মিষ্টি কথার চোরাস্রোত ধারাবাহিক চটিগল্প পর্ব ৫ - school book solver

Sunday, 30 August 2026

মিষ্টি কথার চোরাস্রোত ধারাবাহিক চটিগল্প পর্ব ৫

 




মিষ্টি কথার চোরা স্রোত 

পঞ্চম পর্ব 

৪পর্ব দেখুন

সপ্তাহে ছয়টা দিন রজত কে নিয়ে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়ে কোনরকমে কাটিয়ে দিলাম। আজ সকালে আমার মন আনন্দে ভরে উঠল। আজ শ্বশুর মশাই কলকাতা থেকে আসবেন। ওনার নিজের বিছানায় আমাকে সুখ দেবেন । আজ শশুর মশাই কাছে সারা রাতের সঙ্গী হব। আমাকে সারারাত নিজের স্ত্রী মনে করে সুখে ভরিয়ে দেবেন। আমিও উনার গলা ধরে স্বামী-স্ত্রীর মত শুয়ে থাকব। তাড়াতাড়ি রান্নাবান্না করে রজতকে স্কুলে পাঠিয়ে দিলাম।  কখন শশুর মশাই বাড়ি আসবেন সেই চিন্তায় আমি বাড়ির সদর দরজার দিকে বারবার তাকাতে লাগলাম। ঠিক বারোটার সময় একটা কালো গাড়ি মেন গেটের সামনে দাঁড়ালো। ওই গাড়ি থেকে শ্বশুর মশাই নামলেন । আমি দোতলায় উঠে যাওয়ার সিড়ির পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম।  শ্বশুর মশাই যাওয়ার সময় আমাকে বলে গেলেন- মনে আছে তো? 

আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বোঝালাম মনে আছে।

 -তাড়াতাড়ি চলে এসো। 

আমি আবার মিষ্টি হাসি দিলাম। আধ ঘন্টার মধ্যেই আমি দো-তলার এক প্রান্তে শ্বশুরমশাই ঘরে পৌঁছে গেলাম। দরজা খুলতেই দেখি শশুর মশাই ঘরের সোফার মধ্যে বসে জ্বলন্ত সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়ছেন। আমার সিগারেটের গন্ধ খুব ভালো লাগে। রজত কে কতবার অনুরোধ করেছিলাম সিগারেট খাওয়ার জন্য। কিন্তু সে আমার কথা শোনেনি। সিগারেটের গন্ধে আমার মন মোহিত হয়ে গেল। আমি আনন্দে শ্বশুরমশাই সামনে গিয়ে হালকা নৃত্য করতে লাগলাম কি মজা কি মজা গানটা ধরে। শ্বশুরমশাই সিগারেট খেতে খেতে উনার বারমুডা ভেতর হাত চালিয়ে ওটা নাড়াচাড়া করতে করতে আমাকে দেখতে লাগল। আমি খুব ভালো নাচ জানি। আগে আমার একটা নাচের টিম ছিল। শশুর মশাই সিগারেট ফেলে দিয়ে আমাকে কাছে যাওয়ার ঈশারা করলেন। আমি কাছে যেতেই কোলে বসিয়ে বললেন -  কি ব্যাপার?  কিসের মজা এত?

- মজা হবে না?  আজকে সারা রাত শশুর মশাইয়ের সঙ্গী হব। স্বামী স্ত্রীর মতো একসাথে গলা জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকবো।

-তোমার মনে আছে তাহলে?

-থাকবে না আবার? শ্বশুরমশাইয়ের ইচ্ছা বলে কথা। ভুলে গেলে হবে? বলে ওনার গলা জড়িয়ে ধরে চুম্বন করলাম। 

- -তুমি খুব সুন্দরী। তোমার কথা সবসময় মনে পড়ে। 

- আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- তাই বুঝি! 

- তুমি আমার সব। আমাকে চুম্বন করতে করতে আমার পোশাকগুলো শরীর থেকে আলাদা করে নিতে লাগলো। এরপর আমার বস্ত্রহীন বুকে মুখ রেখে আবেগে বললেন -তুমি আমার স্বপ্ন। 

আমি শ্বশুরের উঁচু পুরু বলিষ্ঠ শরীরটা এনজয় করতে ওনার গেঞ্জি পোশাকটা খুলে দিতে দিতে বললাম -কি ব্যাপার আজ এত সুনাম ? 

-তোমার মত সুন্দরী, স্মার্ট, মিষ্টি কথা বলার মেয়েকে পেয়ে যে আমার জীবন ধন্য হয়েছে। সেজন্যই তো এত সুনাম আমার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে।

-তাই বুঝি ? 

-সত্যি বলছি তোমার সব চেটেপুটে খেতে মন হয়।

- খেতে মন হলে  খাবেন। আমি বারন করিছি কি ? আমি তো খাওয়াবো বলেই এখানে এসেছি। 

- তুমি খুব সুন্দরী । বলে আমার বুকের মধ্যে মুখ রেখে চুম্বন করতে করতে জিভ দিয়ে চাটতে লাগলেন। তারপর আমার বাঁ হাতটা তুলে দিয়ে ঘামে ভেজা বগলটার মধ্যে মুখ রেখে চেটে চেটে খেতে লাগলেন। এরপর আমি ডান হাতটা তুলে দিয়ে উনার মুখটা ওখানে লাগিয়ে দিলাম। ডান হাতের বগলটাও চেটে চেটে খেলো। আবার বাঁহাত। আবার ডান হাত । কখনো বুকের মাঝে মুখ চেটেপুটে খেয়ে মিনিট ১৫ পর বলল - পা দুটো দাও। সেবা করি। শশুর মশাই কোল থেকে নেমে। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শ্বশুর মশাই দিকে তাকিয়ে মুখে আঙ্গুল ভরে হাসতে হাসতে হালকা শরীর ঝাকুনি দিতে  লাগলাম।  আমার এই স্টাইলটা সকলেই পছন্দ করে । বিশেষ করে শ্বশুরমশাইয়ের খুব পছন্দ ‌। উনি আমাকে ঐ অবস্থায়  দেখে উত্তেজিত হয়ে বললেন- তাড়াতাড়ি দাও। আমার মন মানছে না‌‌ । দাও প্লিজ। 

কিছুক্ষণ সময় নিয়ে আমি আস্তে আস্তে শোফায় বসে পা দুটো ওনার কাঁধে তুলে দিলাম। প্রথমে চুম্বন করে পা দুটো চুষতে শুরু করলেন । আমি নিজেকে খুব ধন্য মনে করলাম। তারপর আমাকে কোলে করে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে মনের মতো পিপাসা মেটালেন । তারপর বিছানায় ফেলে, আমাকে সুখে ভরিয়ে দিতে লাগলেন । বেলা তিনটে নাগাদ আমাকে মুক্তি দিলেন। আমি সুখে বিভোর হয়ে গলা জড়িয়ে ধরে বললাম - এত সুখ আমি কোনদিন পাইনি। আজ রাত্রে আমার পেটে একটা সন্তানের জন্ম দিতে হবে। দেবেন তো ?

-তুমি যা বলবে তাই করব।

আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম - ভেরি গুড বয়। আজ রাত্রে টাকার পরিমাণটা বাড়িয়ে দেবেন।

- কারণটা জানতে পারি?

- বারে! আজ সারারাত বৌমার সঙ্গে রাত কাটাবেন। তাও স্বামী স্ত্রীর মতো। তাহলে টাকার পরিমাণ বাড়াতে হবে না ?

- ঠিক আছে। পেয়ে যাবে। আজ তোমাকে বেশি বেশি জল খেতে হবে। 

আমি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে অভিনয় করে আদুরে আদুরে গলায় বললাম -খেতে হবে বৈকি। শশুরমশাইয়ের আদেশ বলে কথা। তাহলে এখন যেতে পারি?

-এসো।

-thunk ku,  বলে বিদায় নিলাম। নিচে যখন এলাম তখন রজত বাড়ি আসেনি। মনে মনে খুব খুশি হলাম। আধ ঘন্টার মধ্যে রজত বাড়ি এলো। আমি ওর সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করলাম। ও জানল না সারা দুপুর ওর বাবার সাথে আমি কি করে এলাম।

রাত্রি ৭ টার পরে আমার মোবাইলে ঘনঘন মেসেজ আসতে লাগল। আমার একাউন্টে কুড়ি  কুড়ি লাখ টাকা জমা হলো। এটা আমার শ্বশুর মশাই ট্রান্সফার করেছে। আমি নিজে খুব আনন্দ বোধ করলাম।  টাকার পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। আমার মনে হতে লাগলো শ্বশুর মশাই আমাকে আজ রাত্রে ভালোই নেবে। আমিও সেইভাবে নিজেকে তৈরি করলাম। রাত্রি নটার সময় রজত ও আমি একসঙ্গে খেতে গেলাম । রজতের খাবারের সঙ্গে একটা ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে দিলাম। ঈশ্বরকে প্রণাম করে বললাম ক্ষমা করো।  শশুরের সঙ্গে আজ সারা রাতের সঙ্গী হতে হবে। তাই এই কাজটা আমাকে করতে হলো। ওর যেন বেলা করে ঘুম ভাঙ্গে। রজত ঘুমিয়ে পড়লে রাত দশটা নাগাদ আমি পাশের বিল্ডিংয়ে দোতলা শ্বশুরমশাই ঘরে হাজির হলাম। শশুর মশাই আমাকে নিয়ে সেই রাতে  ঝড় তুললেন। যখন ভোরের পাখি ডাকলো তখন আমাকে মুক্তি দিলেন। আমি ওনার পিপাসা মিটিয়ে অপুষ্ট আলো অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে নিচে নেমে এলাম। আমার এমন অবস্থা হয়েছিল যে ভালো করে হাঁটতে পারছিলাম না ‌। নিচে এসে দেখি রজত তখনও ঘুমাচ্ছে। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিলাম। রজত কে ঘুম থেকে ডেকে তুললাম । চা করে রজতকে দিতে গেলে রজত আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল -তোমার মাথার চুলগুলো এমন অবস্থা হয়েছে কেন?

আমি মনে মনে বললাম - শুধু চুলের নয়, ভেতরে অবস্থাটা দেখলে তুমি পাগল হয়ে যাবে। কাল রাত্রে তোমার বাবা যা ঝড় তুলেছিল সেই ঝড়ে সব কিছু তছনছ করে দিয়েছে। কিন্তু সে কথা ওকে বলা যাবে না কিন্তু কিছু একটা জবাব দিতে হবে একটু ভেবে নিয়ে বললাম -আজ সকাল সকাল ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। ছাদে এক্সারসাইজ পরিমাণটা একটু বাড়িয়ে দিয়েছিলাম । তাই চুলগুলোর এই অবস্থা।

- রজব বললো বেশি বেশি ব্যায়াম করার কি দরকার আছে? একটু বুঝেশুনে করবে তো। তোমাকে চেনাই যাচ্ছে না।

আমি মনে মনে বললাম- আমি বুঝে শুনে করলে হবে ? তোমার বাবা কি বুঝে শুনে করবে ? ২০ লাখ টাকার ব‍্যাপার। আমি ভালো করে হাঁটতে পারছি না এটা যদি রজতের চোখের পরে তাহলে আবার জিজ্ঞাসা করবে কি হয়েছিল তাই বললাম -তুমি ঠিকই বলেছ। একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি। দেখো না বেশি বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে পায়ে লাগিয়ে ফেলেছি। ভালো করে হাঁটতে পারছি না ।

- কই দেখি কোথায় লেগেছে ? বলে চায়ের কাপটা টেবিলে রেখে দিয়ে আমার পায়ের দিকে তাকালো । কাছে এসো। 

আমি মনে মনে ভাবলাম -কাছে গেলে হবে না। যদি ভালো করে দেখতে চায় বা মালিশ করতে চায় তাহলে দামনার আশেপাশে লাল হয়ে থাকা ক্ষতগুলো দেখতে পাবে। আমার প্রশ্ন করবে এগুলো কি হয়েছিল । আমি তো আর বলতে পারব না তোমার বাবা মানে আমার শ্বশুরমশাই কাল রাত্রে কামনায় উত্তেজিত হয়ে এগুলো দংশন করেছে। আমি বললাম না তেমন লাগেনি। অনেকটা কমে গেছে। এখন ভালো আছি।

রজত আমার কথা শুনে টেবিল থেকে চায়ের কাপটা তুলে আবার চা খেতে যেতে বলল- একটু সাবধানে কাজ করবে। 

আমি মনে মনে বললাম- এসব কাজ সাবধানে করলে কোন ইন্টারেস্টই পাওয়া যায় না। তাছাড়া ২০ লাখ টাকার ব্যাপার হলে তো কোন কথাই নেই। মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম - ঠিক আছে! এবার থেকে চেষ্টা করব সাবধানে এক্সারসাইজ করার। বলে আমি বাথরুমে চলে গেলাম।

রান্নাবান্না করে রজতকে খাইয়ে দিয়ে  স্কুলে পাঠিয়ে দিলাম। আমি গরম জল করি ওখানটা সেক নিতে লাগলাম। কারণ ওখানটা ফুলে গিয়েছিল। বাড়িটা আজ ফাঁকা। শশুর মশাই সকালেই কলকাতা বেরিয়ে গেছেন। বিছানায় শরীর মেলে দিয়ে কাল রাতের ঘটনা গুলো চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লাম। এভাবে প্রত্যেক বুধবার শ্বশুরমশাই সঙ্গে দুপুর এবং রাত্রে সময় দিতে হতো ।  কারণ তিনি সপ্তাহে একদিন বাড়িতেই থাকতেন ।ওই সময়টা তার জন্য ঠিক করা হয়েছিল । সপ্তাহে অন্যান্য দিনগুলো আমার ভালো লাগত না। মনে মনে আমার ভীষণ ইচ্ছা ওই সময়টা অন্য পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করা । বিয়ের রাত্রে দুজন পুরুষ আমার খুব চোখে লেগেছিল। তাদের মধ্যে একজন হল রাকেশ। যে এখন মিলিটারিতে কাজ করে। অন্যজন হল আমাদের কোম্পানির ম্যানেজার। দুজনেই ভীষণ হ্যান্ডসাম। বিয়ের রাত্রে আমাকে ওরা চোখের বাইরে রাখতে চাইছিল না। এখন কি করে যে আমাকে ওরা চোখের বাইরে রেখেছে কে জানে? ফোন করি তো আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারত ।এইসব ভাবনা আমার মধ্যে মাঝে মাঝে উঁকি দিত। এভাবে তিন মাস কেটে গেল । হঠাৎ একদিন দুপুরে একটা কালো গাড়ি বাড়ির সামনে দাঁড়ালো। একজন হ্যান্ডসাম মানুষ  গাড়ি থেকে নামলেন। দারোয়ান গেট খুলে  আমার ঘরের দিকে আঙ্গুল তুলে কি যেন বলল। তারপর সেই ভদ্রলোক আমার ঘরের দিকে এগিয়ে এলো । সামনে আসতেই লোকটি আমার চেনা চেনা লাগলো। এইতো সেই ম্যানেজার বাবু। যার কথা বারবার আমার মনে পড়ে। বিয়ের রাতে উপহার নেওয়ার সময় উনার হাতের পরশ পেয়ে আমি কেমন যেন হয়ে গিয়েছিলাম। আমার কাছে এগিয়ে এলেন। নমস্কার করলেন। আমিও প্রতি নমস্কার জানালাম। উনাকে ভেতরে আসতে বললাম। রজত ইস্কুলে গেছিল। বাড়িতে আমি একাই ছিলাম । ভেতরে প্রবেশ করলে আমি ঘরে শোফায় নিয়ে গিয়ে বসালাম । 

 উনি হাসি মুখে বললেন - চিনতে পারছেন আমাকে? 

আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- চিনবো না আবার? বিয়ের রাতে দেখা হয়েছিল তাইতো? আপনার প্রেজেন্টেশনটা আমার খুব পছন্দ হয়েছিল। 

-সত্যি বলছেন?

- একদম সত্যি। সকলের চেয়ে আপনার উপহারটা আমার খুব ভালো লেগেছিল। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম আপনি  আমাদের কোম্পানি বড় ম্যানেজার।

-ঠিক কথা।

- বসুন চা করে নিয়ে আসি।

   বাইরে এসে  চা বানিয়ে নিয়ে গিয়ে  মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম- এতদিন পর হঠাৎ মনে পড়লো বুঝি? 

-আপনার কথা সবসময় মনে পড়ে। কিন্তু ফোন নাম্বারটা না থাকার জন্য ফোন করতে পারি না। এই দিকে কোম্পানির কাজে এসেছিলাম । তাই একবার দেখা করতে এলাম । 

-খুব ভালো করেছেন।

-আজ হাতে বেশি সময় নেই। কয়েকটা কথা বলবার জন্য এসেছি। আপনি যদি অনুমতি দেন তবে বলতে পারি।

--বলুন। 

-আপনি আমার চোখে খুব সুন্দরী। 

আমি মনে মনে খুশি হলাম।  অভিনয় করে  একটু মেজাজ নিয়ে বললাম-আর কিছু বলবেন? 

আমার মেজাজ কে পাত্তা না দিয়ে বললেন- আপনাকে আমার খুব পছন্দ। 

আমি আবার মনে মনে খুব খুশি হলাম। কিন্তু প্রকাশ করলাম না। আমি সেই পুরনো মেজাজে বললাম- আর কিছু?

উনি আবার  সাহসের সঙ্গে বললেন - আপনি যদি আমাকে একটা সুযোগ দেন তাহলে আপনাকে দেখার পর আমার যে মনের আশা জন্মেছে সেটা  পূর্ণ করতে পারি। 

উনার মুখের উপর প্রতিবাদ করার সাহস আমি আস্তে আস্তে হারিয়ে ফেলছি । আমার মন বলছে এই নির্জন দুপুরে তুমি তোমার মনের আশা আজকেই মিটিয়ে নাও। সামনেই বিছানা সাজানো আছে। তুমি চাইলে আমি খুশি মনে ওই বিছানায় তোমার সঙ্গী হতে আমি এখনই রাজি। তোমার মত সু-পুরুষকে আমি সবকিছু উজাড় করে দিয়ে এই দুপুরটা এনজয় করতে চাই। এরকম প্রস্তাব ওনার কাছ থেকে পাচ্ছিনা বলে আমি আবার মেজাজ নিয়ে বললাম-  আমাদের একটা কর্মচারীর এত বড় সাহস হয় কি করে?

-আপনার পাগল করা সৌন্দর্যের রূপ আমাকে পাগল করে তুলেছে। 

উনার কথা শুনে আমি আর আমার মেজাজ ধরে রাখতে পারলাম না। মনে মনে ভাবলাম তুমিও কম হ্যান্ডসাম নও তুমি আমার চোখে সবচেয়ে সুপুরুষ । আমি মাথা নিচু করে ভাবতে লাগলাম। কতখানি ভালবাসলে এমন বেপরোয়া হওয়া যায়। এরকম মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এই হ্যান্ডসাম সাহসী মানুষটার পরশ আমার চাই। বিয়ের রাতে দেখার পর থেকেই উনার জন্য আমার মন মাঝে মাঝে ভাবিয়ে তুলতো। আজ যখন হাতের কাছে পেয়েছি তখন এ সুযোগ আমি হাতছাড়া করতে চাই না । মনে মনে ভাবলাম আমি ওনার কাছে গিয়ে ওর হাত দুটো ধরে বলি । এখন এ বাড়িতে আমি একা। আমি রেডি তোমার জন্য। তুমি তোমার মনের আশা পূর্ণ কর। আবার ভাবলাম এইসব পুরুষের কাছে একবার সুখ নিয়ে আমার আসা মিটবে না। কন্টিনিউ একমাস করতে পারলে শরীর একটু তৃপ্তি পাবে। তাই ভাবলাম বাড়ির বাইরে কোথাও ওনাকে নিয়ে এনজয় করলে ভালো হবে। 

উনি আমার মুখের দিকে করুনভাবে তাকিয়ে বলল- আমি কিন্তু উত্তর পেলাম না? আমি কি উত্তর না নিয়ে চলে যাব?

ওনার কথাগুলো আমাকে পাগল করে তুললো । আমি কি বলবো ভেবে পাচ্ছিনা।  আবার  আমি মেজাজ নিয়ে বললাম - কর্মচারীকে কর্মচারীর মতো থাকতে হয় ।সম্মান দিয়ে কথা বলতে শিখুন। 

-আপনার রূপ যে আমাকে পাগল করে দিয়েছে। আজ আমি অনেক আশা নিয়ে আপনার কাছে এসেছি। আপনি যদি নিরাশ করেন তাহলে কালকে শুনবেন আমি মারা গেছি।  তারপর পাগলের মত আমার পা দুটো জড়িয়ে ধরে বলল- প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দেবেন না । আপনি একটিবার আমাকে সুযোগ দিন। আমি যা চাইবেন আমি তাই দেব।

 আমি মনে মনে ভীষণ আনন্দ পেলাম। একটু হালকা মেজাজ নিয়ে করুন সুরে বললাম - আমি তো বিবাহিত। 

-সেটা আমি জানি।

- একটা বিবাহিত মেয়ের কাছে কতটুকু সুখ আশা করেন?

- আমার যতটা দরকার ততটা আশা করি। 

-আমি কি অতটা দিতে পারব?

-আমার ধারণা আপনি তার চেয়ে অনেক বেশি দিতে পারবেন ।

-ঠিক আছে । চেষ্টা করব আপনাকে একটা সুযোগ দেবার।

-থ্যাঙ্ক ইউ।

- আপনি যদি আমাকে এতই ভালোবাসেন তাহলে তো ফোন করতে পারতেন ।

- আমি অনেক চেষ্টা করেছিলাম। আমার বস মানে আপনার শ্বশুরমশাই কাছে আপনার ফোন নাম্বারটা অনেকবার চেয়েছি। কিন্তু উনি দিতে রাজি হননি । 

-সত্যি কথা বলছেন?

- আপনার কি মনে হয় আমি মিথ্যা বলছি?

- আমার শ্বশুর আপনার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করে? -ভালো নয় । আমার সঙ্গে ভীষণ খারাপ ব্যবহার করে। কারণে অকারণে অপমান করে।

-আগে করত? না এখন করে ?

-এখন বেশি বেশি করে। আমার মনে হয় আমি আপনাকে ভালোবাসি সেটা বুঝতে পেরেছে।

- আমাকে ভালোবাসার জন্য আপনি অপমানিত হন?

-আমার সেটাই মনে হয় । 

-বদলা নিতে চান ? 

-কিভাবে?

 আমি যে সুযোগটা দেব সেটা নিতে হবে।

- আমি রাজি।

- আমার শ্বশুরমশাই অর্থাৎ আপনার বসের সামনেই আমাকে নিয়ে খেলতে হবে।। যদি রাজি থাকেন তাহলে আমি খুশি হব।

- আমি রাজি। 

-good! শুধু খেললে হবে না । আপনার বসকে কুকুরের মত ব্যবহার করতে হবে।

-এটা কি সম্ভব?

- আমি সাহায্য করবো । আমি  খেলার মাঠটা  রেডি করে রাখবো। আপনি শুধু খেলবেন। রাজি আছেন?

-কবে সুযোগটা পাবো ?

-সামনে সপ্তাহতেই চেষ্টা করব। দীঘাতে জমিয়ে খেলা হবে। টানা দু-মাস খেলতে হবে। ভালো দেখে একটা রুম ভাড়া করুন।

-আপনার কথা শুনে ভীষণ খুশি হলাম।  

- আমার খুব মন হচ্ছিল এই নির্জন দুপুরে ম‍্যানজারের শরীরটাকে এনজয় করতে।

 বললাম - আপনি একা খুশি হলে হবে না। আমাকেও তো খুশি করতে হবে। 

-অবশ্যই করবো। আপনি যখন যা বলবেন আমি তাই করবো ।

-থ্যাঙ্ক ইউ! আমি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললাম আমি যা বলব শুধু তাই করলে হবে না । আমি যতক্ষণ বলবো ততক্ষণই করতে হবে । 

-সেদিকে আপনি চিন্তা করবেন না । আপনি নিতে পারলেই হবে।

 -তাই বুঝি ! আমার মন ছটফট করছে ম্যানেজারের কাছে সুখ নেবার জন্য।

 ওকে উত্তেজিত করতে বললাম - আপনার ওটার সাইজ আমার মনের মত হবে তো ? 

- আপনি নিজের চোখে দেখে নিতে পারেন। 

-o k আমি আস্তে আস্তে ম্যানেজারে পাশে বসে প্যান্টের উপর হাত বুলিয়ে প্যান্টের বেল্ট ও চেইন টা খুলে ফেললাম।  জাঙ্গিয়া টা ভেতর থেকে নিচে নামিয়ে দিতেই  ওটা সোজা আমার নাকে আঘাত করলো। 

আমি অবাক হয়ে বললাম -ভেরি গুড ! বিয়ে করেছেন নাকি?

- করেছি। 

-তাকে তাড়াতাড়ি বিদায় করুন। এটা শুধু আমার জন্য থাকবে। আমি ওটা হাতে ধরে নাড়াচাড়া করতে লাগলাম‌। আমার খুব মন হচ্ছিল ওটা দিয়ে সুখ নেবার । বললাম- আজকে খুব তাড়া আছে? আমার জন্য একটু সময় দেয়া যাবে না?

 ম্যানেজার বলল -এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে। 

- কোনভাবে যদি একটু সময় ম্যানেজ করা যেত।

-বিশ্বাস করুন একটুও সময় নেই। এতক্ষণ আমার কলকাতার  পৌঁছানোর কথা।

- ঠিক আছে ! তাহলে আসুন । সামনে সোমবার দিঘায় দেখা হবে।

 -ঠিক আছে ম্যাম ।

আমি আবেগে ওর হাতটা ধরে বলি -আমি আপনার ম্যাম নই । এবার থেকে আমাকে তুমি বলে সম্বোধন করবে। - -ঠিক আছে । ভুল হবেনা ।আসছি। বলে চলে গেল। অদ্ভুত মানুষ ঝড়ে গতিতে এসে আমার মনটাকে জয় করে ঝড়ের গতিতে বেরিয়ে গেল।

৬ পর্ব দেখুন