মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ৬ ধারাবাহিক চটিগল্প - school book solver

Monday, 31 August 2026

মিষ্টি কথার চোরাস্রোত পর্ব ৬ ধারাবাহিক চটিগল্প

 



মিষ্টি কথার চোরাস্রোত 

পর্ব ৬

পর্ব ৫ দেখুন

দু-দিন পর শ্বশুরমশাই কলকাতা থেকে ফিরবেন। ওই দিন শ্বশুর মশায়ের সঙ্গে একটু ভালো খেলা খেলে দিঘা যাওয়ার পারমিশন করিয়ে নিতে হবে। একটু ভালো খেলতে পারলেই আমার স্বপ্ন পূরণ হবে। যদি খেলাটা ঠিকমতো খেলতে পারি তাহলে আমাদের কোম্পানির ম্যানেজারকে নিয়ে দীঘায় ফুর্তি করাটা সহজ হবে।

 দু-দিন কোন মতে কাটিয়ে দেবার  বুধবার চলে এল। । আজ সকাল হতেই আমার মনে ভীষণ আনন্দ শুরু হলো। বেলা বারোটার মধ্যেই আমার শশুর কলকাতা থেকে চলে এলেন। আমাকে কিছুক্ষণের মধ্যেই উনার কাছে যেতে হবে। আমি নিজেকে তৈরি করে আধঘণ্টার মধ্যে শ্বশুরের কাছে আদর খেতে পাশের বিল্ডিং-এ দো-তলার ঘরে চলে গেলাম। ঘরের দরজায় হালকা চাপ দিতেই দরজা খুলে গেল। দেখি শশুর মশাই  শোফায় বসে মোবাইলে কিছু দেখতে দেখতে বারমুডার ভিতরে হাত ভরে ওনার ওটা নাড়াচাড়া করছেন। আমি আস্তে আস্তে উনার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম।

 হেসে বললাম -কি ব্যাপার? এত মন দিয়ে কি দেখা হচ্ছে? মোবাইলের ছবিটা আমার চোখে পড়তেই আমি হয়ে অবাক হয়ে গেলাম। তিনি যা দেখছিলেন সেগুলো তা হলো খারাপ ছবি। আমি মনে মনে ভীষণ খুশি হলাম। মেয না চাইতেই জল। মনে হচ্ছে আমার স্বপ্ন পূরণ করতে আর বেশিক্ষণ সময় লাগবে না। 

বললাম- লুকিয়ে লুকিয়ে এই সব দেখা হয় বুঝি ?

- ছোট থেকেই আমি এইসব দেখতে ভালোবাসি।

 আমি একটু অবাক হওয়ার ভঙ্গিতে বললাম -তাই ভাবি, আমার শ্বশুরমশাই এত ডিজাইন কোথা থেকে শিখলো ? এখন বুঝতে পারছি কি করে ফ্রান্স, ইংলিশ আর আফ্রিকানদের মতো আমাকে ব্যবহার করে।  পাশে থাকা সিগারেটের প্যাকেট থেকে একটা সিগারেট নিয়ে শ্বশুরমশাই মুখে লাগিয়ে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিলাম। আমার সিগারেটের গন্ধ খুব ভালো লাগে। শ্বশুরমশাই মোবাইল রেখে আমাকে কোলের মধ্যে বসিয়ে সিগারেট টান দিতে লাগলেন। আমি সিগারেটের গন্ধ উপভোগ করার জন্য শ্বশুরমশাই মুখে আমার মুখ রাখতেই অনেকটা ধোঁয়া আমার মুখের মধ্যে ঢুকে গেল। আমি ধোয়া টা গিলে নিয়ে নাক দিয়ে বার করলাম।

- শ্বশুরমশাই আমার কোমরটা জড়িয়ে ধরে বললেন- ভেরি গুড । আজ তোমাকে দারুন লাগছে। একবারে ঊর্বশী ঊর্বশী লাগছে।

 আমি হেসে বললান - সত্যি? 

-একদম সত্যি বলে আমাকে চুম্বন করলে আই মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম তাহলে তো আজকে এক্সট্রা টাইম খেলতে মন হবে। শশুরের গেঞ্জিটা শরীর থেকে আলাদা করে দিয়ে আবার মুখে মুখ রেখে সিগারেট ধোঁয়া অনুভব করলাম। 

শ্বশুরমশাই বললেন- এক্সট্রা  টাইম নয়। সারা রাত খেলতে চাই। আজকেও তোমাকে সারারাত সময় দিতে হবে। 

-অবশ্যই দিতে হবে বৈকি। আমার শ্বশুরমশাই যখন ইচ্ছা তখন তো আমি না বলতে পারি না।

- ভেরি গুড। তোমাকে ওই জন্যই আমার ভীষণ ভালো লাগে।

- তাই বুঝি ?

-সত্যি তোমাকে আজ ভীষণ সুন্দর দেখাচ্ছে।

- তাই বুঝি? আমাকে দেখে আজ কাটের ডিজাইন দিতে মনে হচ্ছে? আফ্রিকা না ইংলিশ না জাপানি ?

-আজ আর বলতে হবে না। তোমাকে আমি তিন রকমের দেব। তাড়াতাড়ি তোমার পা দুটো দাও। আমি পদ সেবা পড়ে নিয়ে এখনই শুরু করতে চাই। 

আজ আমার অন্যরকম খেলতে চাই।

- খেলতে চাও খেলো।

-ঠিক আছে ওখানে শুয়ে পড়ুন। চোখের ইশারায় ঘরের একটা ফাঁকা জায়গা দেখিয়ে দিলাম।  অনিমেষবাবু ওখানে শুয়ে পড়লেই আমি  মুখে আঙুল ভরে শরীরটা কে হালকা ঝাকুনি দিতে দিতে ওনার মাথার কাছে দাঁড়িয়ে আমার বাঁ-পা মুখের ওপর ধরতেই  চুষে খেতে লাগলো।আমার দুটো পা কুড়ি মিনিট ধরে আমি ওনাকে দিয়ে পা চাটালাম। তারপর আমার পিছনটা ওনার মুখের উপর উল্টো হয়ে বসে চাটতে দিলাম।  উনি জীভ ভরে ভরে সামনে পিছনে সব জায়গা চেটেপুটে খেয়ে প্রচন্ড উত্তেজিত হয়ে আমাকে বাথরুমে নিয়ে গেল। সেখানে নিজের পিপাসা মিটিয়ে আমার কোলে করে বিছানায় নিয়ে এসে ফেলে আমাকে সুখে ভরিয়ে দিতে লাগলো ।  যখন কাজ শেষ হলো তখন ঘড়িতে তিনটে বেজে গেছে। অনিমেষ বাবু আমাকে স্বামী স্ত্রী মত গলা জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকলো। যেটা প্রত্যেক দিনই করে। তারপর আমার মুখে মিষ্টি কথা শুনে নিজেকে তৈরি করে আর একবার আমাকে সুখ দিয়ে মুক্তি দেবে। এটাই প্রতিদিনকার রুটিন।

উনি আমাকে গলায় জড়িয়ে ধরে চুম্বন করে বললেন-আজ তোমাকে সারারাত নিয়ে খেলব।

- রোজ রোজ সারারাত খেললে আপনার ছেলের কাছে আমি ধরা পড়ে যাব না? তার চেয়ে ভালো হয় আমাকে হানিমুনে নিয়ে চলুন। আদর করে গাল টিপে দিয়ে বললাম -বিয়ে করে হানিমুনে নিয়ে যেতে হয় জানেন না? 

  -ঠিক আছে ! কোথায় যেতে চাও বলো?

 আমি বললাম- দিঘা। 

-ঠিক আছে সামনে সপ্তাহে এসে তোমাকে নিয়ে যাব। -আমি গলা জড়িয়ে ধরে আদর করে বললাম- না। সামনে সপ্তাহে নয়। সামনে সোমবার আমি যেতে চাই।

-ঠিক আছে তাই হবে। রজতের কাছে পারমিশনটা করিয়ে নিও।

- ওটার জন্য চিন্তা করবেন না । ও ভেড়াটাকে আমি ঠিক বুঝিয়ে দেব। ওখানে এক মাস থাকব।

-রজত তোমাকে আমার সঙ্গে একমাস ছাড়বে?

-সেটার আমার দায়িত্ব। প্রয়োজনে দু'মাসও হতে পারে।

-যদি সন্দেহ করে?

;কোন চিন্তা নেই। দেখবেন আমি এমন ব্যবস্থা করব য আপনার ছেলে আপনার ঘরে এসে নিজের মুখে বলবে,' 'বাবা আপনার বৌমা কে এক মাসের জন্য দীঘা বেড়িয়ে নিয়ে আসুন'। 

- তাহলে তো আর কোন বাধাই থাকবে না। ভীষণ মজা হবে।

-আপনি আগের দিন চলে আসবেন। বিকাল বেলায় একসাথে বের হবো। 

শশুর আমাকে জড়িয়ে ধরে আবেগে বললেন -খুব ভালো হবে। গাড়িতেই তোমাকে করতে করতে যাব ।আমি বললাম - কি করে হবে ?  ড্রাইভার থাকবে তো।

- ভিআইপি গাড়ি থাকবে। কেউ জানতে পারবে না।

আমি হেসে বললাম - তাহলে অসুবিধা নেই। আপনার যা ইচ্ছা হবে করতে পারেন । মনে মনে ভাবলাম দীঘা যাওয়ার পারমিশন তো পেয়ে গেলাম। এবার আমাদের ম্যানেজার কে এর মধ্যে ঢোকাতে হবে। অভিনয় শুরু করে আমি আমি হেসে বললাম- আরো মজা হবে যদি আমাদের সঙ্গে কাউকে নিয়ে যাওয়া যায়।

শশুর মশাই বললেন -আমার তো কেউ নেই  তুমি ছাড়া।

আমি ওনার কান দুটো ধরে বললাম - বোকা কোথাকার! আমি কোনো মেয়ের কথা বলছি না। একজন হ্যান্ডসাম পুরুষের কথা বলছি। যিনি আমার বিয়েতে এসেছিলেন। উনি যদি আমাদের সঙ্গে যান তাহলে কেমন হয়?

- ও তুমি রণজিৎ এর কথা বলছো? 

-কি নাম জানি না? বেশ লম্বা চওড়া কোট প্যান্ট পরা মানুষটির কথা বলছি।

- হ্যাঁ, উনি রণজিৎ বাবু,। আমাদের কোম্পানির ম্যানেজার। আমি না থাকলে কোম্পানির সব কাজ দেখাশোনা করেন। ওর মুখে আমি সব সময় তোমার কথাই শুনি। - 

-  আমি মনে মনে খুশি হয়ে বললাম - সত্যি বুঝি? তাহলে ওকেই আমাদের সঙ্গী করা হবে। ও আমাদের সব কাজ করে দেবে। আর আমরা আনন্দ ফুর্তি করব।

- না,না । ও সব লোকের কোন প্রয়োজন নেই। আমাদের কাজে ডিস্টার্ব করতে পারে। 

আমি আচমকা একটা ধাক্কা খেলাম । যতটা সহজে আমি ম্যানেজ করতে পারবো ভেবেছিলাম কতটা সহজেই হলো না । আমিও জানি কিভাবে নিজেকে জয় করতে হয়। 

আমি আদর করে ওনার গলা ধরে চুম্বন করে বললাম- আপনাকে নিয়ে মাঝ সমুদ্রে যেতে পারবো নাকি? আপনাকে নিয়ে এক ঘন্টা স্নান করতে পারব না।আপনাকে আবার ঠান্ডা ধাত আছে। ওনাকে প্রয়োজন লাগতে পারে।

- ঠিক আছে । তুমি যখন বলছ ওকে যেতে বলব ।

-থ্যাঙ্ক ইউ ! তবে এক হোটেলে যেন না হয় ‌

-ঠিক আছে। অন্য হোটেল বুক করতে বুক করতে বলল। আমি মনে মনে ভাবলাম ম্যানেজার বাবু আমাদের সঙ্গে আগে দীঘা তো যাক তারপর কি করতে হয় সেটা আমি ভালো করেই জানি।।

-তাহলে সোমবার ফাইনাল তাইতো ? 

-অবশ্যই । তুমি রজতকে রাজি করিয়ে নাও।

 আমি আদর করে গাল দুটো টিপে দিয়ে গিয়ে বললাম- সেটার দায়িত্ব আমার । সেটা আমাকে ভাবতে হবে না।। আপনার ছেলে এসে আপনাকে নিজে থেকে বলবে 'বাবা আপনার বৌমাকে দীঘায় নিয়ে গিয়ে আচ্ছা করে সুখ দিন। বলে হাসি দিলাম । আপনি শুধু ভাবুন আমাকে গাড়িতে নিয়ে যেতে কেমন করে সুখ দেবেন আর দীঘায় কেমন করে আমরা রাত কাটাবেন। 

-ভেরি গুড! তুমি ভেরি ভেরি নাইস। আমি অনিমেষ বাবুর ওটা হাতে ধরে মুখে ভরে রেডি করে দিতেই উত্তেজিত হয়ে আমাকে নিয়ে বিশাল ঝড় তুলল।

চলবে......

 ৭ পর্ব দেখুন