ক্লাস ফাইভ আমাদের পরিবেশ প্রথম পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর সহ আলোচনা - school book solver

Wednesday, 18 February 2026

ক্লাস ফাইভ আমাদের পরিবেশ প্রথম পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর সহ আলোচনা



আমাদের পরিবেশ 

পঞ্চম শ্রেণী 

প্রথম পরীক্ষা


প্রশ্ন: আমাদের শরীরে বর্ম কোনটা?


উত্তর : আমাদের শরীরে বর্ম হল চামড়া বা ত্বক।

প্রশ্ন: চামড়া বা ত্বকের কাজ কী ?

উত্তর : চামড়া বা ত্বকের কাজ হল, আমাদের শরীরকে বাইরের আঘাত ও সূর্যের আলোর অদৃশ্য অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে চামড়া বা ত্বককে বাঁচানো।


প্রশ্ন:  চামড়া বা ত্বকের নীচে কী কী আছে?

উত্তর : চামড়া বা ত্বকের নীচে মাংসপেশি, নার্ভ, শিরা, ধমনি রয়েছে।


প্রশ্ন: চামড়া বা ত্বকের কাজ কী ? আমাদের শরীরের সব জায়গার চামড়া বা ত্বক কি একরকম?

উত্তর : না, আমাদের শরীরের সব জায়গার চামড়া একরকম নয়। কোথাও পাতলা, কোথাও পুরু, আবার কোথাও কোঁচকানো, আবার কোথাও টান টান।

প্রশ্ন: চামড়া আর কোন্ কোন্ কাজে লাগে?

উত্তর ঃ চামড়া দিয়ে ব্যাগ, বেল্ট, জুতো সহ আরও অনেক কিছু তৈরি হয়।


প্রশ্ন: গন্ডারের চামড়া পুরু না পাতলা?

উত্তর ঃ গন্ডারের চামড়া পুরু অর্থাৎ খুব মোটা।


প্রশ্ন: চামড়া কীভাবে, কাদের বাঁচায় ?

উত্তর : চামড়ার নীচে থাকে মাংসপেশি, শিরা-ধমনি। এদের বাঁচায় চামড়া। তা না হলে সামান্য আঘাতেই রক্ত পড়ত।


প্রশ্ন: শিরা-ধমনি দেখতে কেমন ?

উত্তর : শিরা-ধমনি দেখতে সব নলের মতো। চামড়ার নীচে নলগুলি ফুলে রয়েছে। এসব নলের আবার শাখাও আছে।


প্রশ্ন: শিরা-ধমনি কোথায় থাকে?

উত্তর ঃ শিরা থাকে চামড়ার ঠিক নীচে। আর ধমনি থাকে শরীরের ভিতর দিকে।


 প্রশ্ন: তোমার বিচারে চামড়া কি সত্যিই শরীরের বর্ম?

উত্তর : হ্যাঁ। চামড়া শরীরকে বাইরের আঘাত বা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচায়। শিরা-ধমনিও চামড়া বা বর্ম থাকার ফলে আঘাতের হাত থেকে রক্ষা পায়।


 প্রশ্ন: আমাদের শরীরের সব জায়গার ত্বক কি একইরকম পুরু?

উত্তর : না, আমাদের শরীরের ত্বক বা চামড়া কোথাও পাতলা আবার কোথাও পুরু।


প্রশ্ন: শরীরের সব জায়গায় শিরা দেখা যায় না কেন?

উত্তর : শরীরের যেখানে ত্বক পাতলা সেখানে শিরা দেখা যায়। আর যেখানে ত্বক মোটা সেখানে দেখা যায় না।


প্রশ্ন: আমাদের শরীরে ত্বক কোনো কোনো জায়গায় বেশি মোটা হয় কেন?

উত্তর : আমাদের শরীরে যেখানে সবচেয়ে বেশি ঘষাঘষি হয় ও চাপ পড়ে সেখানের ত্বক মোটা হয়।


প্রশ্ন: হাতের চেটোর দিকে শিরা দেখা যায় কী?

উত্তর ঃ না। কারণ এই চামড়া বেশ পুরু বা মোটা।


প্রশ্ন: হাতের কোন্ দিকটায় বেশি ঘষাঘষি হয় ?

উত্তর : চেটোর দিকটায়।


প্রশ্ন: পায়ের তলার চামড়া কেমন?

উত্তর : পায়ের তলায় চামড়া অনেক পুরু। গোড়ালির কাছটা সবচেয়ে পুরু।


প্রশ্ন: গোড়ালির চামড়া পুরু কেন ?

উত্তর : গোড়ালির ওপর শরীরের সব ভার পড়ে। গোড়ালিতে বেশি ঘষাঘষি হয়। তাই গোড়ালির চামড়া পুরু।


প্রশ্ন: চামড়া কতটা পুরু তা মাপবে কীভাবে ?

উত্তর : হাতের চামড়াটা দু-আঙুল দিয়ে ধরে, তারপর ছোটো স্কেল দিয়ে মাপতে হবে।


প্রশ্ন:  আমাদের ত্বকের কয়টি স্তর ও কী কী?

উত্তর : আমাদের ত্বকের দুইটি স্তর। একটি স্তরে জলের মতো কিছু থাকে, অন্যস্তরে রক্ত থাকে।

প্রশ্ন:  ওপরের স্তরে কি রক্ত থাকে?

উত্তর : না, ওপরের স্তরের ত্বকে রক্ত থাকে না, ওপরটা মরা।


প্রশ্ন:  পুড়ে গেলে কী করতে হয়?

উত্তর ঃ পুড়ে গেলে ঠান্ডা জল বা বরফ লাগাতে হয় যতক্ষণ জ্বালা করে।


প্রশ্ন:  কেটে বা ছড়ে গেলে কী করবে?

উত্তর : জল দিয়ে ধুয়ে ঠান্ডা বরফ লাগিয়ে ওষুধ লাগাবো।


প্রশ্ন: ফোস্কা পড়লে কী করতে হয়?

উত্তর ঃ ফোস্কা পড়লে ওপরের ত্বকে সঙ্গে সঙ্গে বরফ লাগাতে হবে।


 প্রশ্ন: বেশি পুড়ে গেলে কী করা দরকার?

উত্তর ঃ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নেওয়া দরকার।


প্রশ্ন:  কাদের মুখের ও কপালের চামড়ায় টান ভাব নেই?

উত্তর : বৃদ্ধদের।


প্রশ্ন: চামড়া কুঁচকে যায় কেন ?

উত্তর ঃ মোটা থেকে রোগা হলে বা বৃদ্ধ হলে মানুষের শরীরটা ছোটো হয়ে যায়। কিন্তু চামড়া ছোটো হতে পারে না। অল্প আয়তনের ফলে তাই চামড়া কুঁচকে যায়।


প্রশ্ন:  চামড়ার রং কালো হয় কেন ?

উত্তর : মেলানিন নামের একটা জিনিসের জন্য।

প্রশ্ন:  শরীরে মেলানিন তৈরি করতে কী সাহায্য করে?

উত্তর : রোদ।


প্রশ্ন:  কোন্ চামড়া রোগের বিরুদ্ধে বেশি লড়াই করতে পারে?

উত্তর : কালো চামড়া।


প্রশ্ন:  মেলানিনের কাজ কী কী ?

উত্তর : শরীরে মেলানিন বেশি থাকলে চামড়ার রং কালো হয়। আবার, কম থাকলে চামড়ার রং ফর্সা হয়। সাহেবদের রং ফর্সা, তাদের চামড়ায় মেলানিন কম থাকে। তাই তারা রোদে বসে সূর্যস্নান করে। চুলও সাদা হয়ে যায়। এ ছাড়া মেলানিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নিয়ে ক্যানসার আটকায়।


প্রশ্ন:  অনেকের চামড়ায় সাদা সাদা ছোপ পড়ে কেন?

উত্তর ঃ অনেকের সাদা ছোপ পড়ে, সেখানে মেলানিন তৈরি হয় না। অপুষ্টি ও অসুখ থেকেই এমন হয়।


প্রশ্ন: ভিটামিন-ডি কীভাবে তৈরি হয়?

উত্তর : চামড়ায় রোদ লাগালে ভিটামিন-ডি তৈরি হয়।

প্রশ্ন: ভিটামিন-ডি কী কাজ করে ?

উত্তর : ভিটামিন-ডি শিশুদের রোগ আটকায়। এই রোগে শিশুদের হাত ও পা সরু হয়।

 প্রশ্ন: ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে কী বেরিয়ে যায়?

উত্তর : ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে বর্জ্য ও নুন বেরিয়ে যায়। নুন নয়, বর্জ্য বেরিয়ে যাওয়া ভালো।


প্রশ্ন:   বেশি ঘাম বের হলে কী খেতে হবে ও কেন ?

উত্তর : নুন জল খেতে হবে। তা নয়তো মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।


প্রশ্ন: আগে কালো চামড়ার মানুষদের কী বলা হত ?

উত্তর : অসভ্য। কিন্তু তারা নিজেদের সম্মানের জন্য অনেক লড়াই করেন।


 প্রশ্ন: কালো চামড়ার মানুষেরা নিজেদের সম্মানের জন্য কী করে?

উত্তর : তারা নিজেদের সম্মানের জন্য অনেক লড়াই করতে পারে। পৃথিবীর ইতিহাসে এসব মানুষেরা লড়াই করে

নিজেদের সম্মান বা স্বাধীনতা আদায় করেছেন।


 প্রশ্ন: পৃথিবীর কয়েকজন কালো মানুষের নাম করো যাঁরা মানুষদের সম্মানের জন্য লড়েছেন?

উত্তর ঃ নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং, মহাত্মা গান্ধি ইত্যাদি।


প্রশ্ন:  আজকের দিনে অপরাধের সামিল কোনটি ?

উত্তর : চামড়ার রং দেখে মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ।


প্রশ্ন:  চুলের গোড়া কোথায় আটকে থাকে?

উত্তর : চামড়ার খুব গভীরে।


প্রশ্ন: প্রাণীর গায়ে লোম বেশি থাকে কেন?

উত্তর ঃ প্রাণীর গায়ে লোম, চুল, পালক সব কিছুর গোড়া চামড়ার ভিতরের পর্দায় থাকে। এর ফলে প্রাণীর গায়ে লোম বেশি থাকে।


প্রশ্ন: চামড়া ছাড়া প্রাণীর দেহে লোম, চুল, পালক থাকে কেন?

উত্তর ঃ চামড়া শরীরকে রক্ষা করে। আবার নিজেকেও প্রথম ধাক্কা থেকে বাঁচাতে চায়। তাই প্রাণী নিজে থেকেই দেহের ওপরে লোম, চুল, পালক, আঁশ তৈরি করে নেয়।


প্রশ্ন: কোন্ কোন্ প্রাণীর দেহের ওপরের স্তরের নাম কী কী?

উত্তর ঃ মানুষের মাথায় থাকে চুল, গায়ে থাকে লোম। পাখির গায়ে থাকে পালক, মাছের ও সাপের গায়ে আছে আঁশ, কিন্তু ব্যাঙের গায়ে আঁশ, পালক বা লোম কিছুই নেই।


প্রশ্ন: বয়স বাড়লে চুল সাদা হয়ে যায় কেন ?

উত্তর : বয়স বাড়লে মেলানিন কমে যায়, তাই চুল সাদা হয়ে যায়।


প্রশ্ন: বিড়ালের নখ কোথায় থাকে ও কী করে ?

উত্তর : বিড়ালের নখ থাবার মধ্যে লুকানো থাকে, বাইরে থেকে দেখা যায় না। কিছু ধরার সময় নখ বাইরে বেরিয়ে আসে।


প্রশ্ন: কুকুরের নখ কেমন ?

উত্তর ঃ কুকুরের নখ ধারালো। বাইরে থেকে দেখা যায়। কিন্তু ওই নখ বিড়ালের মতো থাবায় লুকানো থাকে না।


প্রশ্ন: শিকারি পাখিদের নখ কেমন?

উত্তর ঃ শিকারি পাখিদের নখ হুকের মতো আর বাঁকানো ও সূঁচালো। ওরা নখ দিয়ে, নানা জিনিস ধরে উড়ে বেড়ায়।


প্রশ্ন: গোরু, ছাগল ও ভেড়ার নখ কেমন ?

উত্তর : গোরু, ছাগল ও ভেড়ার নখ হল খুর। ওরা শিকার ধরে না বলে নখ ভোঁতা।


প্রশ্ন:  মানুষের নখ বাড়ে না কেন?

উত্তর : মানুষ নখ বড়ো হলে কেটে ফেলে। তাই নখ বাড়ে না।


 প্রশ্ন: পশুপাখিদের নখ বড়ো হলে ওরা কী করে ?

উত্তর : পশুপাখিদের নখ বড়ো হলে ওরা নখ ঘষে ঘষে বাড়তে দেয় না।


 প্রশ্ন: ত্বক, চুল ও নখ কীভাবে শরীরের অন্য অঙ্গকে বাঁচায় ?

উত্তর : ত্বক, চুল ও নখের নিয়মিত যত্ন করতে হয়। সাবান, জল দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়। তেল, ক্রিম লাগাতে হয়। নখের অযত্ন হলে জীবাণু ঢুকে নখকুনি হয়। ত্বক বা চামড়ায় ফুসকুড়ি, দাদ-হাজা, চুলকানি হয়। চুলের অযত্নে খুস্কি, উকুন হয়।


প্রশ্ন:  হাড় শরীরের কোথায় থাকে?

উত্তর : শরীরের মাংসপেশির ভিতরে হাড় থাকে।

 প্রশ্ন: মানুষের শরীরে সব হাড়ের আকার কী সমান?

 উত্তর : না, মানুষের শরীরে নানা আকারের ও মাপের হাড় থাকে।


প্রশ্ন: আমাদের শরীরের কাঠামো কী?

উত্তর ঃ হাড় হল আমাদের শরীরের কাঠামো।


প্রশ্ন: বুড়ো আঙুলে ও তর্জনীতে কটি ভাঁজ হয় ?

উত্তর : বুড়ো আঙুলে দুটো ও তর্জনীতে তিনটে ভাঁজ হয়।


প্রশ্ন: কবজি থেকে পাঁচটি আঙুলে মোট কটা হাড় আছে?

উত্তর ঃ পাঁচটি।


 প্রশ্ন: আমাদের শরীরে মোট কটি হাড় আছে তা কীভাবে জানা যাবে ?

উত্তর : যে-কোনো মানুষের কঙ্কাল দেখে।


প্রশ্ন: কনুই থেকে কাঁধ পর্যন্ত হাড়টি কেমন?

উত্তর : নলের মতো।


 প্রশ্ন: কোমড় থেকে হাঁটু পর্যন্ত হাড়টি কেমন ?

উত্তর : নলের মতো।


প্রশ্ন: আঙুলের ডগার হার কেমন?

উত্তর : ছোটো।


প্রশ্ন: অস্থিসন্ধি কাকে বলে?

উত্তর ঃ হাড়ের জোড়কে বলে অস্থিসন্ধি।


প্রশ্ন: লিগামেন্ট কাকে বলে ?

উত্তর ঃ দড়ির মতো একরকম জিনিস যা অস্থিসন্ধিতে হাড়গুলির সঙ্গে লাগানো থাকে, তাকে লিগামেন্ট বলে।


 প্রশ্ন: হাড় অস্থিসন্ধিতে কী দিয়ে লাগানো থাকে?

উত্তর : লিগামেন্ট নামক দড়ির মতো জিনিসের সাহায্যে হাড় অস্থিসন্ধিতে লাগানো থাকে।


প্রশ্ন: হাড়কে কী সতেজ ও শক্ত রাখে?

উত্তর ঃ ক্যালশিয়াম হাড়কে সতেজ ও শক্ত রাখে।


প্রশ্ন:  কাঁধ, কোমড়, হাত ও পায়ের অস্থিসন্ধির মাঝখানে কী থাকে?

উত্তর : কাঁধ, কোমড়, হাত ও পায়ের অস্থিসন্ধির মাঝখানে একরকম হড়হড়ে তরল থাকে।


প্রশ্ন: অস্থিসন্ধি খুব নমনীয় থাকে কীভাবে?

উত্তর : জিমনাস্টিকস করলে।


 প্রশ্ন: কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত হাড়কে কী বলে?

উত্তর : আলনা ও রেডিয়াস।


প্রশ্ন: কাঁধ থেকে কনুই পর্যন্ত হাড়কে কী বলে?

উত্তর : হিউমেরাস।


প্রশ্ন: মেরুদণ্ডের হাড়কে কী বলে ?

উত্তর : ভার্টিব্রা বা কশেরুকা।


প্রশ্ন: কোমড় থেকে হাঁটু পর্যন্ত হাড়কে কী বলে ?

উত্তর ঃ ফিমার।


প্রশ্ন: হাঁটুর নীচ থেকে গোড়ালি পর্যন্ত হাড়কে কী বলে?

উত্তর : টিবিয়া ও ফিবুলা।


প্রশ্ন: কী কমে গেলে হাড়ের নড়াচড়া করতে অসুবিধা হয়?

উত্তর ঃ একরকম হড়হড়ে তরল পদার্থ। 


প্রশ্ন: পেশি কী ?

উত্তর ঃ হাড়ের এক জায়গায় শুরু হয়ে অন্য জায়গায় শেষ হয় পেশি। এমনিতে নরম হলেও টানটান করলেই শক্ত হয়ে যায়।

প্রশ্ন: পেশি আমাদের কী সাহায্য করে?

উত্তর : পেশি আমাদের যে-কোনো কাজ করতে সাহায্য করে।


প্রশ্ন: আমাদের শরীরের কোন্ অংশে শুধুই পেশি ?

উত্তর : চোখ, জিভ এবং কানে শুধুই পেশি।

প্রশ্ন: কি খেলে পেশি জোরালো হবে?

উত্তর : মাছ-মাংস, ডিম, মাশরুম, ডাল, সয়াবিন, লেবু ইত্যাদি খেলে পেশি জোরালো হবে।


প্রশ্ন: কী করলে পেশি জোরালো হয়?

উত্তর : খেলাধুলা ও শরীরচর্চা (জিমনাস্টিক, যোগব্যায়াম করলে পেশি জোরালো হয়।

 প্রশ্ন: আমাদের হাড় না থাকলে কী হত?

উত্তর : চলাফেরা কেঁচোর মতো হয়ে যেত।


প্রশ্ন: কোন্ কোন্ প্রাণীর পেশির জোর কীরকম ?

উত্তর : বাঘের মুখের পেশির জোর বেশি, পাখির ডানার পেশি শক্তপোক্ত, আর কেঁচোর তো শুধুই পেশি।


প্রশ্ন: স্টেথোস্কোপের যে দিকটা বুকে ঠেকায় সেটা দেখতে কীরকম?

উত্তর : ছোটো ফানেলের মতো।


 প্রশ্ন:  স্টেথোস্কোপটা বুকে ঠেকালে কী শোনা যায় ?

উত্তর : বুকের ভিতর ধুপুক বা ধপ্ শব্দ।


 প্রশ্ন: ধুকপুক শব্দটা কখন বেড়ে যায় ?

উত্তর ঃ দৌড়ে গেলে আর দৌড়ে ফিরলে।


 প্রশ্ন: আমাদের শরীরে হৃদপিণ্ড কোথায় থাকে?

 উত্তর ঃ বুকের বাঁদিকে আমাদের হৃদপিণ্ড থাকে।


প্রশ্ন: হৃদপিণ্ডের কাজ কী ?

উত্তর ঃ হৃদপিণ্ডের কাজ হল আমাদের শরীরের রক্তকে পাম্প করে সমস্ত শরীরে পৌঁছে দেওয়া।


 প্রশ্ন: রক্তের কাজ কী ?

উত্তর : রক্তের কাজ হল সমস্ত শরীরে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছে দেওয়া এবং রেচন পদার্থ বয়ে নিয়ে আসা।


প্রশ্ন: হৃদপিণ্ড কি সব সময় সচল থাকে?

উত্তর ঃ হ্যাঁ, জীবিত অবস্থায় হৃপিণ্ড সব সময় সচল থাকে।


প্রশ্ন: ফোঁড়ার কাছে ওষুধটা যাবে কীভাবে?

উত্তর : ওষুধ রক্তের সঙ্গে গুলে যাবে ও সেই রক্ত হৃদপিণ্ড পাম্প করে ফোঁড়ায় পাঠাবে।


প্রশ্ন: বাতাসের সাহায্যে শরীরে প্রবেশ করে কোন্ কোন্ রোগের জীবাণু ? (দু-একটির নাম লেখো)

উত্তর : যক্ষ্মা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ফ্লু ইত্যাদি।


প্রশ্ন: যক্ষ্মা রোগের জীবাণু কার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রথম প্রবেশ করেছিল?

উত্তর : গোরুর মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের জীবাণু মানুষের শরীরে প্রথম প্রবেশ করেছিল।


প্রশ্ন: যক্ষ্মা রোগের জীবাণু আবিষ্কার হয় কবে?

উত্তর ঃ প্রায় ১৩০ বছর আগে যক্ষ্মা রোগের জীবাণু আবিষ্কার হয়।


প্রশ্ন:  যক্ষ্মা রোগের লক্ষণগুলি কী কী?

উত্তর : প্রথম প্রথম বিকেলের দিকে জ্বর, রাতে শাসকষ্ট, অরুচি, বুকে ব্যথা, প্রচুর কফ ওঠা এবং রোগ বাড়লে কাশির সঙ্গে তাজা রক্ত ওঠা। ওজন ক্রমশ কমতে থাকে।


প্রশ্ন:  যক্ষ্মা কি বংশগত রোগ?

উত্তর : না


প্রশ্ন:  শুধু কি কফ্, হাঁচিতে রোগ ছড়ায়?

উত্তর : না, থুথু থেকেও রোগ ছড়ায়।


প্রশ্ন:  যক্ষ্মা রোগ কোথায় বেশি হয়?

উত্তর : ফুসফুসে।


প্রশ্ন: ফুসফুস দিয়ে আমরা কী করি?

উত্তর : ফুসফুস দিয়ে আমরা শ্বাস নিই আর ছাড়ি।


 প্রশ্ন: যক্ষ্মা রোগ কতদিনে সারে?

উত্তর : যক্ষ্মা রোগ হলে বছরখানেক হাসপাতালে DOT চিকিৎসা করাতে হয়। ভালো খাবার খেতে হয়। দূষণমুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিতে হয়। তাহলেই পুরো সেরে যায়।

 প্রশ্ন: কবে থেকে যক্ষ্মা রোগ মানুষের হচ্ছে?

উত্তর : সাত-আট হাজার বছর আগে মানুষের কঙ্কালে এই রোগের জীবাণু পাওয়া গেছে। জলের সঙ্গে জীবাণু


প্রশ্ন: যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসার নাম কি? 

উত্তর: DOT


প্রশ্ন: মানুষের যক্ষ্মা রোগ হয় কেন?

উত্তর : ধুলো-ধোঁয়া ভরা বাতাসে বাস করলে, খুব পরিশ্রম করলে, ঠিকমতো না খেলে ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে না

উঠলে যক্ষ্মা রোগ হয়।


প্রশ্ন:  কলেরা রোগের প্রতিষেধক কী ?

উত্তর : বি.সি.জি টিকা।


প্রশ্ন: ঘোলা জলের মতো বমি ও পায়খানা করলে কী খাওয়ানো একান্ত দরকার ?

উত্তর : নুন-চিনির জল বারবার খাওয়াতে হবে।

 প্রশ্ন: নুন-চিনির জল বারবার খাওয়াতে হবে কেন ?

উত্তর : বমি-পায়খানা বারবার করলে শরীরে নুন আর জল কমে যায়। এটা খেলে তা পূরণ হবে।


 প্রশ্ন: জল কীভাবে ফোটাতে হবে?

উত্তর : জল অন্তত কুড়ি মিনিট ফোটাতে হবে।


প্রশ্ন:  সাধারণত কলেরা হয় কেন?

 উত্তর ঃ প্রধানত দূষিত জল পান করা এবং আঢাকা খাবার বা পানীয় খেলেও কলেরা হয়।


প্রশ্ন: কলেরার পায়খানা কীরকম হয়

উত্তর : কলেরার পায়খানা চাল ধোয়া জলের মতো হয়। এতে আঁশটে গন্ধ থাকে।


প্রশ্ন:  স্টেথোস্কোপ কারা ব্যবহার করেন ?

উত্তর : ডাক্তারবাবুরা।


প্রশ্ন: আজ থেকে কত বছর আগে স্টেথোস্কোপ আবিষ্কৃত হয় ?

উত্তর : ১৮১৯ সালে।


প্রশ্ন: স্টেথোস্কোপের আবিষ্কর্তা কে ছিলেন?

উত্তর : ফ্রান্সের রেনে লিনেক।


প্রশ্ন: বড়ো হয়ে রেনে লিনেক কী হয়েছিলেন ?

উত্তর : বড়ো হয়ে রেনে লিনেক ডাক্তার হয়েছিলেন।


প্রশ্ন: রেনে লিনেক কী নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতেন ?

উত্তর : রেনে লিনেক সবসময় ডাক্তারির নানা বিষয় ও ফুসফুস নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতেন।


সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো ঃ

পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের জন্য প্রশ্নোত্তর

(ক) আমাদের শরীরের বর্ম হল- (i) চামড়া (ii) ধমনি (iii) শিরা (iv) মাংসপেশি।

উত্তর-চামড়া


(খ) আমাদের শরীরকে বাইরের আঘাত থেকে বাঁচায় - (i) অস্থি (ii) শিরা (iii) চামড়া (iv) খাদ্য নালী।

উত্তর-চামড়া


(গ) চামড়া বা ত্বকের নীচেই আছে—(i) খাদ্য নালী (ii) গলা (iii) হাড় (iv) মাংসপেশি।

উত্তর- মাংসপেশি


(ঘ) শরীরের ভিতরে থাকে- (i) চোখ (ii) চর্ম (iii) ধমনি (iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- ধমনি


(ঙ) আমাদের শরীরের চামড়া পুরু হয়—(i) গোড়ালিতে (ii) চোখে (iii) পেটের (iv) বুকের।

উত্তর- গোড়ালিতে


(চ) চামড়ার ব্যবহারে পরিবেশ দূষিত হয়—(i) কম (ii) বেশি (iii) সবকটি (iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- কম


(ছ) আমাদের শরীরে ফোস্কা পড়লে কী করা হয়-

(i) ত্বকে গরম জল দিতে হয় (ii) ত্বকে বরফ লাগাতে হয় (iii) দুটোই করতে হয় (iv) কিছুই করতে হয় না।

উত্তর- ত্বকে বরফ লাগাতে হয়


(জ) ত্বকের স্তর সংখ্যা—(i) ১টি (ii) ২টি (iii) ৩টি (iv) ৪টি।

উত্তর- ২টি


(ঝ) রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে—(i) সাদা চামড়া (ii) কালো চামড়া (iii) কোনোটিই নয় (iv) সবকটি।

উত্তর- কালো চামড়া


(ঞ) চামড়ায় সাদা সাদা ছোপ পড়ার কারণ—

(i) চামড়ায় মেলানিন বেশি তৈরি হলে (ii) চামড়ায় মেলানিন তৈরি না হলে (iii) সবকটির জন্য (iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- চামড়ায় মেলানিন তৈরি না হলে


(ট) ভিটামিন ডি-এর অভাবে-

(i) শিশুদের হাত ও পা সরু হয়ে যায় (ii) শিশুদের মাথা ছোটো হয়ে যায় (iii) শিশুদের হাত ও পা মোটা হয়ে যায়

(iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- শিশুদের হাত ও পা সরু হয়ে যায়


(ঠ) মানুষের গায়ে থাকে- (i) চুল (ii) পালক (iii) লোম (iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- লোম

(ড) বয়স বাড়লে চুল সাদা হওয়ার কারণ—

(i) মেলানিন বেড়ে যায় (ii) মেলানিন কমে যায় (iii) লিপিড বেড়ে যায় (iv) লিপিড কমে যায়।

উত্তর- মেলানিন কমে যায়


(ঢ) লোম/চুল-এর কাজ হল-

(i) সৌন্দর্য রক্ষা করা (ii) আঘাত থেকে রক্ষা করা (iii) কাউকে আঘাত করা (iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- আঘাত থেকে রক্ষা করা 


(ণ) নখের রং হল- (i) সাদা (ii) লাল (iii) নীল (iv) গোলাপি ।

উত্তর- গোলাপি


(ত) নখের কাজ হল-

(i) আঙুলের ডগাকে রক্ষা করা (ii) কাউকে আঘাত করা (iii) খাওয়া সুবিধা করা (iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- আঙুলের ডগাকে রক্ষা করা


(থ) শিকারী পাখির নখ- (i) লম্বা (ii) গোলাকার (iii) হুকের মতো (iv) থাবার মতো।

উত্তর- হুকের মতো


(দ) আমাদের শরীরে হাড়ের সংখ্যা- (i) ১০০টি (ii) ২০০ টি (iii) ২০৫ টি (iv) ২০৬টি।

উত্তর- ২০৬টি


(ধ) আমাদের শরীরের কাঠামো হল- (i) হাড় (ii) রক্ত (iii) চর্ম (iv) মাংস দিয়ে।

উত্তর- হাড়


(ন) অস্থি বা হাড়কে সতেজ ও শক্ত রাখে- (i) পটাশিয়াম (ii) ক্যালশিয়াম (iii) অক্সিজেন (iv) নাইট্রোজেন।

উত্তর- ক্যালশিয়াম


(প) মেরুদণ্ডের হাড়কে বলে- (i) কশেরুকা (ii) ক্যালশিয়াম (iii) পটাশিয়াম (iv) লিগামেন্ট।

উত্তর- কশেরুকা


(ফ) নীচের কোনটি খেলে পেশি শক্ত হয় ?(i) চাউমিন (ii) মুড়ি (iii) হলুদ (iv) মাছ।

উত্তর- মাছ


(ব) যাদের হাড় থাকে না তাদের বলে- (i) মেরুদণ্ডী প্রাণী (ii) অমেরুদণ্ডী প্রাণী (iii) দুটোই (iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- অমেরুদণ্ডী প্রাণী


(ড) রক্তের কাজ হল –(i) রেচন পদার্থ বয়ে নিয়ে যাওয়া (ii) খাদ্য পরিমাপ করা (iii) হাঁটা-চলা করা (iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- রেচন পদার্থ বয়ে নিয়ে যাওয়া 


(ম) ফুসফুস দিয়ে আমরা—(i) খাদ্য পরিমাপ করি (ii) রক্ত চলাচল করাই (iii) শ্বাস নিই (iv) খাদ্য গ্রহণ করি

উত্তর- শ্বাস নিই 


(য) কলেরা রোগ হয়-

(i) দূষিত জল পান করলে (ii) ফুটানো জল পান করলে (iii) ঢাকা দেওয়া খাবার খেলে (iv) কোনোটিই নয়।

উত্তর- দূষিত জল পান করলে


(র) স্টেথোস্কোপ আবিষ্কৃত হয়—(i) ১৮১৮ সালে (ii) ১৮৯৯ সালে (iii) ১৮১৯ সালে (iv) ১৯১৯ সালে।

উত্তর- ১৮১৯ সালে।



২। সঠিক বাক্যের পাশে (v) আর ভুল বাক্যের পাশে (x) চিহ্ন দাও :

(ক) চামড়া বা ত্বকের নীচে মাংশপেশি রয়েছে। 

উত্তর- √

(খ) চামড়া শরীরকে লাল রশ্মি থেকে বাঁচায়। 

উত্তর- ×

(গ) গোড়ালির চামড়া পুরু হয়।

উত্তর- √

 (ঘ) কালো চামড়া রোগের বিরুদ্ধে বেশি লড়াই করে। 

উত্তর- ×


(ঙ) ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে বর্জ্য ও নুন বেরিয়ে যায় না।

উত্তর- ×

 (গ) প্রাণীর গায়ে লোম বেশি থাকার কারণ—এদের গোড়া ভিতরে থাকে।

উত্তর- √

 (ছ) গন্ডারের খঙ্গ হল জমাট বাঁধা চুল।

উত্তর- √