খুশি হলাম। খুশি হয়ে আমার পায়ের আঙুলগুলো ওনার মুখের মধ্যে ভরে দিতে লাগলাম। উনি জিভ দিয়ে চুষে চুষে খেতে লাগলেন।
আমি নিজেকে আরও দামি করতে অভিনয় করে বললাম- আমি বললাম বলেই এই কাজটা করতে হবে? ছিঃ ! ছিঃ। এ কাজ কেউ করে? আমার পায়ে কত নোংরা লেগে আছে। এমন করে কেউ খায়? ছেড়ে দিন। আর নয়। আমি কিন্তু রাগ করবো। পায়ে কত কি লেগে আছে। কত নোংরা আছে। অমন করে কেউ খায়? ( এটা বলে ওনাকে বেশি করে খেতে উৎসাহিত করছিলাম। যাতে বেশি করে চেটে চেটে খায় । আমার পা দুটো ওনার মুখে নাকে বারবার ঘষে দিতে লাগলাম। উনি আমার কথা শুনে উত্তেজিত হয়ে আমার পায়ের তলা গুলো বার বার জিভ দিয়ে চেটে চেটে খেতে লাগলেন। এই ধরনের পুরুষদের সুখী করতে হলে এই অভিনয়টা করতে হয়। সেটা আমি জানি। কতটা খুশি হয়েছে জানার জন্য আমি বললাম- কিছু মনে করেনি তো? আপনাকে আমি এই কুকুরের মত .........
উনি আমার পায়ের আঙ্গুল চুষতে চুষতে বলেন- কতজনের ভাগ্যে হয়, তোমার মতো সুন্দরী মেয়ের পদ সেবা করা? এটাই তো আমার কাছে ভীষণ সুখ।
আমি মনে মনে ভীষণ খুশি হয়ে আরেকটু উৎসাহিত করতে বললাম- আমি তো আপনাকে দিয়ে পদসেবা করাচ্ছি না। তার পায়ের নোংরা গুলো কুকুরের মতো খাওয়া করাছি।
উনি উত্তেজিত হয়ে বললেন- খাওয়াতেই পারো। তোমার যা ইচ্ছা সে করতে পারো। সত্যিকারের সুন্দরীরা জানে কিভাবে পুরুষকে সুখী করতে হয়। তারা পুরুষ মানুষের মনস্কামনা অন্তর থেকেই জানতে পারে।
আমি হেসে বললাম - তাহলে আরেকটু নোংরা মাখিয়ে দিই । বলে ডান পা টা হাতে টেনে ধরে মুখের লাল ঝোল আঙ্গুলের ফাঁকে ফেলে দিয়ে ওই পাটা ওনার মুখের মধ্যে ভরে দিলাম। উনি পা টা দু হাতে ধরে চুষে চুষে আরাম করে খেতে লাগলেন ।
আমি একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললাম- আমি আপনাকে এই কাজটা করাচ্ছি বলে মনে মনে রাগ হয় তাহলে কিছু করার নেই। আমার যেটা ভালো লাগে সেটা আমি করি।
উনি বললেন - রাগ করিনি। এটা না করলে আমার জীবনের আশটা আশাই থেকে যেত।
আমি গালে হাত দিয়ে মিষ্টি ভঙ্গিতে বললাম -এ মা! আগে বললেই হতো । তাহলে কত ভালো করে খাওয়াতাম। একজন ভিআইপি ব্যক্তির মনের আশা যদি না মেটে তাহলে তিনি সমাজের ভালো কাজ করবেন কিভাবে ?
- তুমি এত সুন্দরী আগে জানতেই পারি নেই।
আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- এটাতে প্রশংসা করার কিছু নেই। পুরুষের মন দেখেই মেয়েদের বুঝে নিতে হয়।এবার থেকে যখনই আপনার ঘরে আসবো, তখনই আপনি আমার পদ সেবা করতে পারেন। আমি বাধা দেব না। আমিও খুব খুশি হব। যত ভালো করে সেবা করবেন। মানে আমার পা চেটেপুটে খাবেন তত আমি খুশি হয়ে আপনার আশা মেটাবো।
- অনিমেষ বাবু খুশি হয়ে বললেন-এটাই আমি মনে মনে চাইছিলাম। কিন্তু তোমাকে বলতে পারছিলাম না।
আমি ডান পায়ে আঙুলগুলো ওনার মুখের মধ্যে ভরে দিয়ে বললাম- খান ! ভালো করে খান। খেয়ে আপনার বৌমার জীবন ধন্য করুন। কিছুক্ষণ পর বললাম-এবার আমি বাথরুমে যাব? আপনি যাবেন নাকি?
-আমি না গেলে আমার পিপাসা মিটবে? তুমি কি চাও না আমি যাই।
আমি ওনার কান দুটো ধরে আদর করে চুমু খেয়ে বললাম - চাই তো। না চাইলে আমি সকাল থেকে কার জন্য বেশি বেশি জল খেলাম?
উনি আমার চুমু খেয়ে বললেন- খুব সুন্দরী তুমি। খুব ! ভেরি নাইস। ভেরি বিউটিফুল।
আমি বললাম- এত সুনাম করতে হবে না। এবার আপনার স্ত্রীর নোনতা জল খেয়ে পিপাসা মেটাবেন চলুন। আমাকে টাকা দেওয়ার কথাটা উনি ভুলেই গেছেন। ওনাকে মনে করাতে হবে।
উনি আমার গলা জড়িয়ে ধরে বললেন - তুমি খুব সুন্দরী। ভেরি বিউটিফুল। তাড়াতাড়ি বাথরুমে চলো। আমার মন মানছে না।
আমি আদর করে বললাম- কিন্তু, মশাই এর জন্য আলাদা দাম লাগবে।
উনি তখন আমাকে ছেড়ে দিয়ে টেবিলে রাখা মোবাইলটা আমার সামনে নিয়ে এসে বলল- বলো কত দাম লাগবে? আমি ওনাকে উত্তেজিত করতে বললাম- কিভাবে খাবেন বলুন? যদি গ্লাসে খান একরকম দাম । আর যদি এখানে মুখ লাগিয়ে খান তাহলে আর একরকম। বলুন কোনটা?
উনি মজা করে বললেন- দু রকম রেট কেন হবে? জিনিসটা তো একই।
আমি হেসে বললাম - বারে! গ্লাসে খেলে আমাকে কোন কষ্ট করতে হবে না। আর এখানে মুখ লাগিয়ে খেলে আমাকে পা ফাক করে দাঁড়াতে হবে। একটু একটু দিতে হবে। পরিশ্রম হবে না?
- o k.( উনি মোবাইল নিয়ে যখন google pay খুলতে লাগলেন । তখন আমি ওনার গলা জড়িয়ে ধরে চুম্বন করতে করতে মোবাইল এর স্কিনে চোখ রাখলাম। উনি ২০ লাখ লিখে আমাকে দেখিয়ে বললেন-খুশি তো? এটা পাঠিয়ে দিচ্ছি তোমার অ্যাকাউন্টে। তুমি আর ও চাইলে তোমাকে আরো দিতে পারি।
আমি ওনাকে চুম্বন করে বললাম- আর দু লাখ বাড়িয়ে দিন। ঠিক আছে বলে টাকাগুলো ট্রান্সফার করতে লাগলেন। আমার মোবাইলে বারবার মেসেজ আসতে লাগলো। এরপর শশুর মশাই আমাকে জড়িয়ে ধরে চুম্বন করতে করতে বললেন- তুমি আমার উপযুক্ত। এতদিন তুমি কোথায় ছিলে? তুমি জীবনে না এলে আমার মনের আশা হয়তো আশাই থেকে যেত।
- সত্যি বুঝি! উনার গলা ধরে চুম্বন করতে করতে আমি উনার মুখে জীভ প্রেরণ করতেই উনি চুষতে লাগলেন। উত্তেজিত হয়ে উনি আমাকে পাঁজকালো করে কোলে তুলে বাথরুমে নিয়ে গেলেন। সেখানে আমাকে চুম্বনে অতিষ্ঠ করে তুলনেন। আমার এক একটা পোশাক খুলে ফেলে আমাকে বস্ত্রহীন করে নিজেও বস্ত্রহীন হলেন। তারপর আমার পা তলায় বসে দামনা দুটো ফাঁক করে ধরে ওখানে জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করলেন। উনার তীক্ষ্ণ ক্ষুরধার জিভের সুদক্ষ চোষণে আমি ভীষণ তৃপ্তি বোধ করছিলাম। আমি ওনার মাথায় তলপেটটা দিয়ে বারবার পিঠের উপর ঝুলে পড়ছিলাম । উনি আমার পা দুটো ফাঁক করে খেয়েই চলেছেন পশুর মতো। আমি আর প্রস্রাবের বেগ ধরে রাখতে না পেরে বার করতে শুরু করলাম। উনি খেতে খেতে একরকম স্নান করে ফেললেন। তারপর ভালো করে ভেতরে জীব ভরে ভরে চেটে খেয়ে আমার পায়ে লেগে থাকাটা অবশিষ্ট অংশটুকু পরিষ্কার করে দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন- তুমি খুব সুন্দরী। তুমি খুব মিষ্টি!
আমি বললাম- এত সুনাম না করে এবার আপনার বৌমাকে বিছানায় ফেলে ভালো করে সুখ দেবেন চলুন। উনি আমাকে বাথরুম থেকে কোলে করে নিয়ে এসে খাটে শুয়ে দিয়ে কোমরে একটা বালিশ দিয়ে নিজের কাজ শুরু করলেন। আমি চিৎকার করতেই আমার মুখ চেপে ধরে উনি আমাকে ভীষণ সুখ দিতে লাগলেন। সুখ।সুখ শুধু আর সুখ। সে সুখ শুধু আমিই জানি। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চলার পর উনি আমার বুকের উপর শুয়ে আমাকে চুম্বন করতে করতে নিঃশ্বাস ছেড়েছিল । আমি গলা ধরে বলেছিলাম -আপনি আমার সত্যিকারের স্বামী। আপনার সন্তান আমি পেটে নিতে চাই। দেবেন তো? উনি উৎসাহিত হয়েও আমাকে চুম্বন করে বললেন- তুমি যা বলবে আমি তাই করবো।
-গুড বয়। গলা ধরে চুম্বন করে বলি- তাহলে আজকের মতো ছুটি তো?
উনি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন -এত তাড়াতাড়ি ছুটি নিলে হবে?
আমি আদর করে গলা ধরে বললাম- কে--নো? আমাকে আবার করবেন বুঝি? (আমারও মন চাইছে উনি আর একবার আমাকে করে সুখ দেয়)।
উনি ঘাড় নেড়ে বোঝালেন -হাঁ।
আমি বললাম-ঘড়িতে দেখুন চারটে বাজতে চলল। আপনার ছেলের বাড়ি আসার সময় হয়েছে । আজ আবার বলে গেছে সময় সময় বাড়ি ফিরব।
আমি তোমার কোন কথা শুনবো না।। বলে চুম্বন করতে শুরু করলেন। আমিও সাহায্য করতে লাগলাম। জিভটা ওনার মুখে পুনরায় প্রবেশ করিয়ে দিতে শুরু করলাম। ওটাতে উনি বেশি তৃপ্তি পান। বয়স্ক মানুষদের এটাই বেশি পছন্দ। তারা চেটে চুষে খেতে পছন্দ করেন। আর এতেই খুব তাড়াতাড়ি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই অনিমেষবাবু আবার হিংস্র পশুর মত তোমাকে আক্রমণ করে আমাকে সুখ দিতে শুরু করলেন। যখন খেলা শেষ হলো তখন সূর্য ডুবে গেছে। তাড়াতাড়ি নিজেকে পরিষ্কার করে নিয়ে পোশাক পরে নিলাম। তারপর শশুর মশাই গলা ধরে বললাম- এবার বিদায় নিতে পারি?
উনি আমার হাত দুটো ধরে বললেন- বিদায় নিতে মন হচ্ছে না।
আমি শ্বশুর মশাই কান দুটো ধরে বললাম ?খুব মজা? আপনার ছেলের কাছে আমি কি জবাব করে দেবো? চারটের আগে ফেরার কথা। এখন ছটা বাজে। এমনিতেই ভয় করছে।
-আমি কোন কথা শুনতে রাজি নই। আমি তোমাকে নিয়ে সারারাত এক বিছানায় স্বামী স্ত্রীর মতো কাটাতে চাই। -ঠিক আছে সামনের সপ্তাহে যেদিন কলকাতা থেকে আসবেন সেদিন আপনার আশা পূরণ করব। অনিমেষবাবু বললেন - সত্যি বলছো?
- নিশ্চিন্তে থাকুন। সেদিন দুপুর থেকে সারা রাত আমাকে কাছে পাবেন। খুশি তো?
- ঠিক আছে। (অন্ধকারে অন্ধকারে বারান্দা পেরিয়ে নিচে নেমে এলাম । দেখি রজত ঘরের মধ্যে উত্তেজনায় পায়চারি করছে।
আমি বললাম- কখন এসেছ?
- এক ঘন্টা হলো। তুমি কোথায় গিয়েছিলে?
-তোমার বাবার কাছে। তুমি চলে গেলে আবার পর হঠাৎ মাথা ব্যাথা করছিল। তাই ভাবলাম যদি তোমার বাবার কাছে একটা ওষুধ পাওয়া যায় তাহলে ভালো হয়ে যাবে।
- ফোনটা তো নিয়ে যেতে পারতে?
-আমি ভাবলাম ওষুধ নিয়েই চলে আসব। কিন্তু তোমার বাবা আসতে দিল না। ঔষধ খাইয়ে ওখানে বিশ্রাম নিতে বললেন। তাই দেরী হলো।
-এখন কেমন আছো?
আমি অভিনয় করে বললাম- এখন মোটামুটি সুস্থ আছি। এবার থেকে দুটো ওষুধ কিনে এনে রেখে দেবে, সঙ্গে দুটো ঘুমের ওষুধ এনে রেখে দেবে। মাঝে মাঝে আমার ঘুম হয় না। ( মনে মনে বললাম -সামনে সপ্তাহে শ্বশুরে কাছে এক রাতের সঙ্গী হয়ে ওনার আশা পূর্ণ করতে হবে। সেদিন এই ওষুধটা রজতকে খাওয়াতে হবে।)
কথা না বাড়িয়ে অসুখের ভান করে রজতের কাছে আদর খেতে খেতে অনিমেষবাবুর দেওয়া সুখের কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়লাম।
৫ পর্ব দেখুন
