মাকু গল্প তৃতীয় পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর || সপ্তম শ্রেণী
![]() |
মাকু গল্প
সপ্তম শ্রেণী
তৃতীয় পরীক্ষার জন্য
আট অধ্যায় ধেকে
অতি-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ঃ
প্রশ্ন:- নেনো কার নাম ছিল?
উঃ। সোনাদের পোষা কুকুরের নাম ছিল নেনো।
প্রশ্ন:- ঝোপের মধ্যে মোট ক-টা খরগোশ ছিল?
উঃ। ঝোপের মধ্যে মোট তিনটে খরগোশ ছিল।
প্রশ্ন:- কে খরগোশ বিক্রি করে অনেক পয়সা রোজগার করে ?
উঃ। আম্মার এক ছেলে রঙা, খরগোশ বিক্রি করে অনেক পয়সা রোজগার করে।
প্রশ্ন:- সোনা কাকে নাচতে বারণ করল এবং কেন?
উঃ। সোনা বনময়ূরকে নাচতে বারণ করল, পাছে বৃষ্টি নেমে যায়।
প্রশ্ন:- সং সোনাকে জাদুকর কী দেবে বলেছিল?
উঃ সোনাকে জাদুকর বড়ো প্যাপ্যা পুতুল দেবে বলে সং বলেছিল।
প্রশ্ন:- বনের মধ্যে গাছের নীচে সোনা ও টিয়া কী করতে লাগল ?
উঃ। বনের মধ্যে গাছের নীচে সোনা ও টিয়া দুজনে ময়লা জামা পরে নাচতে গাইতে লাগল।
প্রশ্ন:- সাপেরা কীভাবে ছুটতে পারে না?
উঃ। সাপেরা পাশের দিকে ছুটতে পারে না।
প্রশ্ন:-প্রশ্ন:-ঝোপের মধ্যে থেকে কে বেরিয়ে এসে কী করতে লাগল ?
উঃ। ঝোপের মধ্যে থেকে একটি বড়ো ডোরাকাটা সাপ বেরিয়ে এসে কুণ্ডুলি পাকিয়ে ফণা তুলে দুলতে আরম্ভ করল।
প্রশ্ন:-মাকুর চাবি ফুরিয়ে গেলে কী হবে?
উঃ। মাকুর চাবি ফুরিয়ে গেলে মাকু এলিয়ে পড়বে, তখন তাকে ঘড়িগুলার কাছে দিতে হবে।
প্রশ্ন:- কেউ তাদের খুঁজতে না আসায় সোনার বুকটা ধড়াস করে উঠেছিল কেন?
উঃ। গতকাল রাতে সোনা টিয়া বাড়ি যায়নি নিজেদের খাবার খায়নি, শোয়নি, জামাকাপড় ছাড়েনি। তবুও কেউ তাদের খুঁজতে না আসায় সোনার ভয়ে বুক ধড়াস করে উঠেছিল।
• সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর :
প্রশ্ন:- মাকুকে না পেয়ে টিয়া সোনাকে কী প্রশ্ন করেছিল? উত্তরে সোনা কী বলেছিল?
উঃ। বনের ঝোপে ঝাড়ে মানুকে খুঁজে না পেয়ে টিয়া সোনাকে প্রশ্ন করেছিল যে ষষ্ঠীঠাকরুণ মাকুকে খেয়ে ফেলেছে কিনা।
সোনা চটে গিয়ে উত্তরে বলেছিল যে মাকু ক্ষীর দিয়ে তৈরি নয় ও টিন, রবার, স্প্রিং আর প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি ওকে ষষ্ঠীঠাকরুণ তো নয়ই বাঘেও খাবে না।
প্রশ্ন:-বনের মধ্যে ঠেলেঠুলে ঢুকে সোনা-টিয়া অবাক হয়ে কী দেখল ?
উঃ। বনের মধ্যে ঢুকে সোনা-টিয়া অবাক হয়ে দেখল যে মাঝখানটা একেবারে ফাঁকা, কচি নরম দুর্বোধাসে ঢাকা তারই মধ্যে একটি লাল চোখ সাদা ধবধবে মা খরগোশ, দুটো তুলোর মতো বাচ্চা নিয়ে ওদের দিকে চেয়ে থর থর করে কাঁপছে।
প্রশ্ন:- সোনা টিয়া বনের মধ্যে নাচার সময় কী হয়েছিল?
উত্তর। বনের মধ্যে গাছের নীচে সোনা ও টিয়া দুজনে ময়লা জামা পরে নাচতে গাইতে লাগল। তখন গাছ থেকে টুপটাপ সাদা ফুল পড়তে লাগল। তখন সোনাটিয়া সেগুলিকে কানের পিছনে গুঁজে রাখল একজোড়া সবুজ পায়রা উড়ে গাছের ডালে বসলো এবং পাতার আড়াল থেকে কাঠঠোকরারা ঠুনঠুন করে তাল দিতে লাগল। বনময়ূর ঝোপ থেকে বেরিয়ে এসে পেখম ধরে নাচ করতে লাগল।
প্রশ্ন:- বটলায় সোনা কী করলো?
সাপ দেখে দৌড়ে সোনা ও টিয়া বটতলায় পৌঁছে দেখলো উনুনের আঁচ পড়ে এসেছে। উনুনে চাপানো কড়ায় দুধ ফুটে ঘন হয়ে এসেছে। সোনা তাতে মিছরির ঠোঙা, কিসমিশের কৌটে খালি করে ঢেলে দিল। তারপর কড়াইটাতে ঢাকা দিয়ে দুজনে দুমুঠো খেজুর ও জল খেয়ে নদীতে হাত পা মুখ ধুয়ে গাছ ঘরে উঠে খুব ঘুম দিল
প্রশ্ন:- বট গাছ তলায় কী কী পড়ে রইলো?
উত্তর- বটগাছতলায় গামলা ভরা ভাজা মাছ, বালতি ভরা মশলা মাখা মাংস, থলি ভরা বাসমতি চাল পড়ে রইল। উনুন জ্বলে নিভে গেল, কেউ দেখবার রইল না।
নয় অধ্যায়
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর :
প্রশ্ন:- মাকু কোথায় আটকা পড়েছিল?
উঃ। মাকু খরগোশ ধরার ফাঁদে আটকা পড়েছিল।
প্রশ্ন:- মাকু নড়ছিল না কেন?
উঃ মাকুর চাবি ফুরিয়ে গিয়েছিল বলে সে আর নড়ছিল না।
প্রশ্ন:- জাদুকর সোনাদের কী দিয়েছিল?
উঃ। জাদুকর সোনাদের দুটি খরগোশ ছানা দিয়েছিল।
প্রশ্ন:- সং সোনাদের কী দিয়েছিল?
উঃ। সং সোনাদের পুঁতি দিয়ে গাঁথা মালা দিয়েছিল।
প্রশ্ন:- ঘাস জমিতে কে সোনাদের সাজিয়ে দেবে?
উঃ। ঘাস জমিতে মেম সোনাদের সাজিয়ে দেবে।
প্রশ্ন:- দুপুরে বেশি ঘুমুলে সোনার কী হয়?
উঃ। দুপুরে বেশি ঘুমালে সোনার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
প্রশ্ন:- সঙেদের থলিতে কত পয়সা জমা হয়েছিল?
উঃ। সঙেদের থলিতে দেড় হাজারের বেশি দশ পয়সা জমা হয়েছিল।
প্রশ্ন:- মাকুকে কোথায় পাওয়া গেলো? তাকে কোথায় রাখা হলো ?
প্রশ্ন:- মাকুকে বাঁশবনেতে পাওয়া গেল সেখানে খরগোশ ধরার ফাঁদে সে আটকে ছিল। এখন তাকে কুকুরদের ঘরে রাখা হয়েছে।
প্রশ্ন:- মাকু সার্কাস পার্টিকে কী করে নিতে পারে?
উঃ। মাকু একটি সোনার খনি। সে সার্কাস পাটিকে বড়োলোক করে দিতে পারে।
প্রশ্ন:- কোন কাজকে জাদুকর অসভ্যতা বললো ?
উঃ। সোনা ও টিয়ার কানে কানে কথা বলাকে জাদুকর অসভ্যতা বললো।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ঃ
প্রশ্ন:- জাদুকর সোনা-টিয়াকে কী ধরে দিল?
উম। জাদুকর শূন্য থেকে থপথপ করে গোলগাল দুটি সাদা ঘরগোশের বাচ্চা ধরে দিল। তাদের লাল টুকটুকে চোখ,গলায় লাল ফিতেয় ছোটো দুটি ঘন্টি বাঁধা। নড়লে চড়লে সেগুলি টুংটাং করে বাজে।
প্রশ্ন:- জাদুকরের টাকার ভাবনা ছিল না কেন ?
উত্তর - সাড়ে তিন গাঁ থেকে লোক হোটেল মালিকের জন্মদিনে খেলা দেখবে বলে টিকিট।কেটেছে। সঙেদের থলিতে দেড় হাজারের বেশি দশ পয়সা জমা হয়েছে। তাই জাদুকরের টাকার ভাবনা নেই।
প্রশ্ন:- হলুদ ও সবুজ প্যাকেটগুলিতে কী ছিল ও কী লেখা ছিল?
উঃ । হলুদ কাগজে মোড়া দুটি ছোটো প্যাকেটে প্যাকেট দুটিতে ছিল ছোটো ছোটো পুঁতিমতো দিয়ে গাঁথা সুন্দর দুটি সাদা মালা। হলুদ পেনসিল দিয়ে লেখা ছিল—ইতি স্নেহের সং।
প্যাকেটের নীচে রাখা দুটি সবুজ প্যাকেটে লেখা ছিল জন্মদিনের উপহার ইতি হোটেলগুলা। তার ভিতরে ছিল সরু লেসের পাড় দেওয়া ছোটো দুটি সাদা রেশমি রুমাল।
প্রশ্ন:- মাকুকে কোথায় কীভাবে পাওয়া গেল? তাকে কেমন সাজানো হয়েছিল ?
উঃ বাঁশবনেতে খরগোশ ধরবার ফাঁদে আটকে মাকু চাৰিব ফুরিয়ে ফেলেছিল। কল ছাড়িয়ে তাকে কুকুরদের ঘরে রাখা হলো। সম্ভেরা রং মাখিয়ে মাকুর চেহারা ফিরিয়ে দিল। মেম তাকে নতুন কাপড় চোপড় পরিয়ে দিয়েছে।।
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ঃ
প্রশ্ন:- কে মাকুর জন্য চাবি বানিয়েছিল?
উঃ। টিয়া মাকুর জন্য চাবি বানিয়েছিল।
প্রশ্ন:- :- মাকুকে টিয়া যে চাবি দিয়েছিল তার রং কী?
উঃ। তার রং ছিল গোলাপি।
প্রশ্ন:- কে সোনা টিয়াদের সাজিয়ে দিল ?
উঃ। মেমসাহেব সোনা-টিয়াদের।
প্রশ্ন:-কার সাথে মাকুর বিয়ে হল ?
উঃ। পরিদের রানির সাথে মাকুর বিয়ে হলো।
প্রশ্ন:- সার্কাসে কে রিং মাস্টার সাজল?
উঃ হোটেলের মালিক সার্কাসে রিং মাস্টার সাজল।
প্রশ্ন:- কে মাকুকে দিয়ে খেলা দেখাল?
উঃ। ঘড়িওয়ালা মাকুকে দিয়ে খেলা দেখাল।
প্রশ্ন:-মাকুর শরীরে কোথায় কল আছে?
উঃ। মাকুর নাকের কালো তিলের নীচে টেপা কল আছে।
প্রশ্ন:- টিয়া মাকুর চাবি কোথায় রেখেছিল?
উঃ। টিয়া মাকুকে চালু করার চাবি ঝোলার ভিতরে রেখেছিল।
প্রশ্ন:- মাকু কীভাবে গান গেয়ে উঠলো?
উঃ। মাকু এক হাত কোমরে দিয়ে এক হাত আকাশে উড়িয়ে বিলিতি।কায়দায় গান গেয়ে উঠলো।
প্রশ্ন:- মাকু কোন্ গান গাইল?
উঃ। মাকু “ইয়াঙ্কি ভুডডল ওয়েন্ট টু টাউন রাইডিং অন্-এ পোনি!” গানটা গাইল।
প্রশ্ন:- সার্কাসে সবার শেষে কী হল? উঃ। সার্কাসে সবার শেষে মাকুর সাথে পরিদের রানির বিয়ে হল।
প্রশ্ন:-শেষ পর্যন্ত বুদ্ধি করে জাদুকর কী করলো?
উঃ। শেষ পর্যন্ত জাদুকর বৃদ্ধি করে বড়ো আলো নিভিয়ে দিল।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ঃ
প্রশ্ন:- সোনা ও টিয়া দর্শকের মাঝে কী গান গাইলো ?
উঃ। সোনা ও টিয়া দর্শকের মাঝে বড়ো আলোর নীচে দাঁড়িয়ে একটা নমস্কার করে হাত মেলে “ফুল কলি আসে অলি গুণগুণ গুঞ্জনে” গান গাইলো ও নাচতে লাগলো।
প্রশ্ন:- ছাউনিতে কীসের শব্দ শোনা ?
উত্তর;ছাউনিতে জানোয়াররা সুস্থ হয়ে ওঠায় সেখান থেকে ডাক আর মাঝে মাঝে ঘোড়াদের পা ঠোকার শব্দ শোনা যাচ্ছিল।
প্রশ্ন:-ঘড়িওয়ালা মুখে চোঙা লাগিয়ে কী বললে?
উত্তর- ঘড়িওয়ালা মুখে চোঙা লাগিয়ে সবাইকে বললো আজ আমাদের প্রিয় অধিকারীর জন্মদিন উপলক্ষে খেলা শেষ হলো ।সবাই সাধু সাধু বলুন।
প্রশ্ন:- সং খেলায় কী কী কাণ্ড করলো?
উত্তর- সং একগালে চুন আর একগালে কালি মেখে গাধার টুপি পরে একটার পর একটা ডিগবাজি খেলো। দড়াবাজির ছেলেরা যখন দোলনা থেকে লাফিয়ে নীচে নামছিল সে তখন লাফিয়ে উপরে ওঠার চেষ্টা করছিল। তারপর গান শেষ হলে সং পরপর পাঁচটা ডিগবাজি খেয়ে নীচ থেকে এক লাফে উঠে বড়ো করতাল দিয়ে হাততালি দিতে লাগল ।
প্রশ্ন:- মাকু কী কী করল ?
উত্তর-ঘড়িওলা মাকুকে যা বললো সে তাই করতে লাগলো। মাকু নাচল গাইল, মোড়লের সাইকেল চালাল, ভাঙা টাইপরাইটার দিয়ে ইংরাজিতে চিঠি লিখল । ঘুড়িওয়ালার সঙ্গে কুস্তি করলো।
প্রশ্ন:- মাকুর সঙ্গে পরির রানির বিয়ের ঘটনা লেখো।
উত্তর- পরিদের রানির খেলা শেষ হতে তাকে পিঠে নিয়ে দুই বড়ো বড়ো ঘোড়া আলোর নীচে এসে হাঁটু গেড়ে বসলো।অধিকারি পরিদের রানির হাত ধরে নামাল আর ঘড়িওলা মাকুকে রানির সামনে দাঁড় করাল। সং বেতের ঝুড়িতে দু- গাছি মোটা গোড়েমালা আর বরের টোপর এনে রাখল। জোরে জোরে বাজনা বাজতে লাগলো, ফুল পড়তে লাগলো।
এইভাবে মহা ধূমধামের সঙ্গে মাকু আর পরিদের রানির বিয়ে হয়ে গেল।
শেষ.......
